জাতীয় সাপ্তাহিক ক্রাইম ডায়রি একটি অপরাধ বিষয়ক পত্রিকা।।

national weeklycrime diary

national weeklycrime diary
ক্রাইম ডায়রি(জাতীয় সাপ্তাহিক, অনলাইনদৈনিক, অনলাইন টেলিভিশন ও অপরাধ গবেষণা )

সোমবার, ১৭ আগস্ট, ২০১৫

প্রধানমন্ত্রীর এপিএস পরিচয়ে প্রতারণাঃ

 আটক ১

আরিফুল ইসলাম কাইয়্যুম,ক্রাইম ডায়রি,১৭/৮/‘১৫ইং,ঢাকাঃ
প্রতারকরা বিভিন্ন কৌশলে সাধারন মানুষকে ধোকা দেয়। এবার পুলিশ বা র‌্যাব সেজে নয়,নয়তো কোন ম্যাজিষ্ট্রেট সেজে । এবার প্রতারক সাজলো প্রধানমন্ত্রীর এপি এস। রাজধানীর শেরেবাংলা নগর থেকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সহকারী ব্যক্তিগত সচিব (এপিএস) পরিচয়দানকারী মো. শহিদুল ইসলাম নয়ন (২৮) নামের এক যুবককে গ্রেফতার করেছে মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। রোববার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে নয়নকে গ্রেফতার করা হয়। তিনি পাবনার বাসিন্দা।
ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন বিভাগের উপ-কমিশনার (ডিসি) মুনতাসিরুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, প্রধানমন্ত্রীর এপিএসের নাম ব্যবহার করে বিভিন্ন জায়গায় ফোন করে অবৈধ লেনদেন করত ওই প্রতারক। এ ঘটনা জানার পর প্রধানমন্ত্রীর এপিএস সাইফুজ্জামান শেখর শেরেবাংলা নগর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছিলেন। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই তাকে গ্রেফতার করা হয়।
এতে আরো জানানো হয়, রোববার দুপুরে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রের সামনে থেকে ওই প্রতারককে আটক করা হয়। এ সময় তার কাছ থেকে একটি মোবাইল ফোন ও বিভিন্ন অপারেটরের তিনটি সিম জব্দ করে ডিবি পুলিশ। এসব সিমের মধ্যে প্রধানমন্ত্রীর এপিএস সাইফুজ্জামান শেখরের হারিয়ে যাওয়া ০১৯১১১১২২১৯ নম্বরধারী বাংলালিংক সিমটিও পাওয়া যায়।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে নয়ন প্রধানমন্ত্রীর এপিএসের ব্যবহৃত গ্রামীণ ফোন নম্বরের মতো বাংলালিংক নম্বর তৈরি করে বিভিন্ন জায়গায় ফোন দিয়ে অবৈধ লেনদেন করার কথা স্বীকার করে।


https://www.facebook.com/pages/National-weeklycrime-diary/639786429398358?ref=hl

বাংলার জনগণের জন্য যে কোনো ত্যাগ স্বীকারে আমি প্রস্তুত

.............................................................  প্রধানমন্ত্রী


মোঃওমর ফারুক রবিন,ক্রাইম ডায়রি,১৬/৮/১৫ ইং,ঢাকাঃ
বঙ্গবন্ধু কন্যা দেশনেত্রী বাঙ্গালী জাতির গর্ব প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, জনগণের ভাগ্য পরিবর্তন এবং বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন বাস্তবায়নে তিনি যে কোনো ত্যাগ স্বীকারে প্রস্তুত রয়েছেন। জাতীয় শোকদিবস উপলক্ষে এক আলোচনা সভায় জাতিকে উদ্দেশ্য করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাঙালি জাতির ভাগ্যের পরিবর্তন আনতে হবে এবং বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন পূরণ করতে হবে। বাঙালি জাতির ভাগ্যের পরিবর্তন করতে এবং বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন বাস্তবায়নের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে আমি যে কোনো ত্যাগ স্বীকারে প্রস্তুত রয়েছি। অতীতে বহুবার বিভিন্ন উপায়ে তার ওপর বার বার হামলার কথা উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, ‘কোনো চক্রান্তই তাঁকে ক্ষুধা ও দারিদ্র্যমুক্ত বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের সোনার বাংলা প্রতিষ্ঠা থেকে বিরত রাখতে পারবে না।’
তিনি বলেন, ‘আমি কোনো চক্রান্তকে পরোয়ানা করি না। আল্লাহ জীবন দেয়া ও নেয়ার মালিক। আমি সবসময় এটি বিশ্বাস করি এবং এর ওপর নির্ভর করি। আমি আল্লাহ ছাড়া কারো কাছে কখনো মাথানত করিনি এবং করবোও না।’
আজ বিকেলে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু অন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে এক আলোচনা সভায় ভাষণে প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন। আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন। জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে ৪০ দিনব্যাপী কর্মসূচির অংশ হিসেবে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ এ সভার আয়োজন করে।
আলোচনায় অংশ নেন সংসদ উপনেতা ও আওয়ামী লীগের সিনিয়র প্রেসিডিয়াম সদস্য সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী, আওয়ামী লীগ উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য আমির হোসেন আমু, তোফায়েল আহমেদ ও সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত, প্রেসিডিয়াম সদস্য বেগম মতিয়া চৌধুরী, মোহাম্মদ নাসিম ও ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন, সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম, বিশিষ্ট লেখক ও কবি সৈয়দ শামসুল হক, দলের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর কবির নানক ও মাহবুব-উল আলম হানিফ, সাংগঠনিক সম্পাদক আহমেদ হোসেন ও আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি এম এ আজিজ ও সাধারণ সম্পাদক মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া। অন্ষ্ঠুানে কবিতা আবৃত্তি করেন বিশিষ্ট আবৃতিকার শিমুল মোস্তফা।
এর আগে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও ১৫ আগস্টের অন্যান্য শহীদ, চার জাতীয় নেতা, ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদ এবং বিভিন্ন গণতান্ত্রিক আন্দোলনে নিহতদের স্মরণে এক মিনিট নিরবতা পালন করা হয়।

https://www.facebook.com/pages/National-weeklycrime-diary/639786429398358?ref=hl

শনিবার, ১৫ আগস্ট, ২০১৫


নকল হিজরাদের অত্যাচারে অতিষ্ঠ এলাকাবাসী

আয়াতুস সাইফ মুন,ক্রাইম ডায়রি,১৫/৮/১৫ইং,সাভারঃ
National weeklycrime diary's photo.
তৃত্বীয় লিঙ্গের লোকদের নিয়ে সরকার এবং আন্তর্জাতিক এন জি ও গুলোর তৎপরতা থাকলেও সহজে চাঁদাবাজি করে দ্রুত ধনী হবার লোভে একদল লোক হিজরাদের দিয়ে কৌশলে চান্দাবাজি করাচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।।সাভারের আশুলিয়ায় জোর করে অনেক পুরুষকে হিজড়া সাজিয়ে সাধারণ মানুষকে জিম্মি করে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে একটি চক্র। প্রকাশ্যে এমন ব্যবসা করা হলেও প্রশাসন অনেকটা নীরব ভূমিকা পালন করছে।হিজরাদের প্রকাশ্য বেলাল্লাপনায় রাস্তায় বের হওয়া দায় হয়ে পড়েছে। রাস্তায় রিক্সা কিংবা মোটরসাইকেল দাড় করিয়ে জোর করে টাকা আদায় কিংবা এলাকার দোকান ও হোটেলগুলোতে গিয়ে সপ্তাহে বাধ্যতামুলক মোটা অংকের চাঁদা আদায়ের মত অপরাধে জড়িয়ে পড়েছে তারা।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, দেশের প্রত্যন্ত এলাকা থেকে হত-দরিদ্র পরিবারের পুরুষদের কাজ দেয়ার কথা বলে ঢাকায় নিয়ে আসে গাজীরচট এলাকার হিজড়াদের সরদার নয়নতারা ও রাশেদা। এরপর তাদের নারী হিজড়ার পোশাক পরিয়ে সাধারণ মানুষকে হয়রানি করে টাকা আদায় করতে বাধ্য করা হয়। এজন্য প্রতিদিনের আয়ের তিন ভাগের দুই ভাগ সরদারদের দিতে হয় বলে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন হিজড়া জানান।
এভাবে ছয় মাস পার হলে অপারেশনের মাধ্যমে তাদের পুরুষাঙ্গ কেটে ফেলা হয়। এমনকি এই পেশা ছেড়ে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে তাদের প্রাণনাশের হুমকি দেয়া বলে অভিযোগ করেন চাকরির খোঁজে আসা এসব লোকজন।
সোমবার সকালে আশুলিয়ার দক্ষিণ গাজীরচটের রশিদ মার্কেট এলাকায় এ ধরনের একটি চক্রের তিন পুরুষকে হিজড়া সেজে চাঁদাবাজিকালে আটক করে গণপিটুনি দিলে তারা এসব তথ্য দেয়। পরে নয়নতারা নামে ওই হিজড়া সরদারের হস্তক্ষেপে তাদের পুলিশে না দিয়ে ছেড়ে দিতে বাধ্য হয় এলাকাবাসী।
আটক ভুয়া হিজড়ারা হলেন- আতিকুল রহমান (৩০) ওরফে সাজেদা, মমিন উদ্দিন (২৬) ওরফে মাহি এবং মো. অন্তর (২১) ওরফে অন্তরা।
ভুয়া হিজড়া মমিন উদ্দিন ওরফে সাজেদা জানান, ‘সিরাজগঞ্জের সলঙ্গা থেকে কাজের সন্ধানে তিনি আশুলিয়ার বাইপাইল এলাকার কাঁচাবাজারের আড়তে আসেন। এরপর থেকেই নানাভাবে ভয়ভীতি দেখিয়ে হিজড়া সর্দার নয়নতারা তাকে এই পেশায় আসতে বাধ্য করেন।’
আটক অপর এক ভুয়া হিজড়া আতিকুল রহমান ওরফে সাজেদা জানান, ‘দেশের বাড়িতে তার এক ছেলে ও মেয়ে রয়েছে। শুধু কথাবার্তায় মেয়েলি ভাব থাকায় সংসারে অভাব-অনটনের সুযোগে তাকে কাজ দেবে বলে এখানে এনেছে আরেক সরদার রাশেদা হিজড়া। এরপর তাকে জোর করে এই কাজে নামিয়েছে। যেন পালিয়ে যেতে না পারি সেজন্য সরদাররা একজনকে তাদের সঙ্গে সবসময় পাহারার জন্য বাইরে পাঠায়। ইচ্ছে থাকলেও এখন তিনি বাড়ি যেতে পারছেন না বলে জানান।’
আট বছর আগে এই কাজে যোগ দিয়েছিলেন বগুড়া থেকে আসা অন্তরা। মো. অন্তর (আগের নাম) জানান, যৌন অক্ষমতার কারণে তাকে জোর করে এখানে নিয়ে এসেছে হিজড়া সরদার নয়নতারা। পরে উত্তরার একটি ক্লিনিক থেকে অপারেশনের মাধ্যমে তার পুরুষাঙ্গ কেটে ফেলা হয়। এরপর থেকেই শুরু হয় তার হিজড়া জীবন। তবে মানুষকে হয়রানি করে এভাবে টাকা নিতে আর তার ভালো লাগেনা বলে জানান।
স্থানীয় মো. কাজল নামে (২৮) এক হিজড়া জানান, গাজীরচটের বটতলা এলাকার হিজড়াদের সরদার নয়নতারা নিজেও অনেক দিন আগে নিজের পুরুষাঙ্গ কেটে ফেলে এই পেশায় ঢুকেছেন। তাছাড়া সরকার হিজড়াদের ট্রাফিক পুলিশের চাকরি দেবে এমন কথায় নিজের ব্যবসা নষ্ট হয়ে যাওয়ার ভয়ে এভাবে অসহায় পুরুষদের দারিদ্রতার সুযোগ নিচ্ছে সরদার। তার দলে মোটামুটি শতাধিক হিজড়া রয়েছে। তাদের তোলা চাঁদার টাকায় নয়নতারা ইতোমধ্যে নিজ এলাকায় একটি পাঁচ তলা ভবনের মালিক হয়েছেন বলেও জানায় কাজল।
তবে এসব অভিযোগের ব্যাপারে হিজড়া সরদার নয়নতারার সঙ্গে যোগযোগ করা হলে তিনি বলেন, এমন ঘটনার সঙ্গে তিনি জড়িত নন।
জানতে চাইলে আশুলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোস্তফা কামাল জানান, এমন কোনো ঘটনা তার জানা নাই। তবে কেউ এ ব্যাপারে অভিযোগ করলে দ্রুত আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।
দিন দিন হিজড়াদের চাঁদাবাজি, চুরি ও টাকার জন্য নবজাতক শিশু ছিনিয়ে নেয়ার মত ঘটনায় অতিষ্ট হয়ে উঠেছে এলাকাবাসী। এসব চাঁদাবাজ হিজড়াদের বিরুদ্ধে পুলিশের কাছে অভিযোগ করলে হয়রানি বাড়ার আশঙ্কা থাকায় আতঙ্ক নিয়েই দিন পার করছেন এলাকার বাসিন্দারা।

https://www.facebook.com/pages/National-weeklycrime-diary/639786429398358?ref=hl

 

রাজধানীর রূপসী বাংলা (শেরাটান) হোটেল মোড়ে ডিএমপির ভ্রাম্যমাণ আদালত

 মোঃওমর ফারুক রবিন,ক্রাইম ডায়রি,১৪/৮/১৫ইং,ঢাকাঃ
বেপরোয়া গতিতে গাড়ি চালালোর দায়ে এক চালককে ৫শ’ টাকা জরিমানা ও ১৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন পুলিশের ভ্রাম্যমাণ আদালত। কারাদণ্ডপ্রাপ্ত চালকের নাম মো. কালাম (৩২)। রাজধানীর মিরপুর-যাত্রাবাড়ী রুটে চলাচলকারী ‘শিখর পরিবহন’ নামের একটি গাড়ির চালক তিনি। বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) দুপুর সাড়ে ১২টায় রাজধানীর রূপসী বাংলা (শেরাটান) হোটেল মোড়ে ফিটনেসবিহীন গণপরিবহন নিয়ে বেপরোয়া গতি চালানোর কারণে তাকে এ কারাদণ্ড দেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। বেলা সাড়ে ১১টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত ফিটনেসবিহীন যানবাহনের বিরুদ্ধে এ অভিযান পরিচালনা করেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. মশিউর রহমান। অভিযানে ৭টি বাস ও একটি মাইক্রোবাস আটক করে ডাম্পিংয়ে পাঠানো হয়। এর মধ্যে এভারেস্ট পরিবহন (ঢাকা মেট্রো-ব ১১-৭৪৩০), তিন নম্বর বাস (ঢাকা মেট্রো-জ ১১ ২৫৫৬), এফটিসিএল পরিবহন (ঢাকা মেট্রো-ব ১৪- ০৪৫৪), তরঙ্গ প্লাস (ঢাকা মেট্রো-ব ১১- ৪২৬৯), শিখর পরিবহন (ঢাকা মেট্রো-ব ১১-৩৫৮৩), দিপন পরিবহন (ঢাকা মেট্রো-ব ১১-২১৩৫), শিকড় পরিহন (ঢাকা মেট্রো-জ ১১-১৬৬৭) এবং একটি মাইক্রোবাস (ঢাকা মেট্রো-চ ১৩-৮০৩৯) রয়েছে। সরেজমিনে দেখা গেছে, শিখর পরিবহনের একটি গাড়ি বেপরোয়া গতিতে চালিয়ে যাওয়ার সময় সামনে থাকা অন্য একটি বাসকে পেছন থেকে ধাক্কা মারলে পুলিশ ওই বাস চালককে থামার সিগন্যাল দেয়। কিন্তু চালক না থেমে গাড়ি নিয়ে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন। পরে কয়েকজন ট্রাফিক পুলিশ ওই গাড়িটি আটক করেন। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. মশিউর রহমান ক্রাইম ডায়রিকে বলেন, শিখর পরিবহনের ওই চালক বেপরোয়া গতিতে গাড়ি চালাচ্ছিলেন। তাকে থামার সিগন্যাল দিলেও চালক পালানোর চেষ্টা করেন। পরে গাড়ির কাগজপত্র পরীক্ষা করলে সেখানে গাড়ির ফিটনেস সনদ ও চালকের ড্রাইভিং লাইসেন্স না থাকায় মোটরযান আইনের ১৩৭ ধারা অনুযায়ী চালক কামালকে ৫শ’ টাকা জরিমানা ও ১৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। যতোদিন না পরিস্থিতি সহনীয় পর্যায়ে আসছে ততোদিন আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী ফিটনেসবিহীন গাড়ির বিরুদ্ধে এ অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানান তিনি। বাবুল নামে এক যাত্রী বলেন, সরকারের এ উদ্যোগকে আমি সাধুবাদ জানাই। তবে যাত্রীদের সাময়িক ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে। ভোগান্তিতে পড়লেও আগামীতে আমরা এর সুফল পাবো।
https://www.facebook.com/pages/National-weeklycrime-diary/639786429398358?ref=hl

শুক্রবার, ১৪ আগস্ট, ২০১৫


 এবার নিয়ন্ত্রিত হচ্ছে গতিসীমাঃ

৮০কি.মি এর বেশি গতি হলেই বন্ধ হয়ে যাবে গাড়ি

মোঃওমর ফারুক রবিন,ক্রাইম ডায়রি,১৪/৮/১৫ইং,ঢাকাঃ
দুর্ঘটনা এড়াতে দেশের জাতীয় মহাসড়কের যানবাহনের গতিসীমা সর্বোচ্চ ৮০ কিলোমিটার নির্ধারণ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ‘স্পিড গভর্নর’ নামের একটি যন্ত্র গাড়িতে বসানো হবে। যাতে গাড়ির সর্বোচ্চ গতিসীমা নির্দিষ্ট থাকবে। ওই গতিসীমা ছাড়ালেই গাড়িটি বন্ধ হয়ে যাবে। আজ সোমবার রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে জাতীয় সড়ক নিরাপত্তা কাউন্সিলের সভায় এই সিদ্ধান্ত হয়। সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের ওই সভায় সভাপতিত্ব করেন। সভায় তিনি বলেন, গাড়ির গতিসীমা নিয়ে সিদ্ধান্তটি শিগগিরই বাস্তবায়ন করা হবে। মহাসড়কে চলাচলকারী গাড়িতে স্পিড গভর্নর নামের যন্ত্র বসানো থাকবে। তাতে গাড়ির সর্বোচ্চ গতিসীমা নির্ধারণ করা থাকবে। আর সর্বোচ্চ গতিসীমা ছাড়ালেই গাড়িটি নিজ থেকেই বন্ধ হয়ে যাবে।
https://www.facebook.com/pages/National-weeklycrime-diary/639786429398358?ref=hl

নতুন করে দলগুছিয়ে আবারও আন্দোলনে নামবে বি এন পি

মুজিব,ক্রাইম ডায়রি,১৩/৮/১৫ ইং,৫.৩৪ পি এম,ঢাকাঃ
বার বার আন্দোলনে ব্যর্থতার পর পুনরায় দলের পুনর্গঠন প্রক্রিয়া শেষ করে আগামী জানুয়ারি থেকে আবার সরকারবিরোধী আন্দোলনে নামবে বিএনপি নেতৃত্বাধীন ২০ দলীয় জোট। এমনটাই জানালেন বিএনপির কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যান মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম।সরকার গনতন্ত্র দলন করায় আন্দোলনে সফলতা না আসলেও নতুন আন্দোলনে জনগণ তাদের সঙ্গে থাকবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি। চলমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে দেয়া একান্ত সাক্ষাৎকারে এ কথা বলেন বিএনপির এই শীর্ষ নেতা। হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেন, ‘দল গোছানোর পর ইনশাআল্লাহ আগামী বছরের প্রথম থেকে অর্থাৎ জানুয়ারি মাস থেকে বিএনপি গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আন্দোলনে যাবে। এ আন্দোলন হবে ভোটাধিকার ফিরে পাওয়ার আন্দোলন এবং তার মধ্যদিয়ে সুশাসন প্রতিষ্ঠা লাভ করবে। আশা করি এই সংগ্রামে দেশবাসী ২০ দলের সাথে থাকবে এবং বাংলাদেশে আবার গণতন্ত্রের ঐতিহ্য ফিরে আসবে।’ তিনি বলেন, ‘বিএনপি এই মুহূর্তে ঘর গোছানোতে ব্যস্ত। ছাত্রদল, যুবদল, মূলদল ইত্যাদি ক্ষেত্রে আমাদের নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া পরিবর্তন আনবেন বলে আমরা আশা করি। সেই সঙ্গে জনগণের মধ্যে শেকড় আছে এ ধরনের ব্যক্তিদের নিয়ে দল গোছাবেন এটাই আমাদের আশা।’ সাবেক এই মন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশে রাজনীতিবীদদের জন্য বড়ই দুঃসময়। দেশে গণতন্ত্র নেই, আইনের শাসন নেই, বিনাভোটের একটি সরকার জগদ্দল পাথরের মতো জনগণের বুকের ওপর চেপে বসে আছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির গুরুতর অবনতি হয়েছে। মাতৃগর্ভের শিশুও সন্ত্রাসীদের গুলির হাত থেকে রক্ষা পাচ্ছে না। ব্যাংকগুলোতে অবাধে লুটপাট চলছে সরকারি পৃষ্ঠপোশকতায়। সরকারের শীর্ষ পর্যায়ের ব্যক্তিরা এই সমস্ত ব্যাংক লুটেরাদেরকে প্রটেকশন দিয়ে যাচ্ছে। দেশের অর্থমন্ত্রী নিজেই স্বীকার করছেন যে, এরা এতো বড় মাপের এতো প্রভাবশালী যে এদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার ক্ষমতা তার নেই।’
তিনি বলেন, ‘পুলিশ বাহিনী বলছে- এই সরকারকে তারাই ক্ষমতায় রেখেছে। অর্থাৎ বাংলাদেশ আজকে একটি পুলিশ স্টেটে পরিণত হয়েছে।’ আক্ষেপ করে হাফিজ আহমদ বলেন, ‘বাংলাদেশে সবচেয়ে ভয়াবহ ভোট ডাকাতি অনুষ্ঠিত হয়েছে বিগত ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচনে। রাজধানী শহরে এ ধরনের ভোট ডাকাতি সংঘটিত হয়েছে। দেশের মানুষ চুপচাপ। তাদের কোনো মাথা ব্যাথা নেই। এটিই রাজনীতির জন্যে একটি অশনি সংকেত। কোথায় গেলো সেই একাত্তরের ছাত্র সমাজ? কোথায় গেলো দেশের বুদ্ধিজীবীরা? রাজপথের নামার জন্য কাউকে পাওয়া যাচ্ছে না। সবাই ব্যক্তিগত হিসেব-নিকেশ নিয়েই ব্যস্ত। সুতরাং একটি দেশের জন্য বিশেষ করে বাংলাদেশের মতো দেশ, যারা যুদ্ধ করে স্বাধীন হয়েছে তার জন্য খুবই ভয়ঙ্কর। একাত্তরে যাদের বীরত্ব গৌরব গাঁথা বিশ্বময় ছড়িয়ে পড়েছিল সেই ধরনের একটি দেশে রাজনীতিবীদরা জনগণের ভোটাধিকার হরণ করেছে, বাকস্বাধীনতা হরণ করেছে। এমনই এক দুঃসহ পরিবেশে আমরা বসবাস করছি।’ হাফিজ বলেন, ‘তবে কি এমনভাবেই চলবে বাংলাদেশ? নিশ্চয়ই না। জনগণকে অপেক্ষা করতে হবে। যেখানে পরিশালিত রাজনৈতিক কর্মীরা দেশের দায়িত্ব নেবে, যেখানে জনগণের ইচ্ছা আশা আকাঙ্খার প্রতিফলন ঘটাতে পারবে। এমন রাজনৈতিক দলের নেতারাই রাষ্ট্র ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হতে পারে, যারা দেশে সুশাসন আনবে, যারা হত্যাকাণ্ড বন্ধ করতে পারবে, গডফাদারের রাজনীতি বন্ধ করতে পারবে।’ বিএনপির এই নেতা বলেন, ‘বর্তমান যে অবস্থা চলছে এতে করে এ ধরনের পুলিশী শাসন থেকে মুক্ত হওয়া অত্যন্ত কঠিন। রাজপথে নামলেই গুলি করে। দেশে গণতন্ত্রের ‘গ’ বলতেও কোনো কিছু নেই। এমনই একটি সময়ে আমরা নিজেরা যারা রাজনীতিবীদ, আমরাও চিন্তিত, কী হবে দেশের ভবিষ্যৎ? দেশে সুষ্ঠু নিরপেক্ষ নির্বাচনের সম্ভাবনা দেখা যাচ্ছে না। অন্তত যতোদিন এই সরকার আছে। তারা ইতিমধ্যে সংবিধানের যে সংশোধনী এনেছে একটি পার্লামেন্ট বজায় রেখে আবার পার্লামেন্ট নির্বাচন, পৃথিবীর কোথাও এই ধরনের নেই। বোঝাই যাচ্ছে তারা ক্ষমতা হস্তান্তর করতে রাজি নয়।’ তিনি বলেন, ‘এই সরকারকে টিকিয়ে রেখেছে মেরুদণ্ডহীন নির্বাচন কমিশন। যাদের কোনো ব্যক্তিত্ব নেই। যারা দলীয় ক্যাডারের চেয়ে বেশি ক্যাডারগিরি করে। সুতরাং এদের মাধ্যমে কোনো সুষ্ঠু নির্বাচনের সম্ভাবনা নেই। গণতন্ত্রের জন্য আগামী দিনগুলো অত্যন্ত বিপদসংকুল।’ দলের জনপ্রিয়তা নিয়ে তিনি বলেন, ‘বিএনপি দেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় রাজনৈতিক দল। নির্বাচন দিলে অবলীলায় ২৫০ থেকে ৩০০ আসনের কাছাকাছি পৌঁছে যাবে বিএনপি।’ হাফিজ আহমদ বলেন, ‘বাংলাদেশের জনগণের ওপর আমার আশা আছে। একাত্তরে যে লড়াকু মনোভাব তারা প্রদর্শন করেছে, যে বীর বিক্রমে তারা যুদ্ধ করেছে হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে। আমি আশা করি একদিন নিশ্চয়ই বাংলাদেশে গণতন্ত্রকামী মানুষ, তরুণ সমাজ রাজপথে নামবে এবং আবার গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত করবে। সুশাসনের দেখা আমরা তখন নিশ্চয়ই পাবো। তবে কবে পাবো বলা মুশকিল।’

https://www.facebook.com/pages/National-weeklycrime-diary/639786429398358?ref=hl

বুধবার, ১২ আগস্ট, ২০১৫

 বগুড়ায় জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার মত বিনিময় সভা

 

আবু মুসা,জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা বগুড়া অফিস,১২/৮/১৫ইং,ঢাকাঃ
জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা বগুড়া জেলা কমিটির আয়োজনে সোমবার বগুড়া শহরস্থ টাইম কাট চাইনিজ রেষ্টুরেন্টে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা বগুড়া জেলা কমিটির সভাপতি মুহাম্মাদ আবু মুসা’র সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন সাংবাদিক সংস্থা কেন্দ্রীয় কমিটির সহসভাপতি নুরুজ্জামান প্রধান। সংস্থা’র জেলা সাংগঠনিক সম্পাদক আল-আমিন মন্ডল এর পরিচালনায় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন দৈনিক বগুড়ার মফস্বল সম্পাদক ও ভোরের কাগজের জেলা প্রতিনিধি বাদল চৌধুরী, টাইম কাট চাইনিজ রেষ্টুরেন্ট এর স্বত্ত্বাধিকারী প্রকৌশলী রোকন তালুকদার, সাংবাদিক সংস্থা’র জেলা কমিটির ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক আরিফুর রহমান মিঠু, নির্বাহী সদস্য জাকির হোসেন, মতিউর রহমান মতি, সাংবাদিক শরিফুল ইসলাম পান্না প্রমূখ। নুরুজ্জামান প্রধান তাঁর বক্তব্যে বলেন, সাংবাদিক সমাজের মধ্যে বিরাজমান অনৈক্য নিরসন করে ঐক্যবদ্ধ সাংবাদিক কমিউনিটি প্রতিষ্ঠা করতে হবে। তিনি সাংবাদিক হত্যা, নির্যাতন ও হয়রানির বিরুদ্ধে পেশাগত ঐক্যের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সাংবাদিক নিরাপত্তা আইন বাস্তবায়ন করার জন্য সরকারের নিকট দাবী জানান।
https://www.facebook.com/pages/National-weeklycrime-diary/639786429398358?ref=hl

 বাসচালককে গণধোলাইঃ

অবশেষে মারা গেলেন সেই বাসচালক

 

ইমরানুল হক,ক্রাইম ডায়রি,১২/৮/১৫ইং,ঢাকাঃ
রাজধানীর সায়েদাবাদ বাস টার্মিনালে যাত্রীদের গণধোলাইয়ে শ্যামলী পরিবহনের একটি বাসের চালক শিবু চন্দ্র দে ওরফে দেবনাথ (৪৫) নিহত হয়েছেন। মঙ্গলবার রাত ১২টার দিকে মুমুর্ষূ অবস্থায় উদ্ধার করে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। নিহত শিবুর বাবার নাম মৃত হরিবোল চন্দ্র দে। সিলেট জেলার জাফলংয়ে তাদের বাড়ি বলে জানা গেছে।
বাসের সহকারী চালক (হেলপার) শামীম আহমেদ জানান, সোমবার রাতে ফকিরাপুল থেকে যাত্রী নিয়ে সিলেট ছাতকের উদ্দেশে রওয়ানা হওয়ার সময় সায়েদাবাদ জনপদ মোড় ৬ নম্বর কাউন্টারে আরও যাত্রী নেওয়ার জন্য বাস থামানো হয়।
এতে বাসে থাকা অন্যান্য যাত্রীরা উত্তেজিত হয়ে চালককে ধাক্কা দিয়ে ইঞ্জিন কভারের ওপর ফেলে গণধোলাই দেয়। এতে বাসের চালক গুরুতর আহত হন। পরে মুমুর্ষূ অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নেওয়া হলে রাত ১২টায় চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। হাসপাতাল ক্যাম্প পুলিশের ইনচার্জ ক্রাইম ডায়রিকে ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
https://www.facebook.com/pages/National-weeklycrime-diary/639786429398358?ref=hl

 পাসপোর্টে হঠাৎ করে নতুন সিদ্ধান্ত

মোঃওমর ফারুক রবিন,ক্রাইম ডায়রি,১২/৮/১৫ইং,ঢাকাঃ
পাসপোর্টে আবারও নতুন সিদ্ধান্ত আসছে। যারা ১৫ বছর বয়সের ঊর্ধ্বে সেসব নাগরিকের পাসপোর্টের মেয়াদ পাঁচ বছর থেকে বাড়িয়ে ১০ বছর করা হচ্ছে। একই সঙ্গে পাসপোর্টের সাধারণ ফি ভ্যাট বাদে তিন হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে চার হাজার টাকা ও জরুরি ফি ভ্যাট বাদে ছয় হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে সাত হাজার টাকা করা হচ্ছে।ইতোমধ্যে এসব বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। সিদ্ধান্তের ভিত্তিতে পাসপোর্টের মেয়াদ বৃদ্ধি ও তুলনামূলক হ্রাসকৃত ফি প্রবর্তনে অর্থ মন্ত্রণালয়ের মতামতের জন্য পাঠিয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। পাশের কয়েকটি দেশের উদাহরণ বিবেচনায় নিয়ে পাসপোর্টের মেয়াদ ও ফি বাড়ানোর প্রস্তাবে নীতিগত অনুমোদন দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এ সম্পর্কে জানতে চাইলে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা প্রতিবেদককে বলেন, মালয়েশিয়া, সংযুক্ত আরব আমিরাত, সৌদি আরবসহ বাংলাদেশী শ্রমিক অধ্যুষিত দেশগুলোর দূতাবাসের শীর্ষ কর্মকর্তাদের সুপারিশের ভিত্তিতে পাসপোর্টের মেয়াদ বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। তবে ফি বাড়ানোর বিষয়ে মতামতের জন্য মে মাসের শেষদিকে একটি চিঠি অর্থ বিভাগের সিনিয়র সচিবের কাছে পাঠানো হয়েছে। এখনও ওই চিঠির জবাব পাওয়া যায়নি। অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পাসপোর্টের মেয়াদ ও ফি বাড়ানো সংক্রান্ত প্রস্তাবটি ট্রেজারি ও ব্যবস্থাপনা বিভাগে রয়েছে। তারা অতীতে পাসপোর্টের ফি কিভাবে বেড়েছে ওই বিষয়টি খতিয়ে দেখছে। চলতি মাসের মধ্যেই একটি চিঠির মাধ্যমে তাদের মতামত জানিয়ে দেবে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, ২০১২ সাল থেকেই মেশিন রিডেবল পাসপোর্টের (এমআরপি) ফি বাড়ানোর প্রক্রিয়া চলছে। ওই সময় বহিরাগমন ও পাসপোর্ট অধিদপ্তরের ইন্ট্রোডিউসিং অব মেশিন রিডেবল পাসপোর্ট অ্যান্ড মেশিন রিডেবল ভিসা ইন বাংলাদেশ’ প্রকল্প থেকে ফি বাড়ানোর একটি প্রস্তাব স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়। ওই প্রস্তাবে প্রথম অবস্থায় রি-ইস্যু (পুনরায় জারিকৃত) পাসপোর্টের ফি বাড়ানোর কথা বলা হয়। এরপর ধাপে ধাপে সাধারণ ও জরুরি এমআরপি’র ফি বাড়ানোর কথা বলা হয়। এনিয়ে কয়েকটি বৈঠকও অনুষ্ঠিত হয়। তবে প্রস্তাব চালাচালির তিন বছর পর সিদ্ধান্ত হয়েছে। এদিকে সংযুক্ত আরব আমিরাতসহ উপসাগরীয় দেশগুলোতে বাংলাদেশী কর্মীদের চাকরির ধারাবাহিকতা রক্ষার জন্য অবিলম্বে বাংলাদেশের পাসপোর্টের মেয়াদ ১০ বছর করার সুপারিশ করে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিবের কাছে একটি আধা সরকারি পত্র (ডিও লেটার) দিয়েছেন সংযুক্ত আরব আমিরাতে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাসের রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ ইমরান। ডিও লেটারে তিনি বলেছেন, প্রবাসে অবস্থানরত ও বিদেশে গমনেচ্ছু সকল বাংলাদেশী নাগরিকদের আন্তর্জাতিক বেসামরিক বিমান চলাচল সংস্থার বিধান অনুযায়ী এ বছরের ২৪শে নভেম্বরের মধ্যে যন্ত্রে পাঠযোগ্য পাসপোর্ট দেয়ার কার্যক্রম চলছে। বর্তমানে ইস্যুকৃত এসব এমআরপি বুকলেট-এর মেয়াদ পাঁচ বছর। আগে হাতে লেখা পাসপোর্ট বিদেশস্থ বাংলাদেশ দূতাবাস থেকে পাঁচ বছর মেয়াদ শেষে আরও পাঁচ বছরের জন্য নবায়নের সুযোগ ছিল। কিন্তু বর্তমানে এমআরপি বুকলেট শুধুমাত্র ঢাকাস্থ সদর দপ্তর থেকে ছাপা হয় এবং পাসপোর্ট ও বহিরাগমন অধিদপ্তর থেকে এমআরপি বুকলেট তৈরি হয়ে কূটনৈতিক ব্যাগযোগে দূতাবাসে আসতে কমপক্ষে ছয় থেকে আট সপ্তাহ সময় লাগে। এমআরপি বুকলেটটি অ্যাকটিভ করে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা সই বা সিল দিয়ে বিতরণের জন্য প্রস্তুত করতে আরও ৮/১০ দিন সময়ের প্রয়োজন হয়। অন্যদিকে যে কোন দেশে ভিসা প্রদান/নবায়নের জন্য পাসপোর্টের মেয়াদ কমপক্ষে ছয় মাস থাকতে হয়। তাই পাসপোর্টটি সাড়ে চার বছরের আগেই নবায়নের প্রয়োজন হয়। ঢাকাস্থ সদর দপ্তর থেকে ছাপা হয়ে আসায় সময় ও অন্যান্য বিষয়াদি বিবেচনায় নিলে প্রকৃতপক্ষে একটি বাংলাদেশী পাসপোর্টের কার্যকরী মেয়াদ কমবেশি চার বছর বলে গণ্য করা যায়। ডিও লেটারে বলা হয়েছে, বর্তমানে প্রায় ৮/৯ লাখ বাংলাদেশী নাগরিক সংযুক্ত আরব আমিরাতে কর্মরত আছেন। গত প্রায় আড়াই বছর ধরে সংযুক্ত আরব আমিরাতে ভিসা বন্ধ রয়েছে। ভিসা নবায়ন চালু থাকলেও কর্মী/পেশাজীবীদেরকে তাদের চাকরি নবায়নের ক্ষেত্রে বিভিন্ন বিদেশী কর্মীদের সঙ্গে প্রতিযোগিতা করতে হয়। দীর্ঘমেয়াদি ভিসা প্রদানের ক্ষেত্রে বাংলাদেশী পাসপোর্টের এই সীমিত মেয়াদ একটি অন্তরায় এবং এতে অনেক পেশাজীবী ও শ্রমজীবী কর্মীরা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। পাসপোর্টের মেয়াদ কম থাকায় অনেকেই চাকরি ক্ষেত্রে অন্য দেশের কর্মীদের থেকে পিছিয়ে পড়ছেন। এসব বিষয় দূতাবাসের নজরে এনে প্রবাসী বাংলাদেশীরা দীর্ঘমেয়াদি চাকরি বা কর্মী ভিসা নবায়নের ক্ষেত্রে অসুবিধার সম্মুখীন হচ্ছেন বলে জানিয়েছেন। অনেকে চাকরির ধারাবাহিকতা না থাকার ও চাকরিচ্যুতির আশঙ্কা প্রকাশ করে অবিলম্বে বাংলাদেশী পাসপোর্টের মেয়াদ কমপক্ষে দশ বছর করার জন্য অনুরোধ জানাচ্ছেন। ডিও লেটারের সর্বশেষ প্যারায় বলা হয়েছে, দূতাবাস খোঁজ নিয়ে জানতে পেরেছে বর্তমানে প্রতিবেশী উপমহাদেশীয় রাষ্ট্রগুলোর অধিকাংশ দেশের পাসপোর্টের মেয়াদ কমপক্ষে ১০ বছর। এমন অবস্থায় সংযুক্ত আরব আমিরাতসহ উপসাগরীয় দেশগুলোতে বাংলাদেশী কর্মীদের চাকরির ধারাবাহিকতা রক্ষা করতে বাংলাদেশের পাসপোর্টের মেয়াদ ১০ বছর করার বিষয়টি বিবেচনার জন্য অনুরোধ করছি। এর আগে আন্তর্জাতিক বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের তত্ত্বাবধানে ১৯০টি দেশের মধ্যে সম্পাদিত চুক্তি অনুসারে ২০১১ সালের ১লা এপ্রিল থেকে সব দেশকে স্বয়ংক্রিয় যন্ত্রের মাধ্যমে পাঠযোগ্য পাসপোর্ট ও ভিসার প্রচলন করার সিদ্ধান্ত হয়। সেই চুক্তির শর্তানুসারে বাংলাদেশে ২০১০ সালের ১লা এপ্রিল থেকে এমআরপি পাসপোর্ট চালু হয়। এ প্রকল্পের আওতায় তিন বছরে ৬৬ লাখ পাসপোর্ট ও ১৫ লাখ ভিসা স্টিকার দেয়া হয়েছে। এখন আরও দ্রুতগতিতে এমআরপি দেয়া হচ্ছে।
https://www.facebook.com/pages/National-weeklycrime-diary/639786429398358?ref=hl

ভয়ংকর ইয়াবা একটি জলজ্যান্ত অভিশাপ

ওমর ফারুক রবিন,ক্রাইম ডায়রি,১২/৮/১৫ইং,ঢাকাঃ
 
শুরুটা ১৯১৯ সালে। জাপানিরা ওষুধ হিসেবে ইয়াবা তৈরির পরিকল্পনা করে। মূলত জীবন বাঁচানোর জন্যই তাদের এ আবিস্কার। এর পরবর্তী সময়ে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ চলাকালীন জার্মান প্রেসিডেন্ট এডলফ হিটলার তার মেডিকেল চিফকে আদেশ দিলেন দীর্ঘ সময় ব্যাপি যুদ্ধক্ষেত্রের সেনাদের যাতে ক্লান্তি না আসে এবং উদ্দীপনায় যুদ্ধ চালিয়ে যেতে পারে বা বিমানের পাইলটের নিদ্রাহীনতা, মনকে উৎফুল, চাঙ্গা রাখার জন্য একটা কিছু আবিস্কার করতে। টানা ৫ মাস রসায়নবিদগণ চেষ্টা চালিয়ে মিথাইল অ্যামফিটামিন ও ক্যাফেইনের সংমিশ্রনে তৈরি করলেন ইয়াবা। ব্যাস! হিটলারের উদ্দেশ্য সফল। সেনারা মানসিক শক্তিতে বলিয়ান হল। মিয়ানমারে ওয়া এবং কোকাং নামের আদিবাসী সম্প্রদায় ইয়াবা এর সবচেয়ে বড় উৎপাদনকারী।
পরবর্তী সময়ে অন্যান্য দেশের যুদ্ধ ক্ষেত্রে দেশ মাতৃকার স্বার্থে অনেক সেনা প্রধান ইয়াবা ব্যবহার করেন। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ইয়াবার প্রভাব এত দূত ছড়িয়ে পড়বে ভাবতে পারেনি কেউ। বাংলাদেশের টেকনাফ বর্ডার দিয়ে মাদক হিসেবে ইয়াবা প্রথম প্রবেশ করে ১৯৯৭ সালে। কিন্তু এর আগে ইয়াবার নানা উপাদানকে প্রাণ রক্ষাকারী ওষুধ হিসেবে ব্যবহারের পরামর্শ দিতেন ডাক্তারা। ২০০১ এ বাংলাদেশের অভিজাত এলাকা গুলোতে ইয়াবা তরুণ-তরুণীদের মানিব্যাগে স্থান করে নেয়। এখন এ নেশাদ্রব্য ছড়িয়ে পড়েছে রাজধানীর অলিগলির মধ্যবিত্ত পরিবারের ছেলে-মেয়েদের মাঝেও। নেশা গ্রহণকারীদের তালিকায় স্কুল ও কলেজ পড়ুয়া ছেলে-মেয়ে, ব্যবসায়ী, গ্লামার জগতের বাসিন্দা থেকে শুরু করে গৃহবধূ পর্যন্ত। ইয়াবার নেশার টাকা যোগাড় করতে গিয়ে অনেক ছেলে-মেয়েরা অপরাধের সঙ্গেও জড়িয়ে পড়েছে। ইয়াবা খেলে সাময়িক আনন্দ ও উত্তেজনা, অনিদ্রা, খিটখিটে ভাব ও আগ্রাসী প্রবণতা বা মারা-মারি করার ইচ্ছা, ক্ষুধা কমে যাওয়া ও বমি ভাব, ঘাম, কান-মুখ লাল হয়ে যাওয়া এবং শারীরিক সঙ্গের ইচ্ছা বেড়ে যায়।তবে এ সবই অল্প কয়েক দিনের বিষয়।
বাড়ে হূৎস্পন্দনের গতি, রক্তচাপ, শ্বাস-প্রশ্বাস এবং শরীরের তাপমাত্রা।মস্তিষ্কের সূক্ষ্ম রক্তনালি গুলোর ক্ষতি হতে থাকে এবং কারও কারও এগুলো ছিঁড়ে রক্তক্ষরণ শুরু হয়ে যায়।কিছুদিন পর থেকে ইয়াবা সেবীর হাত-পা কাঁপে, হ্যালুসিনেশন হয়, পাগলামি ভাব দেখা দেয়, প্যারানয়া হয়। হ্যালুসিনেশন হলে রোগী উল্টোপাল্টা দেখে, গায়েবি আওয়াজ শোনে। আর প্যারানয়াতে ভুগলে রোগী ভাবে, অনেকেই তার সঙ্গে শত্রুতা করছে। তারা অনেক সময় মারা-মারি ও সন্ত্রাস করতে পছন্দ করে। কারও কারও শরীরের তাপমাত্রা বেড়ে যায়, খিঁচুনি হয়। খিটখিটে ভাব, অহেতুক রাগা-রাগি, ভাঙচুর, নার্ভাসনেসে ভুগতে থাকে ইয়াবা আসক্ত ব্যক্তিরা। স্ম্বরন শক্তি কমে যায়, সিদ্ধান্তহীনতা শুরু হয় এবং কারও কারও সিজোফ্রেনিয়ার লক্ষণ দেখা দেয়। অনেকে পাগল হয়ে যায়। লেখাপড়ায় খারাপ হয়ে একসময় ডিপ্রেশন বা হতাশাজনিত নানা রকম অপরাধ প্রবণতা, এমনকি আত্মহত্যাও করে থাকে। হার্টের ভেতরে ইনফেকশন হয়ে বা মস্তিষ্কের রক্তনালি ছিঁড়ে অনেকে মারা যায়। অনেকে মরে রাস্তায় দুর্ঘটনায় পতিত হয়ে। কেউ কেউ টানা সাত থেকে ১০ দিন জেগে থাকে, তারপর ড্রাগ ওভার ডোজেও মরে যায়। দীর্ঘ মেয়াদি চিকিৎসা করলে ইয়াবার আসক্তি থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব। তবে শারীরিক ক্ষতি পুরো-পুরি সারানো সম্ভব নাও হতে পারে। তাই আসক্ত ব্যক্তিকে দ্রুত চিকিৎসকের কাছে নিতে হবে| ইয়াবা ট্যাবলেটে আসক্ত শিক্ষিত তরুণ-তরুণীরাই বেশি। তাও তারা সাধারণ কিংবা মধ্যবিত্ত নয়, অভিজাত এলাকার ধনীর দুলাল-দুলালী। পিতা-মাতারা কোটি কোটি টাকার দিকে ছুটছে আর বিলাস বহুল জীবনযাপন করে যাচ্ছেন। কিন্তু তাদের আদরের দুলাল-দুলালীরা বিশ্ববিদ্যালয়ে লেখা-পড়ার ফাঁকে মরণ নেশায় আসক্ত।
পিতা-মাতা একটু সচেতন হলে ইয়াবার মরণ ছোবল হতে তাদের মেধাবী সন্তানদের রক্ষা করা সম্ভব হতো। ইয়াবা একবার সেবন করলে সে আর এটা ছাড়তে পারবে না। সে ইয়াবার পিছনে ছুটতে থাকবে। বিশেষজ্ঞদের মতে ইয়াবা আসক্ত তরুণ-তরুণীরা জীবিত থেকেও মৃত। ইয়াবার বিস্তার রোধ করতে হলে চাই সামগ্রিক প্রতিরোধ।বন্ধ করতে হবে উৎপাদন ও পরিবহন। থাইল্যান্ড ও মিয়ানমার থেকে এর চোরাচালান আটকাতে হবে। পুল ক্লাব, লাউঞ্জ, বার, এন্টারটেইনমেন্ট ক্লাব গুলোতে কড়া নজরদারি রাখতে হবে। এটার ব্যবহার হয়ে থাকে হৈ-হুল্লোড় করা পার্টি প্রেমী তরুণ-তরুণীদের মধ্যে বেশি।
সমাজের সুশীল শ্রেনীর লোকজন সমাজকে ইয়াবা মুক্ত করতে সামাজিক সচেতনতার পাশাপাশি প্রশাসনের সুদৃষ্টি এবং ছাড় না দেয়ার আহবান জানিয়েছেন।

মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট, ২০১৫


জালনোট ও জালনোট তৈরির সঞ্জামাদিসহ গ্রেফতার ২

ক্রাইম ডায়রি ডেস্ক,১১/৮/১৫ইং,আপডেট ৩.০৩ পি এম,ঢাকাঃ
 
রাজধানীর যাত্রাবাড়ী থানার মীর হাজীরবাগ এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে ২ জাল টাকার ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে ডিএমপি’র গোয়েন্দা ও অপরাধতথ্য বিভাগ। সুত্রে জানা গেছে,ডিএমপি’র গোয়েন্দা ও অপরাধতথ্য (দক্ষিণ) বিভাগের সহকারী পুলিশ কমিশনার রুহুল আমিন সাগর এর নেতৃত্বে অভিযানটি পরিচালিত হয়। গ্রেফতারকৃতরা হলেন মোঃ আব্দুর রহিম ও মোঃ বাবু।এ সময় তাদের হেফাজত হতে ৫০ হাজার টাকার জাল নোট, ৩টি প্রিন্টার মেশিন, ৩টি কাঠের তৈরি স্কীন ফ্রেম উদ্ধার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতারকৃতরা জানায়, তারা জাল টাকা তৈরি করে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকার নিরীহ মানুষের মাঝে সরবরাহ করে প্রতারণা করে আসছিল। গ্রেফতারকৃত আসামীদের বিরুদ্ধে একটি মামলা রুজু করা হয়েছে।

https://www.facebook.com/pages/National-weeklycrime-diary/639786429398358?ref=hl

সোমবার, ১০ আগস্ট, ২০১৫

RAB-১০ এর বিশেষ অভিযানঃ

বিভিন্ন হোমিও ল্যাবরটরীজকে জেল জরিমানা!!

 

মোঃওমর ফারুক রবিন,ক্রাইম ডায়রি,১০/৮/১৫ইং,৪.১৩পি এম,ঢাকাঃ
রাজধানী সহ সারা বাংলাদেশে জনগনের অন্যতম বন্ধু র‌্যাব এর বিশেষ অভিযানে সার্বক্ষনিক তটস্থ থাকে অপরাধীরা। র‌্যাব এর বিভিন্ন ধরনের অভিযানে দেশে অপরাধ অনেকাংশে কমে এসেছে। রাজধানীর যাত্রাবাড়িতে RAB এর র্নিবাহী ম্যাজিস্ট্রেট জনাব সরওয়ার আলম ও RAB-১০ এর এ,এস,পি জনাব, আলি হোসেন এর নের্তৃতে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়। আজ ১০/০৮/২০১৫ইং সোমবার সকাল আনুমানিক ১০ ঘটিকায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে চাঁদনি মাঠ কাজিরগাঁও(হাজী আব্দুস সামাদ রোড) যাত্রাবাড়ি ঢাকা অবস্থিত পদ্মা হোমিও ল্যাবরেটরীজে অভিযান চালিয়ে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে ক্ষতিকারক ঔষধ তৈরির অভিযোগে প্রতিষ্টানটি সিলগালা করার পাশাপাশি জরিমানাও করেন র‌্যাবের ভ্রাম্যমান আদালত।সরেজমিন সুত্রে জানা যায়,প্রতিষ্টানটিতে তৈরিকৃত ঔষধ গুলো মানব দেহের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর ।স্বাস্থ্য অধিদপ্তর এর বিশেষজ্ঞ জনাব,মাহবুবুর রহমান জানান, আমরা বাজার বা মেডিসিন দোকান থেকে যে সব শক্তি বর্ধক ঔষধ যেমন-জিনসেন, আল-ফালা, বাসকসহ সেক্সুয়াল ঔষধ ক্রয় করি তা আমাদের দেশীয় লোকাল প্রতিষ্ঠানগুলোে যে প্রক্রিয়ায় তৈরি করে তা মোটেই স্বাস্থ্য সম্মত নয়। আর এগুলো এমন কিছু উপায়ে তৈরি হয় যা আমাদের মানব দেহের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর।

 অভিযান চলা কালে সরেজমিনে দেখা যায় ,জীবন্ত মৌমাছিকে খোলা হাতে ছেচুনি দিয়ে ছেচে ঔষধ তৈরি হচ্ছে। এছাড়া বাথরুমের ভেতর বিভিন্ন রকম কেমিকেল পাওয়া যায় । এমন অবস্থায় র‌্যাবের র্নিবাহী ম্যাজিস্ট্রেট জনাব সরওয়ার আলম উক্ত কোম্পানিকে দুই লক্ষ টাকা জরিমানা ও দুই বছরের জেল প্রদান করেন। পাশাপাশি যাত্রাবাড়ী সম্রাট কমিউনিটি সেন্টার এর পাশে র্হাব ইউনানি ল্যাবরেটরীজকে অপরিচ্ছন্ন উপায়ে ওষধ তৈরির কারনে এক লক্ষ টাকা জরিমানা করা হয়। ক্রাইম ডায়রি সাথে একান্তে ম্যাজিস্ট্রেট সরওয়ার আলম জানানে,জনস্বার্থে এমন অভিযান অব্যহত থাকবে।

বুধবার, ৫ আগস্ট, ২০১৫


       ফেসবুকে পর্ণো ছবিঃ

আপনার যা করণীয়

ওমর ফারুক রবিন,ক্রাইম ডায়রি,আগষ্ট ৫,২০১৫ইংঃ
ফেসবুক ছাড়া এখন খুব্ কম মানুষই আছে।।এখানে যেমন আছে কিছু খারাপ মানুষ।তেমনি ভালমানুষের সংখ্যাও কম নয়।।ফেসবুক সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম।।এখান থেকে ভাল কিছু শিক্ষা কিংবা ভাল বন্ধুত্বই কাম্য।। যেহেতু, আমাদের দৈনন্দিন জীবনের অন্যতম অনুষঙ্গ ফেসুবক প্রযুক্তি।সুতরাং এই প্রযুক্তির নেশায় আমরা ঘণ্টার পর ঘণ্টা ফেসবুকে থাকি এবং বন্ধুদের সঙ্গে চ্যাট/তথ্য আদান-প্রদান করি। আমাদের ফেসবুকে থাকে হাজার হাজার বন্ধু। আমরা যা স্টাট্যাস দেই তা আমাদের সকল বন্ধু দেখেন। কিন্তু আপনি নিজে কোনো স্টাট্যাসে পর্নো ভিডিও শেয়ার করছেন না, অথচ আপনার একাউন্ট থেকে অটোমেটিক পর্নো ভিডিও শেয়ার হচ্ছে। এতে নিশ্চয়ই আপনি সামাজিক ভাবে মর্যাদাহীন হচ্ছেন কিংবা আপনার ভাল বন্ধুরা তাতে আপনাকে হেয় মনে করছে।
সেক্ষেত্রে আপনি কি করবেন?? এটা এক ধরনের ম্যালওয়ার যা প্রন-ট্রোজান নামে পরিচিত। কারও দেয়া লিংক খারাপ ফেসবুক অ্যাপস ক্লিকে আক্রান্ত হতে পারে আপনার আইডিটি। আক্রান্ত আইডি থেকে সঙ্গে সঙ্গে অটোমেটিক ২০ এর অধিক পর্নো বন্ধুদের টাইমলাইনে ট্যাগ হতে থাকে এবং সমস্ত পিসিতে ম্যালোওয়ার ছড়িয়ে পড়ে।
টাইমলাইনে পর্নো এলে যা করবেন:
১. শক্তিশালী পাসওয়ার্ড না থাকলে তা সহজেই হ্যাক হয়।আর মোবাইল নম্বর দিয়ে কিংবা সহজ অংক ব্যবহার করে কিংবা নাম দিয়ে পাসওয়ার্ড একটা কমন বিষয়। তাই তাড়াতাড়ি আপনার একাউন্টের পাসওয়ার্ড পরিবর্তন করুন।
২. যে সব পর্নো ভিডিও আপনার টাইমলাইনে ইতোমধ্যে শেয়ার হয়েছে সেইগুলি ডিলিট ও রির্পোট করুন।
৩. ভাল এন্টিভাইরাস দিয়ে আপনার পিসিটি স্ক্যান করুন। কিছু কিছু ভাইরাস স্ক্যান করতে ব্যর্থ হয় এবং তা F-Secure scan, Trend Micro scan, ESET scan, Microsoft security software এর যে কোন একটি দিয়ে অনলাইনে সরাসরি স্ক্যান করুন। যদি আপনার ব্রাউজার গুগলক্রোম হয় তবে browser-specific scan স্ক্যান করুন।
৪. আপনার ব্রাউজারের ভার্সন আপডেট করুন।
৫. আপনার একাউন্টের সিকিউরিটি স্ট্রং করে ট্যাগ রিভিউ-এ রাখুন। কেউ যেন কোন কিছু ট্যাগ করলে আপনার রিভিউ ছাড়া যেন টাইমলাইনে প্রদর্শন না হয়। সেজন্য Setting>> Timeline and Tagging Settings>>> Who can add things to my timeline?>>> Review posts that friends tag you in before they appear on your Timeline?>>>Enable করুন।
৬. Suspicious ব্রাউজারের আড-অন রিমুভ করুন।
৭. এর পরেও আবারও পর্ণে শেয়ার হলে ,৭-৮ ঘন্টার জন্য আপনার একাউন্ট ডি-অ্যাক্টিভ করুন।
৮. আপনার একাউন্টে পর্নো শেয়ারের পরিণতির জন্য (দুঃখিত) একটি স্ট্যাটাস দিন। যদি আপনার অ্যাকাউন্ট থেকে কোনও খারাপ পোস্ট চোখে পড়ে বা কোনও লিঙ্ক চোখে পড়ে তা যেন ক্লিক না করেন।
টাইমলাইনে যেন পর্নো না আসে তার জন্য করণীয়:
১. কারও দেয়া লিংকে ক্লিক করবেন না।
২. ফেসবুকে ছড়ানো খারাপ ভিডিওতে ক্লিক বা শেয়ার করবেন না ।
৩. ট্যাগ রিভিউ-এ রাখুন। কেউ যেন কোন কিছু ট্যাগ করলে আপনার রিভিউ ছাড়া যেন টাইমলাইনে প্রদর্শন না হয়। সেজন্য Setting>> Timeline and Tagging Settings>>> Who can add things to my timeline?>>> Review posts that friends tag you in before they appear on your Timeline? >>>Enable করুন।
৪. খারাপ ফেসবুক অ্যাপ বা গেইমস এ ক্লিক করবেন না। সন্দেহজনক অ্যাপ ডিলিট করুন।
আপনি ফেসবুকে নিরাপদ থাকুন। আপনার ফেসবুকেএকাউন্ট থেকে কোন অবস্থাতেই জঙ্গী কার্যক্রম কিংবা উস্কানি মুলক পোষ্ট কিংবা কোন খারাপ ছবি লাইক কিংবা কমেন্ট কিংবা শেয়ার করবেন না। কিংবা এগুলো যারা প্রচার করে এমন বন্ধুদের আনফ্রেন্ড করুন।।


https://www.facebook.com/pages/National-weeklycrime-diary/639786429398358?ref=hl

মঙ্গলবার, ৪ আগস্ট, ২০১৫

                     শরীরে হাওয়া প্রবেশ করিয়ে,উল্লাস করে শিশু হত্যাঃ

                                                            মানবিকতার চরম নজীর

ক্রাইম ডায়রি খুলনা প্রতিনিধি,৫/৮/১৫ ইংঃ
 বন্দরনগরী খুলনায় শিশু রাকিবকে পায়ুপথে কমপ্রেসার মেশিন বসিয়ে বাতাস দিয়ে শিশু হত্যার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ সময় নির্যাতনকারীরা উল্লাস করে । শিশুটির চিৎকারে আকাশ বাতাস কাঁদলেও তার চিৎকারে মন গলেনি মানুষরুপি এইসব নরপিচাশদের। কেউ আসেনি তাকে উদ্ধার করতে। তবে শিশু রাকিবের বন্ধু প্রত্যক্ষদর্শী নাবিল (১০) তার বাড়িতে নির্যাতনের খবর পৌঁছে দিয়ে রেখেছে বন্ধুত্বের মর্যাদা। ছোট্ট শিশু নাবিল যখন তারই চোখের সামনে বন্ধুকেনির্যাতনের ঘটনা সহ্য করতে না পেরে ছুটোছুটি করছে তখন একদল নরপিচাশ তা দেখে উল্লাস ও ঠাঠ্টা করছিল। ঘটনার খানিকটা বর্ণনা দিয়ে নাবিল বলে, ‘রাকিবকে নির্যাতনের সময় সে চিৎকার দিয়ে কাঁদছিল। কান্না শুনে মনে হয়েছে রাকিবকে নির্যাতন করা হচ্ছে। পরে দেখি কমপ্রেসার মেশিন দিয়ে তার পেটের ভেতরে বাতাস ঢুকানো হচ্ছে। সে আরো চিৎকার করছে। বাচাঁর জন্য আকুতি করে বলছে, ‘মামা আর দিয়েন না, আমি মরে যাবো। এক পর্যায়ে রাকিব বমি করতে থাকে। এরপর কিছু সময় মেশিন দিয়ে বাতাস দেয়া বন্ধ করে তারা। এরপর আবারো উল্লাস করতে করতে রাকিবকে চেপে ধরে তারা বাতাস ঢুকাতে থাকে। এ দেখে আমি ভয় পেয়ে যাই। আর সামনে না গিয়ে রাকিবের বাড়িতে গিয়ে ঘটনা জানাই।’

 সোমবার বিকেলে নগরীর টুটপাড়া কবরখানা সংলগ্ন শরীফের গ্যারেজের সামনে দিয়ে রঙ কিনতে যাওয়ার সময় রাকিবকে ডেকে নেয় গ্যারেজ মালিক শরীফ। এরপরে সহযোগী মিন্টু মিয়াসহ ৪/৫ জন মিলে তাকে টেনে-হিঁচড়ে গ্যারেজের ভেতরে নিয়ে যায় তারা। এক পর্যায়ে রাকিবের পায়ুপথে কমপ্রেসার মেশিন বসিয়ে পেটে বাতাস ঢুকিয়ে উল্লাস করতে থাকে। এসময় মৃত্যুর যন্ত্রণায় চিৎকার করতে থাকে সে। শিশু রাকিবের আর্তচিৎকার শুনতে পেয়ে গ্যারেজের সামনে খানজাহান আলী সড়ক দিয়ে হেঁটে যাওয়ার সময় থমকে দাঁড়ায় একই এলাকার খেলার সাথী চতুর্থ শ্রেণির ছাত্র প্রতিবেশী নাবিল। ক্ষুধা ও দারিদ্রতার কারণে বছর দেড়েক আগে চতুর্থ শ্রেণিতে পড়া অবস্থায় একমাত্র ছেলে শিশু রাকিবকে টুটপাড়া কবরস্থানের পাশে শরীফ মটরস গ্যারেজে কাজে দেন হতদরিদ্র নূর আলম হাওলাদার। গ্যারেজে কাজ করা অবস্থায় প্রায়ই মারধর করত গ্যারেজে মালিক ও তার লোকজন। কিছুদিন আগে শিশু রাকিব গ্যারেজ মালিকের গালমন্দ ও কথায় কথায় মারপিটের কারণে ওই গ্যারেজ ছেড়ে খুলনার পিটিআই মোড়ে নাসিরের গ্যারেজে কাজ নেয়। এতে ক্ষুব্ধ হয় আগের গ্যারেজের মালিক শরীফ। রাকিবের মা লাকি বেগম আহাজারি করে বলেন, ‘নাবিলের কাছ থেকে খবর পেয়ে আমরা গ্যারেজে যাই রাকিবকে খুঁজতে। ওখানে গিয়ে শুনি তাকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হয়েছে। এরপরে হাসপাতালে যাই। হাসপাতালে গিয়ে দেখি রাকিবের কিছু জ্ঞান আছে। আমাকে বললো, ‘মা আমাকে বাঁচাও। মামা আমাকে অনেক নির্যাতন করেছে। আমি বাঁচবো না মা।’ রাকিবদের প্রতিবেশী সুমি বেগম জানান, হাসপাতালে গেলে ডাক্তাররা বলেন রাকিবের শরীরে অস্বাভাবিক পরিমাণ বাতাস প্রবেশ করানোর কারণে তার পেটের নাড়িভুঁড়ি ছিঁড়ে গেছে। ফুসফুসও ফেটে গেছে। এছাড়া তার শরীরের বিভিন্ন অঙ্গ অকেজো হয়ে যাওয়ায় অবস্থার অবনতি দেখে তারা রাকিবকে সেখান থেকে ঢাকায় নিতে বলে। কিন্তু ঢাকা নেয়ার পথে রাকিব মারা যায়। সুমী আরো জানান, রাকিবের মৃত্যুর পরও তার নাক-মুখ দিয়ে প্রচণ্ড রক্তক্ষরণ হয়েছে। শিশু শরীর হলেও ফুলে ফেপে প্রাপ্তবয়স্কদের মতো মোটা হয়ে যায় সে। তিনি এ ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের ফাঁসির দাবি জানান। এদিকে, এ ঘটনায় খুলনায় ব্যাপক চাঞ্চলের সৃষ্টি হয়েছে। দফায় দফায় হয়েছে বিক্ষোভ মিছিল, সড়ক অবরোধ। সিলেটের শিশু রাজন হত্যার রেশ না কাটতেই খুলনায় ১২ বছরের রাকিবকে নির্মম নির্যাতন চালিয়ে হত্যার ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে বিবৃতি দিয়েছেন ভিকটিম সাপোর্ট এন্ড হি উম্যান রাইটস ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান এ্যাড. চিত্তরঞ্জন তালুকদার,নির্বাহী পরিচালক হেলাল উদ্দিন ও পরিচালক প্রশাসন আতিকুল্লাহ আরেফিন রাসেল,বাংলাদেশ হিউম্যান রাইটস ফাউন্ডেশনের চেয়ারপারসন অ্যাডভোকেট এলিনা খান, খুলনা মহানগর শাখার সভাপতি মো. খবিরুজ্জামান, জেলা শাখার সভাপতি অ্যাডভোকেট স ম বাবর আলী, মহানগর শাখার সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট ফরিদ আহমেদ, জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক সাংবাদিক মিজানুর রহমান মিলটন প্রমুখ। প্রদত্ত বিবৃতিতে নেতারা দ্রুত সময়ের মধ্যে ঘটনার দোষী ও দর্শকদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান। খুলনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সুকুমার বিশ্বাস জানান, মধ্যযুগীয় কায়দায় নির্যাতন চালিয়ে শিশু রাকিবকে হত্যার ঘটনায় মঙ্গলবার সকালে মামলা দায়ের হয়েছে। রাকিবের বাবা নুরুল আলম হাওলাদার তিনজনকে আসামি করে খুলনা সদর থানায় এ মামলা করেন। আসামিরা হলেন, গ্যারেজ মালিক শরীফ (৩৫), সহযোগি মিন্টু মিয়া (৪০), ও শরীফের মা বিউটি বেগম (৫৫)। এর মধ্যে শরীফ ও মিন্টু মিয়াকে আটক করা হয়েছে।
ওসি আরো জানান, খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রাকিবের লাশের ময়নতদন্ত শেষে বিকেলে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।


https://www.facebook.com/pages/National-weeklycrime-diary/639786429398358?ref=hl

সোমবার, ২৯ জুন, ২০১৫


                                            রংপুরে পিবি আইয়ের কার্যক্রম শুরু
বিশেষ প্রতিনিধি,ক্রাইম ডায়রি, আপডেট ২৯.৬.১৫,৫.২৪ পি এমঃ
পুলিশের বিশেষায়িত শাখা হলো পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। সদ্য এই বিশেষায়িত শাখার কার্যক্রম শুরু করেছে রংপুর জেলা পুলিশ! রংপুর আদালত সুত্রে জানা গেছে ইতোমধ্যে তারা বেশ কিছু মামলার তদন্তও শুরু করেছে। যুক্তরাষ্ট্রের এফবিআই এর আদলে গড়া বিশেষায়িত তদন্ত সংস্থা পিবিআই। কার্যক্রম শুরুর পরও এরা সুনির্দিষ্টভাবে কোন কার্যক্রম চালাতে পারছেনা শুধু সুনির্দিষ্ট নীতিমালার জন্য। খুন,ডাকাতি ও খুনসহ ডাকাতি,ধর্ষণ, অস্ত্র মামলা,বিস্ফোরক দ্রব্য সংক্রান্ত মামলা,সাইবার ক্রাইম,মানব পাচার,চোরাচালান ও কালোবাজারি,
অপহরণ,মুক্তিপণ ও মাদকদ্রব্য সংক্রান্ত অপরাধ এর মামলায় সঠিক তদন্ত করবে এই সংস্থাটি। নীতিমালা বাস্তবায়ন হলে আদালতের নির্দেশ ছাড়াই পিবিআই সরাসরি এই ১০টি বিশেষ ধরনের মামলার তদন্ত করতে পারবে বলে জানা গেছে। যে কোন ব্যাক্তি প্রতিষ্ঠান উল্লেখিত যে কোন ধরনের মামলা পিবিআই কে দিয়ে তদন্ত করানোর জন্য আদালতের কাছে আবেদন করতে পারবেন। নতুন এই ইউনিটটি সকল মহলের আশা পুরন করতে পারে বলে মনে করে সুধীমহল। তারা মনে করেন ক্ষমতা পেলে অমিমাংসিত অনেক মামলার সঠিক তদন্ত হলে থলের বেড়াল বের হয়ে আসবে। সেই সাথে প্রত্যাশা পুরন হবে সাধারন জনগনের। নির্যাতিত নিপিড়ীত জনতা কিছুটা হলেও স্বস্থি পাওয়া শুরু করলেও এখনও হতাশায় আছে এই সংস্থাটি। সরকারের সুনজর,পৃষ্ঠপোষকতা ও ক্ষমতায়ন হলে সঠিক মামলা তদন্ত করে পিবিআই সবার আস্থার প্রতীকে পরিণত হতে পারে বলে অভিজ্ঞ মহল মনে করেন।


https://www.facebook.com/pages/National-weeklycrime-diary/639786429398358?ref=hl
             ক্রাইম ডায়রির বার্তা সম্পাদককে প্রাণনাশের হুমকি
ওমর ফারুক রবিন,চিফ রিপোর্টার,ক্রাইম ডায়রি,২৮.৬.১৫,৫.১৪ পি এম ঃ
ক্রাইম ডায়রি বার্তা সম্পাদককে প্রাণনাশের হুমকি প্রদান করা হয়েছে। আজ ২৮/৬/১৫ইং তারিখ বেলা ৩ ঘটিকায় গাজীপুরের কোনবাড়ি এলাকার ক্রাইম ডায়রি বার্তা সম্পাদকের পুর্ব পরিচিত এক ব্যক্তি০১৯৫৬৮১৯৩৯৩ মোবাইল নং থেকে পারিবারিক বিষয়ের জের ধরে রাজধানী হতে বের করে দেয়া ও প্রাণনাশের হুমকি প্রদান করেছে। উল্লেখ্য ক্রাইম ডায়রি বার্তা সম্পাদক এর ছোট বোন গাজীপুর চৌরাস্তাস্থ একটি গার্মেন্ট ফ্যাক্টরি এ্যাডমিন সেকশনে কর্মরত। গাজীপুর কোনাবাড়িতে তার ছোটবোন বাসা নিয়ে থাকত। কিন্তু নেশাখোর ও চরিত্রহীন স্বামী নির্মম নির্যাতন করে বাসা থেকে বের করে দিলে সে ঢাকা তার ভাই ক্রাইম ডায়রির বার্তা সম্পাদকের বাসায় এসে ওঠেন। তখন থেকেই তার বোনের স্বামী একটি চক্রের সাহায্যে ও ঢাকায় অবস্থানরত তার বড় ভাইয়ের সহযোগীতায় তার বোনকে রাস্তায় শ্লীলতাহানি ও মারধরের চেষ্টা করে আসছে এবং ফোনে তার কর্মস্থলে গিয়ে সমস্যা সৃষ্টি ও প্রাণে মেরে ফেলার হুমকি দিয়ে আসছে। তার বোনের ভাষ্য অনুযায়ী খারাপ মেয়েদের নিয়ে ঘরে এসে খারাপ কাজ করতে এবং মদ্যপানে বাঁধা দেয়ায় সে তাকে মারধর করে এবং ঘর হতে বের করে দেয়। তার নামে এলাকায় একাধিক বার নারীবিষয়ক বিচারশালিস হয়েছে বলে এলাকার কমিশনার সুত্রে জানা গেছে। গণভবনে চাকরি করে বাবুল নামের একজন লোক ফোন করে ও তার বোনের মোবাইলে মেসেজ করে এক লক্ষ টৃাকা না দিলে পত্রিকায় খারাপ ছবি দিয়ে সামাজিক মর্যাদা নষ্ট করার হুমকি দেয়। বিভিন্ন লোকের সহযোগীতায় মাঝে মাঝেই রাতবিরাতে ফোন দিয়ে হুমকি ধামকি ও কর্মস্থলে ঝামেলা সৃষ্টির ভয় দেখায়। এমতাবস্থায় ক্রাইম ডায়রির বার্তা সম্পাদক ফোনে ছেলের বড় ভাইকে জানালে তিনিও একই ভাষায় কথা বলার চেষ্টা করেন। এতে বোঝা যায় এই হুমকি র পিছনে তার হাত রয়েছে।।এতে জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা,দৈনিক কালের ছবি,দৈনিক দেশকাল ,ভিকটিম সাপোর্ট এন্ড হিউম্যান রাইটস ফাউন্ডেশন ও ক্রাইম ডায়রি পরিবার ক্ষোভ প্রকাশ করেছে। বিষয়টি নিয়ে ক্রাইম ডায়রির বার্তা সম্পাদক থানায় জিডি করার প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলে জানিয়েছেন।

https://www.facebook.com/pages/National-weeklycrime-diary/639786429398358?ref=hl



                                        কি লাচ্ছা সেমাই খাচ্ছি আমরা
ক্রাইম ডায়রি, কাহালু প্রতিনিধি,২৮.৬.১৫ আপডেট,৪.৪৫ পি এমঃ
ঈদ আসলেই লাচ্ছা ও সেমাই খাবার ব্যস্ততায় অস্থির হয়ে যায় আমরা। কিন্তু কি খাচ্ছি কোন খোঁজ রাখি কি??? সম্প্রতি প্রথম আলোর অনুসন্ধানে দেখা গেল, বগুড়ার কাহালু উপজেলার শেখাহার এলাকায় একটি মুরগির শেডে তৈরি করা হচ্ছে লাচ্ছা সেমাই।বসতবাড়ি ঘেঁষে মুরগির খামার। খামারের ভেতরে পা দিতেই নাকে ভেসে এল উৎকট গন্ধ। শেডের ওপরে ঝুলছে মুরগির পানি খাওয়ানোর প্লাস্টিকের পাত্র। তবে শেডে এখন মুরগি নেই। এক মাসের জন্য শেডে মুরগি তোলা বন্ধ করে তৈরি করা হচ্ছে লাচ্ছা সেমাই।
ঈদ বাজারকে সামনে রেখে বগুড়ার কাহালু উপজেলার শেখাহার বাজারে অস্থায়ীভাবে গড়ে ওঠা এ কারখানায় গত বৃহস্পতিবার গিয়ে দেখা গেল, শ্রমিকদের কেউ মেঝেতে ময়দা ঢেলে পা দিয়ে খামির তৈরি করছেন, কেউ খালি গায়ে ডালডার বল তৈরি করছেন, কেউ রিং করছেন। সবার গা থেকে টপটপ করে ঘাম বেয়ে পড়ছে। কারখানার মালিক আবু সাঈদ।
আবু সাঈদ বলেন, এক মাসের ব্যবসা। এ জন্য শেডে মুরগি তোলা বাদ দিয়ে লাচ্ছা তৈরি করছেন। এবার ময়দা, পামওয়েল ও ডালডার দাম বাড়লেও লাচ্ছার বাজার মন্দা। গতবার প্রতি মণ লাচ্ছা দুই হাজার থেকে দুই হাজার দুই শ টাকা দরে বিক্রি হলেও এবার সর্বোচ্চ এক হাজার আট শ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।
পাশের সেকেন্দার আলীর কারখানায় গিয়ে দেখা গেল, বিশাল কারখানায় একপাশে চলছে খামির তৈরির কাজ। পাঁচ থেকে ছয়জন শ্রমিক পা দিয়ে খামির তৈরি করছেন। গা থেকে ঘাম গড়িয়ে পড়ছে খামিরের ওপর। পাশেই তৈরি করে রাখা খামিরে মাছি বসেছে। এখানে খামির তৈরিতে ব্যবহার হচ্ছে পান করার অযোগ্য পানি।
সেকেন্দার আলী বলেন, কারখানায় ৩০ জন শ্রমিক কাজ করছেন। প্রতিদিন গড়ে ৫০ মণ লাচ্ছা তৈরি হচ্ছে। ৭৫ কেজি ময়দার লাচ্ছা তৈরি ও খামির করার জন্য মজুরি দিতে হচ্ছে ৪৫০ টাকা। গত বছর ছিল ৪৩০ টাকা। হাত দিয়ে খামির করতে গেলে খরচ বেড়ে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে উৎপাদনও কমে যাবে। তাতে বাজার ধরা সম্ভব হবে না।
ওই দুই কারখানার মতোই চিত্র দেখা যায় শেখাহার বাজারের ১৬টি কারখানার। এখানকার অর্ধশতাধিক কারখানার মধ্যে মাত্র দুটির অনুমোদন রয়েছে বিএসটিআইয়ের।
বিএসটিআই বগুড়া কার্যালয়ের মাঠ কর্মকর্তা দেবব্রত বিশ্বাস বলেন, বগুড়া জেলায় ৫৬টি লাচ্ছা কারখানার অনুমোদন রয়েছে। এর মধ্যে শেখাহারেরও দুটি কারখানা আছে। তবে লাচ্ছা তৈরির নামে শেখাহারে কয়েক বছর যা হচ্ছে, তা মেনে নেওয়া যায় না। গত বছর অভিযান চালানো হয়েছিল। এবার দুটি কারখানার অনুমোদন বাতিলসহ অভিযান চালিয়ে সব কারখানা বন্ধ করে দেওয়ার উদ্যোগ নিচ্ছে বিএসটিআই।
চলছে ময়দার খামির বানানোর কাজকয়েকটি কারখানার মালিকেরা জানান, ২৫ বছর আগে এই বাজারে মনির হোসেন ও আবু বক্করসহ কয়েকজন লাচ্ছা তৈরি করে পাইকারি বাজারে সরবরাহ শুরু করেন। তাঁদের হাত ধরে এখানকার লাচ্ছার বাজার ছড়িয়ে পড়ে গোটা দেশে। অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে লাচ্ছা তৈরির সুযোগ নিয়ে কারখানার মালিকদের ঘুষ দিতে হয় বিভিন্ন সরকারি দপ্তরে।
সেকেন্দার আলীর কারখানায় পা দিয়ে ময়দা খামির করছিলেন বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলার চাউলিয়াপাড় গ্রামের শ্রমিক মেহেদী হাসান। তিনি বলেন, তিনি মূলত কৃষিকাজ করেন। রোজার এক মাস এখানকার লাচ্ছার কারখানায় কাজ করতে আসেন। সাড়ে ৩৭ কেজি ওজনের এক বস্তা ময়দার খামির করে পান ৮০ টাকা। দিন শেষে গড়ে ৩০০ টাকা মজুরি মেলে। তিনি আরও বলেন, হাত দিয়ে খামির করলে সময় অনেক লাগে। খরচ বাঁচাতেই কারখানা মালিকেরা পা দিয়ে খামির করিয়ে নিচ্ছেন।
শেকাহার বাজারের ব্যবসায়ী আবদুর রাজ্জাক বলেন, ময়দা থেকে খামির করতে ৩০ হাজার টাকা দিয়ে তিনি মেশিন কিনেছেন। মেশিনে খামির করা লাচ্ছার গুনগত মান ঠিক থাকায় বাজারে এর চাহিদা ও দাম বেশি।
শেখাহার বাজারের লাচ্ছার সবচেয়ে বড় কারখানা সাজ্জাদ হোসেন ও রুবেল হোসেনের। ভাই ভাই লাচ্ছা অ্যান্ড ফুড প্রোডাক্টসের সাজ্জাদ হোসেন বলেন, এখানে ছোটবড় প্রায় ৫০টি কারখানায় গড়ে এক হাজার মৌসুমি শ্রমিক কাজ করেন। কেউ পেশাদার কারিগর নন। তিনি আরও বলেন, অপরিকল্পিতভাবে লাচ্ছার কারখানা গড়ে ওঠায় লাচ্ছার গুনগত মান ঠিক রাখা সম্ভব হচ্ছে না। তবে খামির করার যন্ত্র কেনার জন্য সরকার সহজ শর্তে পুঁজি, কারখানা স্থাপনের জন্য জায়গা বরাদ্দ এবং গ্যাস সংযোগের দিকে নজর দিলে শেখাহারের লাচ্ছার বাজার বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে দেওয়া সম্ভব।
কক্সবাজার থেকে লাচ্ছা কিনতে আসা পাইকার জালাল উদ্দিন জানান, কয়েক বছর ধরে তিনি এখান থেকে লাচ্ছা কিনে বিভিন্ন শহরে সরবরাহ করছেন। এবার ৩০ মেট্রিক টন লাচ্ছা কিনে পাঠিয়েছেন। আরও ৫০ টন লাচ্ছা কিনবেন। তিনি বলেন, মান নিয়ন্ত্রণ নিশ্চিত করতে পারলে বগুড়ার লাচ্ছা বিদেশে ছড়িয়ে দেওয়া সম্ভব।
বগুড়ার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. খোরশেদ আলম প্রথম আলোকে বলেন, অস্বাস্থ্যকর ও নোংরা পরিবেশে লাচ্ছা উৎপাদন কোনোভাবেই চলতে দেওয়া হবে না। শেখাহারের লাচ্ছা কারখানাগুলোতে ভেজালবিরোধী টাস্কফোর্সের অভিযান চালানো হবে। এই চিত্র কি শুধু বগুড়ার? দেশের বিভিন্ন স্থানে একই কায়দায় তৈরি হচ্ছে লাচ্ছা সেমাই। পদ্ধতি একই।। সাধারন মানুষের দাবী স্বাস্থ্যের জন্য হুমকি স্বরুপ এমন ভাবে তৈরি লাচ্ছা ও সেমাই তৈরি দ্রুত বন্ধে আইনপ্রয়োগ কারী সংস্থা কার্যকরী পদক্ষেপ নিবেন।
সম্পাদিত
https://www.facebook.com/pages/National-weeklycrime-diary/639786429398358?ref=hl

মঙ্গলবার, ২৩ জুন, ২০১৫

                       জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার ইফতার মাহফিল ও আলোচনা সভা ঃ
                                       সকল সদস্যদের উপস্থিত থাকার আহবান

শাহাদাত হোসেন রিটন,অর্থসচিব ঃ
জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার ইফতার মাহফিলপুর্ব আলোচনা সভায় আগামী শুক্রবার ৮ই রমজান ১৪২২ মোতাবেক ২৬শে জুন ২০১৫ বিকাল ৫টায় ইফতার মাহফিল ও আলোচনা সভার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। সভায় ঢাকার ২২/১ তোপখানা রোডস্থ বাংলাদেশ শিশু কল্যাণ পরিষদ মিলনায়তনে পবিত্র মাহে রমজান ও সমাজ চেতনা শীর্ষক আলোচনা সভা এবং ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হবে। জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার চেয়ারম্যান মুহম্মদ আলতাফ হোসেন জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার সদস্য ও শুভাকাংখীদের যথাসময়ে উপস্থিত থাকার অনুরোধ করেছেন।

https://www.facebook.com/pages/National-weeklycrime-diary/639786429398358?ref=hl

                                                               পাহাড়ে অত্যাধুনিক অস্ত্র উদ্ধারঃ                                                              সামরিক প্রশিক্ষনপ্রাপ্ত জঙ্গি গ্রেফতার
ক্রাইম ডায়রি ডেস্ক রিপোর্ট,আপডেট ২৩/৬/১৫,১০ এ এম,ঢাকাঃ
আধুনিক প্রশিক্ষনপ্রাপ্ত বেশ কিছু জঙ্গি বাঁশখালির সাধনপুর লটকন পাহাড়ে অবস্থান করছে এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালায় র‌্যাব-৭। চট্টগ্রামের বাশঁখালীর সাধনপুর লটকন পাহাড়ে ‌জঙ্গি সামরিক প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে প্রধান অস্ত্র সরবরাহকারীসহ চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব-৭)। এ সময় তাদের কাছ থেকে উদ্ধার করা হয় অত্যাধুনিক একে-২২ এ্যাসল্ট রাইফেল, পাঁচটি বিদেশী পিস্তল ও বিপুল পরিমাণ গুলি।
র‌্যাব-৭ এর সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) সোহেল মাহমুদ জানান, রবিবার রাত ১০টা থেকে নগরীর বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
গত ২২ ফেব্রুয়ারি চট্টগ্রাম-বাঁশখালী মহাসড়কের আড়াই কিলোমিটার দূরে গভীর জঙ্গলে সাধনপুর লটকন পাহাড় এলাকায় ‘জঙ্গি সামরিক প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের সন্ধান পায় র‌্যাব-৭।
প্রশিক্ষণ কেন্দ্র থেকে উদ্ধার করা আলামত থেকে ধারণা করা হচ্ছে, এখানে বিমান ছিনতাইয়ের কৌশল, গেরিলাযুদ্ধ, শারীরিক ও সামরিক প্রশিক্ষণ দেওয়া হতো। সেখানে কয়েকটি ফায়ারিং রেঞ্জ ও বাংকার তৈরি করা হয়েছিল। ওই অভিযানে বিপুল পরিমাণ বিদেশী অস্ত্র ও প্রশিক্ষণসামগ্রীসহ পাঁচজনকে গ্রেফতার করে র‌্যাব-৭।


https://www.facebook.com/pages/National-weeklycrime-diary/639786429398358?ref=hl



                                       পড়াশোনা না করেও হাতের নাগালে শিক্ষাসনদ ঃ
                                          জাল সার্টিফিকেট ব্যবসায়ীরা আবার ও সক্রিয়
ক্রাইম ডায়রি ডেস্ক রিপোর্ট,২৩/৬/১৫ইং,৩.৫১পি এম ,ঢাকাঃ
সার্টিফিকেট ব্যবসায়ীদের এখন পোয়াবারো অবস্থা।।। যেখানে সেখানে এখন গড়ে উঠেছে এই সার্টিফিকেট ব্যবসা। কি ঢাকা শহর! কি মফস্বঃল!!! সব জায়গায় এখন সক্রিয় সার্টিফিকেট ব্যবসায়ীরা। রাজধাণীর নীলক্ষেত এলাকায় এমন ব্যবসায়ীদের স্বর্গরাজ্য।নির্দিষ্ট লোক,আর নির্দিষ্ট কোড বললেই তৈরি করে দিচ্ছে সার্টিফিকেট।। অচেনা লোক দেখলে মুখটিও খুলবে না কেউ।। ইদানিং প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রকোপ বেড়ে যাওয়ায় এরাও সার্টিফিকেট বিক্রি করছে দেদারছে ঢাকঢোল পিটিয়ে। কিছুদিন আগে গত ১৭ ই মার্চ,২০১৫ সন্ধ্যা ৮.০৫.৩৯ পি এম এ ক্রাইম ডায়রির বার্তা প্রধানের মোবাইলে মেসেজ আসে ০১৭১১১০৫৪৪২ এই নম্বর থেকে।।মেসেজটা ঠিক এই রকম--Need?Pure certificate of SSC/HSC/Degree/Masters.Any certificate of Southern/Gono University=50,000tk.SSC/HSC of Open University=20,000tk with online.-Dr.Sohel. বেশকিছুদিন পর দৈনিক দেশকালের প্রধান সম্পাদক জনাব মতিউর রহমান ভাইয়ের ফোন থেকে ফোন দিলে অপর প্রান্ত থেকে সারা দেন এক সুকন্ঠি মহিলা যিনি নিজেকে পুস্পিতা বলে পরিচয় দেন এবং ড. সোহেলের সাথে কথাও বলিয়ে দেন এবং সার্টিফিকেটের জন্য গুলশান-১ এ অবস্থিত সাউদার্ন ভার্সিটির ক্যাম্পাসে যেতে বলেন। ভিন্ন পরিচয়ে ফোন দিলে একই মহিলা ফোন ধরে একই জায়গায় যেতে বলেন। ভার্সির্টির ক্যাম্পাসে পৌছলে সেখানে প্রথমে রাজী হলেও পরে কথায় সন্দেহ হওয়ায় তারা নিজেদের প্রশাসনের লোক বলে পরিচয় দেন।।ঠিক এমনি ভাবে দারুল ইহসান ভার্সিটির ভিসির পরিচয়ে একদল লোক খোদ রাজধানীর বিভিন্ন জায়গায় সার্টিফিকেট ব্যবসা করে যাচ্ছেন।।মফস্বলের কম্পিউটার ব্যবসায়ীরাও সার্টিফিকেট ব্যবসা করেন বলে আমাদের বিভিন্ন জায়গায় প্রতিনিধিরা জানিয়েছেন। শিক্ষা সনদ প্রয়োজন হয় এদেশে চাকরির ক্ষেত্রে। এখন আবার বিদেশেও যেতে সার্টিফিকেট প্রয়োজন। এই সার্টিফিকেট প্রয়োজনের সময় সোনার হরিণ। কিন্তু সার্টিফিকেট এখন আর সোনার হরিণ নয়, কারণ ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা দিলেই পাওয়া যায় চাহিদা অনুযায়ী মনগড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সার্টিফিকেট। নামী-দামী কলেজ বিশ্ববিদ্যালয় এমনকি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি এবং হস্তশিল্পের সার্টিফিকেটও মেলে টাকায়। এই অবৈধ সার্টিফিকেট ব্যবসার সঙ্গে যারা জড়িত তাদের রয়েছে বিশাল সিন্ডিকেট। এই সিন্ডিকেটের কাজ হলো গ্রাহক যোগাড় করে প্রস্তুতকারক পর্যন্ত পৌঁছে দেয়া। চট্টগ্রামে এমন দুটি সিন্ডিকেটের কয়েক সদস্যকে গ্রেফতারের পর জাল সার্টিফিকেট ব্যবসার টপ টু বটম তথ্য উঠে এসেছে। গ্রেফতারকৃতদের চাঞ্চল্যকর তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চলছে সিন্ডিকেটের বাকি সদস্যদের গ্রেফতারে।
অভিযোগ রয়েছে, আমাদের দেশের আইন একটু ঢিলেঢালা। ফলে অপরাধীর পক্ষে চলে যায় তদন্ত রিপোর্ট। তদন্তকারী কর্মকর্তার রিপোর্ট আইনের বাইরে নয়। ফলে আইন অনুযায়ী প্রতারণা মামলায় অপরাধীদের বিরুদ্ধে তদন্ত রিপোর্ট দেয়া ছাড়া গতি থাকে না পুলিশের। এ ছাড়াও সাক্ষীদের অভাবেই অনেকটা মামলা হাল্কা হয়ে যায়। কারণ যেখানে জাল সার্টিফিকেট তৈরি হয় সেখানে কোন ব্যবসায়ী তার প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে না থাকায় সাক্ষ্য দিতে নারাজ পার্শ্ববর্তী ব্যবসায়ীরা। অপরদিকে, যাদের গ্রেফতার করা হয় তারা পুলিশের আইনের ধারা সম্পর্কে সম্যক জ্ঞান রাখে। এমনকি পুলিশের প্রাথমিক তদন্ত রিপোর্টেই দুর্বল আইনের প্রয়োগের কারণে সহজেই এই মামলায় জামিন পাওয়া যায়। তবে জামিনের পর পরই অপরাধীরা আবারও একই পেশায় ফিরে আসে সিন্ডিকেট তৎপর থাকার কারণে।
এদিকে চট্টগ্রাম মহানগর গোয়েন্দা বিভাগের মুখপাত্র ও এডিসি এসএম তানভীর আরাফাত জানিয়েছেন, আমরা সিন্ডিকেটের সকল সদস্যকে গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রেখেছি। জাল সার্টিফিকেট ব্যবসার সঙ্গে যারা জড়িত তারা সাধারন মানুষের সঙ্গে প্রতারণা করছে। তবে যারা সার্টিফিকেট করে তারাও সমান অপরাধী। ক্রেতার কারনেই বিক্রেতারাও তৈরি করছে। এসব ক্রেতাদেরও খুঁজে বের করার চেষ্টা অব্যাহত আছে।
গোয়েন্দা বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, গত ৯ জুন বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে নিউ মার্কেট এলাকার দোস্ত বিল্ডিংয়ের নিচ তলায় অভিযান চালায় পুলিশ। সেখানে ফটোকপি, রঙিন ফটোকপিসহ কম্পিউটার ড্রাফটিংয়ের ব্যস্ততম পরিসর। কিন্তু এরই আড়ালে চলছে সার্টিফিকেট স্ক্যান করেই জাল সার্টিফিকেট তৈরির রমরমা ব্যবসা। এমন তথ্যের ভিত্তিতেই সেখানে অভিযান চালানো হয়। কপি বাজার নামের একটি দোকান হতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশ পরিদর্শক এনামুল হকের নেতৃত্বে অভিযান চালানো হয়।
সার্টিফিকেট ব্যবসার সঙ্গে জড়িত আনোয়ারার ঝিউরি এলাকার নূর হোসেনের ছেলে আমজাদ হোসেন, ব্রাহ্মণবাড়ীয়ার জয়নগর এলাকার মৃত শহীদ মিয়ার ছেলে মোঃ শাহীন ও সন্দ্বীপের বাউরিয়া এলাকার মৃত ইদ্রিস আলমের ছেলে শামসুদ্দীন সেলিমকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারের পর তারা নিজেদের অপরাধের কথা স্বীকার করেছে পুলিশের কাছে। তাদের কাছ থেকে উদ্ধার করা হয়েছে জাল সার্টিফিকেট ও জাল সার্টিফিকেট তৈরির কম্পিউটার সরঞ্জামাদি।
আরও জানা গেছে, গত ১৫ মে জাহাজে চাকরির বিভিন্ন জাল সনদ ও বিভিন্ন জাল কাগজপত্র সিলসহ আসামি নোয়াখালীর কবিরহাট এলাকার অমরপুর গ্রামের মৃত নূরুল ইসলামের ছেলে দ্বীন মোহাম্মদ, চাঁদপুরের আখনবাড়ী এলাকার মৃত আব্দুর রবের ছেলে মোঃ মহসিন ও সিরাজগঞ্জের কাজীপুর কুরাকান্দির মৃত আলতাফ তালুকদারের ছেলে আলম তালুকদারকে গ্রেফতার করা হয়। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পরিদর্শক সৈয়দ আহসানুল ইসলামের নেতৃত্বে একটি অভিযান চালানো হয়। আগ্রাবাদের ক্লিপটন প্লাজা এলাকা হতে আসামি দ্বীন মোহাম্মদকে গ্রেফতার করা হয়। তার কাছ থেকে ১টি নেভী ব্লু রঙের ধারাবাহিক ডিসচার্জ সনদ বই উদ্ধার করা হয়।
তার তথ্য মতে জাইল্যাপাড়ার তার বাসা হতে ৯৩টি ধারাবাহিক ডিসচার্জ সার্টিফিকেট (সিডিসি) প্রকাশ নলি, ৭১টি সার্টিফিকেট অব কম্পোন্টেসি বই, ৭টি সার্টিফিকেট অব প্রফিসিয়েন্সি সনদ, বিভিন্ন নামে ইস্যুকৃত সনদ, ১৫০টি বিভিন্ন ডিজাইনের সীলমোহর উদ্ধার ও জব্দ করা হয়। অপরদিকে আসামি মোঃ মহসিনের বাসা হতে ১টি ধারাবাহিক ডিসচার্জ সার্টিফিকেট (সিডিসি) প্রকাশ নলি উদ্ধার ও জব্দ করা হয়। তাদের দেয়া তথ্য মতে তাদের অপর সহযোগী আলম তালুকদারকে আন্দরকিল্লা হতে গ্রেফতার করা হয়। এভাবেই চলছে জাল সার্টিফিকেট ব্যবসা। রাজধানীর নীলক্ষেতেও অহরহ পাওয়া যায় এমন সার্টিফিকেট । এছাড়া মতিঝিল অফিস পাড়া ও বায়তুল মোকাররম এলাকায় একাধিক বার এমন সার্টিফিকেট ব্যবসায়ীরা ধরা পড়লেও ছাড়া পেয়ে তারা একই কাজ করে যাচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।।
সম্পাদিত-------------

https://www.facebook.com/pages/National-weeklycrime-diary/639786429398358?ref=hl

রবিবার, ২১ জুন, ২০১৫



                                   ভেজাল ও নকল রোধে ক্রেতা ভোক্তা ফাউন্ডেশন সক্রিয় ঃ
                                              ঔষধ প্রশাসনের সাথে বিশেষ মতবিনিময়
ক্রাইম ডায়রি ডেস্ক রিপোর্টঃ
ভেজাল নকল পণ্য ঔষুধ, প্রসাধনীসহ বহুমাত্রিক প্রতারণায় জনজীবন অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে। বিশেষ করে জীবন রক্ষাকারি ঔষুধে ভেজাল এবং স্বাস্থ্য খাতে নানা অনিয়ম প্রতিটি নাগরিকের জন্য উৎকন্ঠার কারণ হয়ে উঠেছে। এ পরিস্থিতিতে করণীয় বিষয়ে বাংলাদেশ ঔষুধ প্রশাসনের সাথে বাংলাদেশ ক্রেতা ভোক্তা ফাউন্ডেশনের উচ্চ পর্যায়ের একটি প্রতিনিধি দল গত ২মে মঙ্গলবার মতবিনিময় করে। এতে বাংলাদেশ ঔষূধ প্রশাসনের পক্ষে উপস্থিত ছিলিন ঔষুধ প্রশাসনের মহা পচিলক মেজর জেনারেল মুস্তাফিজুর রহমান, পরিচালক গোলাম কিবরিয়া, পরিচালক রুহুল আমিন, উপপরিচালক মোঃ ছগির আহমেদ, উপ পরিচালক মিসেস নাহার সুলতানা। বাংলাদেশ ক্রেতা ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ ফাউন্ডেশনের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান লায়ন মোঃ নূর ইসলাম, উপদেষ্টা ও বাংলাদেশ মুক্তিলীগের কেন্দ্রিয় সভাপতি মুজিবুর রহমান, পরিচালক ও দৈনিক কালের ছবি পত্রিকার সম্পাদক ও প্রকাশক মোঃ জাহিদুল ইসলাম, এবং পরিচালক সাংবাদিক মোঃ মতিউর রহমান।
ঔষুধ প্রশাসনের কনফারেন্স রুমে অত্যন্ত আন্তরিক পরিবেশে অঅলোচনায় মহাপরিচালক মোঃ মুস্তাফিজুর রহমান বলেন, দেশের ঔষুধ বাজারে শৃঙ্খরা ফিরিয়ে আনতে সরকার বদ্ধ পরিকর। এ ক্ষেত্রে যে যত শক্তিশালী হোক কাউকেই ছাড় দেয়া হবে না। তিনি তথ্য দিয়ে এবং মাঠ পর্যায়ে জনসচেতনতা তৈরী করার পাআপাশি জাতীয় বৃহত্তর স্বার্থে সরকারের দেয়া আইনগত সুবিধা নিয়ে ঔষুধ প্রশাসনের সাথে কাজ করার জন্য ক্রেতা ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ ফাউন্ডেশনকে আহবান জানান। সেই সাথে ভোক্তা অধিকার রক্ষায় ফাউন্ডেশন কাজ করে যাচ্ছে জেনে তিনি ফাউন্ডেশনের সকল কর্মি ও কর্মকর্তাকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান। সেই সাথে আগামী দিনে ঔষুধ প্রশাসনের যে কোন কাজের সাথে ফাউন্ডেশনকে সম্পৃক্ত করতে উপস্থিত কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেন।
ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে চেয়ারম্যান বলেন, ২০০৯সালে ভোক্তা অথিকার আইন পাশের মধ্যদিয়ে সরকার জন স্বার্থে যুগান্তকরি ভূমিকা নিয়েছে। এ আইনের সুফল ইতোমধ্যে জনগণ পেতে শুরু করেছে। তিনি বলেন, ঔষুধ প্রশাসনের যে কোন ট্রেনিং বা সেমিনারে যদি ফাউন্ডেশনের প্রতিনিধিদের রাখা হয় তাহলে সরকারের কাজে তাদের অংশ গ্রহণের ধারা বুঝতে তাদের সহজ হবে। সেই সাথে জনসচেতনতাবৃদ্ধি ও ভেজাল নকল কারিদের সম্পর্কে প্রশাসনকে ব্যবহারে তারা কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারবে। আলোচনায় অংশ নিয়ে ফাউন্ডেশনের উপদেষ্টা মুজিবুর রহমান কোন কারণেই ঔষুধের মতো বিষয়ে সরকার যেন কাউকে ছাড় না দেন সে আহবান জানান।
ভেজাল নকল পণ্য ঔষুধ, প্রসাধনীসহ বহুমাত্রিক প্রতারণায় জনজীবন অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে। বিশেষ করে জীবন রক্ষাকারি ঔষুধে ভেজাল এবং স্বাস্থ্য খাতে নানা অনিয়ম প্রতিটি নাগরিকের জন্য উৎকন্ঠার কারণ হয়ে উঠেছে। এ পরিস্থিতিতে করণীয় বিষয়ে বাংলাদেশ ঔষুধ প্রশাসনের সাথে বাংলাদেশ ক্রেতা ভোক্তা ফাউন্ডেশনের উচ্চ পর্যায়ের একটি প্রতিনিধি দল গত ২মে মঙ্গলবার মতবিনিময় করে। এতে বাংলাদেশ ঔষূধ প্রশাসনের পক্ষে উপস্থিত ছিলিন ঔষুধ প্রশাসনের মহা পচিলক মেজর জেনারেল মুস্তাফিজুর রহমান, পরিচালক গোলাম কিবরিয়া, পরিচালক রুহুল আমিন, উপপরিচালক মোঃ ছগির আহমেদ, উপ পরিচালক মিসেস নাহার সুলতানা। বাংলাদেশ ক্রেতা ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ ফাউন্ডেশনের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান লায়ন মোঃ নূর ইসলাম, উপদেষ্টা ও বাংলাদেশ মুক্তিলীগের কেন্দ্রিয় সভাপতি মুজিবুর রহমান, পরিচালক ও দৈনিক কালের ছবি পত্রিকার সম্পাদক ও প্রকাশক মোঃ জাহিদুল ইসলাম, এবং পরিচালক সাংবাদিক মোঃ মতিউর রহমান।
ঔষুধ প্রশাসনের কনফারেন্স রুমে অত্যন্ত আন্তরিক পরিবেশে অঅলোচনায় মহাপরিচালক মোঃ মুস্তাফিজুর রহমান বলেন, দেশের ঔষুধ বাজারে শৃঙ্খরা ফিরিয়ে আনতে সরকার বদ্ধ পরিকর। এ ক্ষেত্রে যে যত শক্তিশালী হোক কাউকেই ছাড় দেয়া হবে না। তিনি তথ্য দিয়ে এবং মাঠ পর্যায়ে জনসচেতনতা তৈরী করার পাআপাশি জাতীয় বৃহত্তর স্বার্থে সরকারের দেয়া আইনগত সুবিধা নিয়ে ঔষুধ প্রশাসনের সাথে কাজ করার জন্য ক্রেতা ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ ফাউন্ডেশনকে আহবান জানান। সেই সাথে ভোক্তা অধিকার রক্ষায় ফাউন্ডেশন কাজ করে যাচ্ছে জেনে তিনি ফাউন্ডেশনের সকল কর্মি ও কর্মকর্তাকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান। সেই সাথে আগামী দিনে ঔষুধ প্রশাসনের যে কোন কাজের সাথে ফাউন্ডেশনকে সম্পৃক্ত করতে উপস্থিত কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেন।
ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে চেয়ারম্যান বলেন, ২০০৯সালে ভোক্তা অথিকার আইন পাশের মধ্যদিয়ে সরকার জন স্বার্থে যুগান্তকরি ভূমিকা নিয়েছে। এ আইনের সুফল ইতোমধ্যে জনগণ পেতে শুরু করেছে। তিনি বলেন, ঔষুধ প্রশাসনের যে কোন ট্রেনিং বা সেমিনারে যদি ফাউন্ডেশনের প্রতিনিধিদের রাখা হয় তাহলে সরকারের কাজে তাদের অংশ গ্রহণের ধারা বুঝতে তাদের সহজ হবে। সেই সাথে জনসচেতনতাবৃদ্ধি ও ভেজাল নকল কারিদের সম্পর্কে প্রশাসনকে ব্যবহারে তারা কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারবে। আলোচনায় অংশ নিয়ে ফাউন্ডেশনের উপদেষ্টা মুজিবুর রহমান কোন কারণেই ঔষুধের মতো বিষয়ে সরকার যেন কাউকে ছাড় না দেন সে আহবান জানান।


https://www.facebook.com/pages/National-weeklycrime-diary/639786429398358?ref=hl

বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন, ২০১৫


                                         এখনও পদোন্নতি হয়নি গ্রেডভুক্ত কর্মকর্তাদেরঃ
                                            হুমকির মুখে কৃষিব্যাংকের উন্নয়ন কার্যক্রম
আতিকুল্লাহ আরেফিন রাসেল,ক্রাইম ডায়রি,১৮/৬/১৫ইং,১ পি এম,ঢাকাঃ
বাংলাদেশের কৃষিব্যাংক প্রতিষ্ঠার পর থেকেই সহজ শর্তে ঋন প্রদান ও সহযোগীতার মাধ্যমে কৃষি উন্নয়নে অবদান রেখে চলেছে। আর এর পিছনে অবদান রয়েছে কৃষি ব্যাংকের কিছু দক্ষ ও মেধাবী কর্মকর্তাদের। এসব কর্মকর্তাদের যথোপযুক্ত পদোন্নতির মাধ্যমে উৎসাহ দিয়ে ব্যাংক আরও এগিয়ে যেতে পারে। ২০১৪-১৫ইং অর্থবৎসরের পদোন্নতি প্রক্রিয়ায় ( পত্র নং প্রকা/কব্যবি-২/৩৭(২)অংশ-১/২০১৪-২০১৫/৫০৭(২৫),তারিখ ১১-০৯-২০১৪) এ ব্যাংকের গ্রেডভুক্ত দক্ষ ও মেধাবী কর্মকর্তাদের তালিকা করে অর্থবৎসরের ৩০/৬/১৫ইং তারিখের মধ্যে শুন্যেপদের ভিত্তিতে পদোন্নতি দেয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের একজন দক্ষ প্রতিনিধির সমন্বয়ে গঠিত পদোন্নতি কমিটি ১২৬জন (৪২ *৩) কর্মকর্তার সাক্ষাতকার গ্রহন করে এর মধ্য হতে যোগ্য কর্মকর্তাদের একটি প্যানেল গঠন করেন। এই প্যানেল থেকে আগামী ৩০/৬/১৫ইং তারিখের মধ্যে শুন্যেপদের ভিত্তিতে পদোন্নতি দেয়া যাবে মর্মে সুপারিশও করেন পদোন্নতি কমিটির কর্মকর্তারা । কিন্তু কোন এক অজ্ঞাত কারনে নির্দিষ্ট সময় ঘনিয়ে আসলেও পদোন্নতি দেয়া হচ্ছেনা প্যানেলে থাকা যোগ্য কর্মকর্তাদের । কৃষিব্যাংক সুত্রে জানা গেছে, বর্তমানে ১৫ টি উপমহাব্যবস্থাপক সহ বিভিন্ন গ্রেডে ৬৫টি পদ শুন্য রয়েছে। ব্যাংকের প্যানেল ভুক্ত পদোন্নতিপ্রত্যাশী একদল কর্মকর্তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপক তার পছন্দকৃত বিশেষ কোন কর্মকর্তাদের ভবিষ্যৎ এ যোগ্য নির্বাচন করে পদোন্নতি দেয়ার জন্য বর্তমান শুন্য পদ পূরণ না করে প্যানেল বাতিল করার অপচেষ্টা করছেন । এতে ব্যাংক তার যোগ্য কর্মকর্তাদের হারাচ্ছে বলে সংশ্লিষ্ট বিভাগের অভিজ্ঞ কর্মকর্তারা মনে করছেন । তাছাড়া,বিশ্লেষকরা মনে করেন এতে করে যোগ্য কর্মকর্তারা পদোন্নতি না পেয়ে মনক্ষু্ন্ন হলে ব্যাংক যেমন তার যোগ্য কর্মকর্তাদের সেবা বঞ্চিত হবে, ঠিক তেমনি উপযুক্ত সেবার অভাবে আর্থিক দিক থেকেও ক্ষতির সম্মুখিন হবে। ইতোমধ্যে, সামাজিক ব্যবসা সহ ঋন আদান প্রদান ও অন্যান্য কাজে এর প্রভাব পড়তে শুরু করেছে বলে সুবিধাবঞ্চিত কর্মকর্তারা মনে করছেন। এছাড়া ভবিষ্যৎ এ ব্যাংকের চেইন অব কমান্ড ভেঙ্গে পড়লে প্রশাসনিক দুর্বলতা প্রকট আকার ধারন করবে। বঙ্গবন্ধুর হাতে গড়া মাটি ও মানুষের ব্যাংক কৃষি ব্যাংককে বাঁচাতে হলে প্যানেল ভুক্ত কর্মকর্তাদের পদোন্নতি দেয়া প্রয়োজন বলে দাবী করেছেন কৃষিব্যাংকের সুবিধাবঞ্চিত বিভিন্ন গ্রেডের সকল কর্মকর্তারা। সংশ্লিষ্ট দপ্তর সহ মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষন করে অতিদ্রুত প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহনেরও দাবী জানিয়েছেন তারা।



https://www.facebook.com/pages/National-weeklycrime-diary/639786429398358?ref=hl

মঙ্গলবার, ১৬ জুন, ২০১৫





https://www.facebook.com/pages/National-weeklycri
me-diary/639786429398358?ref=hl

 রাজধানীর উত্তরা থানা পুলিশের সাফল্যঃ
                                             ছিনতাই কৃত গার্মেন্ট সামগ্রী উদ্ধার,কাভার্ড ভ্যান আটক
ক্রাইম ডায়রি ডেস্ক রিপোর্ট,ঢাকা ১৫.৬.১৫ ইং,আপডেট-৫.১৬ পি এমঃ
রাজধানীর উত্তরা পশ্চিম থানা পুলিশ গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে গাজীপুর জয়দেবপুরে ইনডেনসোর সোয়েটার্স লিঃ এর ছিনতাই কৃত সোয়েটার সহ একটি পিকাপ কাভার্ড ভ্যান আটক করে। যার নং চট্টমেট্রো ট-১১-২৯৫০। উদ্ধার কৃত পণ্যের বাজার মূল্য প্রায় এককোটি টাকা। পুলিশ সুত্রে জানা গেছে,সোমবার ১৫.৫০ টায় রাজধানীর উত্তরা পশ্চিম থানাধীন ১৩ নং সেক্টরের ১২নং রোডের ৬৪ নং বাড়ি থেকে চট্টগ্রামে শিপমেন্টের উদ্দেশ্যে রওয়ানা হওয়া ছিনতাইকৃত রপ্তানীমূখী ৪৯৫ কার্টুন গার্মেন্টস পণ্য উদ্ধার করেছে উত্তরা পশ্চিম থানা পুলিশ।
উত্তরা পশ্চিম থানার অফিসার ইনচার্জ আলী হোসেন জানান, গতকাল সোমবার রাত ০৩.৩০ টায় গাজীপুরের জয়দেবপুর থানাধীন ডেগেরচালা ইনডেসোর সোয়েটার্স লিমিটেড নামক গার্মেন্টস হতে রপ্তানীমূখী ৪৯৫ কার্টুন যাতে ১৮৮১০ পিস লেডিস সোয়েটার নিয়ে ১টি কাভার্ড ভ্যান চট্টগ্রামের উদ্দেশ্যে রওয়না হয়। কাভার্ড ভ্যানটি মীরের বাজার হয়ে কালিগঞ্জ থানা এলাকায় একটি ব্রিজের কাছে পৌঁছালে, পিছন থেকে সবুজ রংয়ের একটি প্রাইভেট কার ডান দিক থেকে এসে কার্ভাড ভ্যানের সামনে দাঁড়ায়। গাড়ি থেকে দু’জন বের হয়ে এক জন বাম পাশে ও অন্য জন ডান পাশ থেকে টানা হেঁচড়া করে কাভার্ড ভ্যানের ড্রাইভারকে সবুজ রংয়ের প্রাইভেট কারে উঠায়। তারা মোট চার জন গাড়ি এবং কাভার্ড ভ্যান নিয়ে রওয়ানা হয় এবং কিছুদুর গিয়ে কাভার্ড ভ্যানের ড্রাইভারকে রাস্তায় ফেলে দিয়ে চলে যায়। যাওয়ার সময় তারা ড্রাইভারের কাছে থাকা টাকা এবং মোবাইল ফোন নিয়ে যায়। ইনডেসোর সোয়েটার্স লিমিটেড কর্তৃপক্ষ পরিবহন কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে জানতে পারে মালামালসহ কাভার্ড ভ্যানটি ছিনতাই হয়েছে। পরবর্তীতে উত্তরা পশ্চিম থানা পুলিশের সহায়তায় উক্ত ঠিকানা থেকে মালামাল উদ্ধার করে পুলিশ। পরে কাভার্ড ভ্যানটি এয়ারপোর্ট রোডের কাওলা ফুট ওভার ব্রিজের পাশে পরিত্যক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে। এ ব্যাপারে উত্তরা পশ্চিম থানায় একটি নিয়মিত মামলা রুজু করা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, আসামীদের গ্রেফতার অভিযান অব্যাহত আছে।

https://www.facebook.com/pages/National-weeklycrime-diary/639786429398358?ref=hl

 ঢাকা মহানগর পুলিশের মাদক বিরোধী অভিযানে সফলতাঃ বিপুল পরিমান ফে ন্সিডিলসহ আটক ৩

https://www.facebook.com/pages/National-weeklycrime-diary/639786429398358?ref=hl

রবিবার, ১৪ জুন, ২০১৫


https://www.facebook.com/pages/National-weeklycrime-diary/639786429398358?ref=hl


দাদাকে ঐতিহাসিক লাল গালিচা সংবর্ধনা
বাংলাদেশ-ভারত ২২টি চুক্তি সমঝোতা ও প্রটোকল স্বাক্ষরিত
বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যকার সম্পর্ক আরো দৃঢ় হবে -নরেন্দ্র মোদি
ক্রাইম ডায়রি ডেস্ক রিপোর্ট,ক্রাইম ডায়রি ঢাকা,আপডেট ৬.৬.১৫ ৩পি এমঃ
বাংলাদেশে ভারতীয় প্রধানমন্ত্রীর আগমন আওয়ামীলীগ সরকারের একটি বড় অর্জন। এশিয়ার বৃহৎশক্তিশালী দেশের প্রধানমন্ত্রীর আগমন বাংলাদেশীদের গর্বিত করেছে। শেখ হাসিনা ও নরেন্দ্র মোদির মধ্যে দ্বি-পাক্ষিক বৈঠকের পর বাংলাদেশ ও ভারতের প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে দু’দেশের মধ্যে ২২টি চুক্তি, সমঝোতা ও প্রটোকল স্বাক্ষরিত হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর তেজগাঁওস্থ কার্যালয়ে এসব চুক্তি স্বাক্ষর করেন উভয় দেশের কর্মকর্তারা। এ সময় পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জিও উপস্থিত ছিলেন। এর আগে ঐতিহাসিক স্থলসীমানা নির্ধারণ সংক্রান্ত চুক্তির অনুসমর্থনের দলিল বিনিময় হয়। এসব চুক্তি ও সমঝোতা স্বাক্ষরের পর যৌথ বিবৃতিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, কানেক্টিভিটি শুধু দুই দেশের নয় এই অঞ্চলের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। অন্যদিকে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি দু’দেশের মধ্যে বাণিজ্য ঘাটতি কমিয়ে আনার আশ্বাস প্রদান করেন। দু’দিনের সফরে নরেন্দ্র মোদি গতকাল শনিবার ঢাকায় এসেছেন।
দুইদেশের প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে দু’দেশের মধ্যে শীর্ষ পর্যায়ের দ্বি-পাক্ষিক বৈঠকের পর স্বাক্ষরিত চুক্তি, প্রটোকল ও সমঝোতা স্মারকের মধ্যে রয়েছে- দ্বি-পাক্ষিক বাণিজ্য চুক্তি, অভ্যন্তরীণ নৌ প্রটোকল, উপকূলীয় নৌ চলাচল চুক্তি, পণ্যের মান স্ট্যান্ডার্ডাইজেশন সংক্রান্ত সহযোগিতা চুক্তি এবং সাংস্কৃতিক বিনিময় সহযোগিতা চুক্তি। এছাড়াও উভয় দেশের উপকূলীয় অঞ্চলের নিরাপত্তার দায়িত্বে নিয়োজিত বাহিনীর (কোস্টগার্ড) মধ্যে সহযোগিতা, মানবপাচার প্রতিরোধ, জাল নোট পাচার প্রতিরোধ, সমুদ্রভিত্তিক ব্লুু-ইকোনমির ক্ষেত্রে সহযোগিতা সংক্রান্ত সমঝোতা স্মারক, ২০০ কোটি ডলারের ঋণ বিষয়ক সমঝোতা, বঙ্গোপসাগর ও ভারত মহাসাগরে সামুদ্রিক অর্থনীতির সহযোগিতা বিষয়ক সমঝোতা, চট্টগ্রাম ও মংলা বন্দর ব্যবহার বিষয়ক সমঝোতা, আখাউড়ায় ইন্টারনেটের আন্তর্জাতিক ব্যান্ডউইথ লিজ বিষয়ে বিএসএনএল ও বিএসসিসিএলের মধ্যে সমঝোতা চুক্তি, বাংলাদেশে লাইফ ইনস্যুরেন্স করপোরেশনের (এলআইসি) কার্যক্রম শুরু নিয়ে সম্মতিপত্র। ভেড়ামারা ও মংলায় ভারতীয় বিনিয়োগকারীদের জন্য বিশেষ অঞ্চল প্রতিষ্ঠাবিষয়ক সমঝোতা চুক্তিও সই হয়।
এছাড়াদুই নেতার উপস্থিতিতে কয়েকটি কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়। এগুলোর মধ্যে অন্যতম হচ্ছে কলকাতা-আগরতলা বাস সার্ভিস ও ঢাকা-শিলং-গুয়াহাটি বাস সার্ভিস। এছাড়া খুলনা-মংলা রেলওয়ে লাইন এবং কুলাউড়া-শাহাবাজপুর রেল সংযোগ পুনর্বহাল, শিলাইদহের কুঠিবাড়িতে রবীন্দ্র ভবন, সারদা পুলিশ একাডেমিতে একটি মৈত্রী ভবন, ফেনী নদীর ওপর সেতু নির্মাণ প্রকল্প, বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইন্সটিটিউশন-এর একটি পরীক্ষাগার এবং একটি বর্ডার হাট উদ্বোধন করা হয়।
দুই প্রধানমন্ত্রীর ভাষণ : এসব স্বাক্ষরের পর প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে দেয়া ভাষণে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যে বিদ্যমান বিশাল বাণিজ্য ঘাটতি কমাতে তার সরকারের তরফ থেকে সব রকম পদক্ষেপ নেয়ার ব্যাপারে ঢাকাকে আশ্বাস দিয়েছেন। বাংলাদেশের ইপিজেডে ভারতের বিনিয়োগকারীদের বিনিয়োগের মাধ্যমে এই ঘাটতি কমবে বলে তিনি জানান।
বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যকার সম্পর্ক সামনের দিনগুলোতে আরো দৃঢ় হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এ সময় তিনি দু’দেশের মধ্যকার সাংস্কৃতিক নৈকট্য ও ক্রিকেট নিয়ে উভয় দেশের মানুষের আগ্রহের কথা উল্লেখ করেন। বর্তমানে যে পাঁচশ’ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ ভারত থেকে বাংলাদেশে আসছে আগামী দু’বছরের মধ্যে তা বাড়বে বলে তিনি তার বক্তব্যে জানিয়েছেন।
ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে দ্বি-পক্ষীয় বিভিন্ন বিষয়ে খোলামেলা আলোচনা হয়েছে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেছেন, ‘ভারত আমাদের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেশী। আমি মনে করি, কানেক্টিভিটি শুধু দুই দেশের নয়, এই অঞ্চলের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।’
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের শিমুল মিলনায়তনে দুই দেশের প্রধানমন্ত্রী তাদের বক্তব্য রাখেন। ভারতের প্রশংসা করে শেখ হাসিনা বলেন, ভারত গত কয়েক বছরে অর্থনৈতিকভাবে সামনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। বাংলাদেশের অর্থনীতিও সামনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। গত ছয় বছর ধরে ৬ শতাংশের বেশি প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা সহ¯্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার প্রায় সবগুলো অর্জন করতে পেরেছি। ভারতও আমাদের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেশী দেশ। আমরা পরস্পর উন্নয়ন সহযোগী। আজকে এই অপরাহ্নে খুবই ফলপ্রসূ ও দ্বি-পক্ষীয় আলোচনা হয়েছে। আমাদের আলোচনা ছিল অত্যন্ত গঠনমূলক। আমরা পরস্পরের উদ্বেগ ও অগ্রাধিকারের বিষয়গুলো নিয়ে অবগত রয়েছি। দ্বি-পক্ষীয় সব নিয়ে আমাদের মধ্যে খোলামেলা আলোচনা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী মোদি এবং আমি উভয়ই এ বিষয়ে সম্মত হয়েছি যে, কানেক্টিভিটি শুধু দুই দেশের নয় এই অঞ্চলের উন্নয়নের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।’ তিনি বলেন, উপকূলীয় নৌচলাচল চুক্তি, বাণিজ্য চুক্তি নবায়ন, অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন প্রটোকলে স্বাক্ষর এবং এর সঙ্গে সঙ্গে নতুন বাস সার্ভিসগুলোর উদ্বোধন এ অঞ্চলের সংযোগ প্রতিষ্ঠার প্রতি আমাদের অঙ্গীকারের দৃষ্টান্ত।
মোদি-মমতা বৈঠক : দুই দিনের বাংলাদেশ সফরের প্রথম দিনে ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি দেশটির পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতার সাথে বৈঠক করলেন ঢাকায়। গতকাল শনিবার এ বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়েছে। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে বিভিন্ন চুক্তি ও প্রটোকল সইয়ের পূর্বে তাদের এ বৈঠক নিয়ে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। তবে ভারতীয় এই দুই নেতার মধ্যে কি আলোচনা হয়েছে সে বিষয়ে কিছু জানা যায়নি।
নরেন্দ্র দামোরদাস মোদির ঢাকা সফরের একদিন আগেই গত শুক্রবার রাতে ঢাকায় পৌঁছেন মমতা। গতকাল শনিবার রাতেই মমতা আবার কলকাতা ফিরে যান। সর্বশেষ ২০১১ সালে ভারতের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং-এর সঙ্গে ঢাকায় আসার কথা ছিল মমতার। কিন্তু শেষ মুহূর্তে মমতা ঢাকা আসতে রাজি হয়নি। ফলে আলোচিত তিস্তা নদীর পানি বণ্টন চুক্তিটি আলোর মুখ দেখতে পায়নি।
বিমান বন্দরে লাল গালিচা সংবর্ধনা : ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আমন্ত্রণে গতকাল সকালে দু’দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে ৮১ জন সফরসঙ্গীসহ এখানে পৌঁছার পর তাকে লাল গালিচা সংবর্ধনা দেয়া হয়েছে। ২০১৪ সালের ২৬ মে ভারতের ১৫তম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণের পর এটি বাংলাদেশে মোদির প্রথম সফর। ভারতীয় বিমান বাহিনীর একটি জেট বিমান ভারতের প্রধানমন্ত্রী ও তার সফর সঙ্গীদের নিয়ে সকাল ১০টা ৮ মিনিটে ঢাকায় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরে অবতরণ করে। নরেন্দ্র মোদি ১০টা ২৫ মিনিটে ভারতীয় বিমান বাহিনীর জেট (কে-৫০১২) রাজদূত থেকে নেমে আসার পর ১৯ বার তোপধ্বনি করা হয়।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিমান বন্দরে ভিভিআইপি টারমাকের কাছে নরেন্দ্র মোদিকে স্বাগত জানান। এ সময় একটি ছোট শিশু তাকে ফুলের তোড়া উপহার দেয়। এর পর বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ভারতের প্রধানমন্ত্রীকে বিমান বন্দরের ভিভিআইপি টারমাকের কাছে স্থাপন করা অস্থায়ী সালাম গ্রহণ মঞ্চে নিয়ে যাওয়া হয়। বাংলাদেশ সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনীর একটি চৌকস দল নরেন্দ্র মোদিকে গার্ড অব অনার প্রদান করে এবং তিনি সালাম গ্রহণ করেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে তিনি সুসজ্জিত মঞ্চ থেকে সালাম গ্রহণ করেন। এ সময় দু’দেশের জাতীয় সঙ্গীত বাজানো হয়। পরে ভারতের প্রধানমন্ত্রী গার্ড পরিদর্শন করেন।
এরপর, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সেখানে উপস্থিত মন্ত্রিপরিষদের সদস্যবর্গ এবং বিশিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে ভারতের প্রধানমন্ত্রীকে পরিচয় করিয়ে দেন। ভারতের প্রধানমন্ত্রীও এ সময় তার সফরসঙ্গীদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে পরিচয় করিয়ে দেন।
অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত, শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু, বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ, কৃষিমন্ত্রী বেগম মতিয়া চৌধুরী, স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম, পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ এইচ মাহমুদ আলী, আইনমন্ত্রী আনিসুল হক, প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা ড. গওহর রিজভী, প্রধানমন্ত্রীর অর্থনীতি বিষয়ক উপদেষ্টা ড. মশিউর রহমান, প্রধানমন্ত্রীর গণমাধ্যম উপদেষ্টা ইকবাল সোবহান চৌধুরী, স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল ও পররাষ্ট্র বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম ভারতের প্রধানমন্ত্রী মোদিকে স্বাগত জানাতে বিমান বন্দরে উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া কেবিনেট সচিব মোশাররফ হোসাইন ভূঁইয়া, প্রধানমন্ত্রী মুখ্য সচিব মো. আবুল কালাম আজাদ, পররাষ্ট্র সচিব শহীদুল হক, তিন বাহিনীর প্রধানগণ, কূটনৈতিক কোরের ডিন, বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার, ভারতে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার, প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব এবং উচ্চ পদস্থ বেসামরিক ও সামরিক কর্মকর্তারা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।
স্মৃতি সৌধে মোদি : বিমান বন্দরের আনুষ্ঠানিকতা শেষে ভারতের প্রধানমন্ত্রী ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের প্রতি ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানানোর জন্য সাভারে জাতীয় স্মৃতিসৌধে যান। সাভার জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান মোদি।
ক্রিম রঙের কোর্তা, চুড়িদার পায়জামা ও ছাই রঙের নেহেরু জ্যাকেট পরিহিত সৌম্য-দর্শন ভারতের প্রধানমন্ত্রী গতকাল সকাল ১১টা ২০ মিনিটে জাতীয় স্মৃতিসৌধে এসে পৌঁছান। এখানে তাকে স্বাগত জানান গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশারফ হোসেন, আইন বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী আনিসুল হকসহ সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তারা ।
বেলা সাড়ে ১১টায় ভারতের প্রধানমন্ত্রী স্মৃতিসৌধের মূল বেদীতে বাংলাদেশের জন্য সর্বোচ্চ আত্মত্যাগকারী শহীদদের প্রতি ফুলেল শ্রদ্ধা জানান। পুষ্পমাল্য অর্পণের পর শহীদদের স্মরণে কিছু সময় তিনি নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন। এ সময় তিন বাহিনীর সুসজ্জিত একটি দল ভারতের প্রধানমন্ত্রীকে অভিবাদন জানায়। এ সময় বিউগলে করুণ সুর বাজতে থাকে।
পরে নরেন্দ্র মোদি পরিদর্শন বইতে স্বাক্ষর করেন। তিনি লেখেন, মাতৃভূমির জন্য সর্বোচ্চ আত্মত্যাগকারী পুরুষ, নারী ও শিশুদের আমি শ্রদ্ধা জানাচ্ছি। তিনি সেখানে উদয়পদ্ম গাছের চারা রোপণ করেন ।
বঙ্গবন্ধু স্মৃতি যাদুঘরে মোদি : ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি রাজধানীর ধানমন্ডিতে বঙ্গবন্ধু স্মৃতি জাদুঘর পরিদর্শনকালে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন। বেলা ১২টা পাঁচ মিনিটে তিনি ধানমন্ডিতে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু স্মৃতি জাদুঘরে পৌঁছেন এবং জাদুঘর পরিদর্শনকালে পুষ্পতোড়া প্রদান করে জাতির জনকের প্রতি শ্রদ্ধা জানান।
ভারতের প্রধানমন্ত্রী এখানে এসে পৌঁছলে বঙ্গবন্ধুর দৌহিত্র এবং কন্যা শেখ রেহানার পুত্র রেদোয়ান মুজিব সিদ্দিক ববি, তার স্ত্রী পেপ্পি সিদ্দিক, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্মৃতি ট্রাস্ট’এর সদস্য সচিব শেখ হাফিজুর রহমান, সদস্য শাহনাজ ইয়াসমিন শম্পা, প্রতিষ্ঠানটির প্রধান নির্বাহী মাসুরা হোসেন প্রমুখ তাকে স্বাগত জানান।
ভারতের প্রধানমন্ত্রী ২৭ মিনিট বঙ্গবন্ধু স্মৃতি জাদুঘরে অবস্থান করেন। তিনি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে পুস্পার্ঘ্য অর্পণ করে তাঁর প্রতি শ্রদ্ধা জানান। এ সময় নীরবে কিছুক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকেন তিনি। পরে মোদি জাদুঘরের বিভিন্ন কক্ষ ঘুরে দেখেন এবং পরিদর্শন বইয়ে স্বাক্ষর করেন। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্বাধীনতা-পূর্বে বাড়ির যে বেলকুনিতে দাঁড়িয়ে বক্তব্য দিতেন সেখানেও কিছুক্ষণ অবস্থান করেন। মোদি হোটেল সোনারগাঁওয়ে অবস্থান করবেন। জাদুঘর থেকে ফিরে আসার পর বিকেলে তার হোটেল কক্ষে পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ এইচ মাহমুদ আলী সাক্ষাৎ করেন।
বাংলায় টুইট করেন হাসিনাকে মোদি : ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি দুই দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে ঢাকায় পৌঁছে বাংলায় টুইট করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ধন্যবাদ জানান। মোদী দ্বিতীয় টুইট করে বলেন ‘বাংলাদেশ, আমি আমার সাথে ভারতের মানুষের ভালবাসা এবং শুভেচ্ছা নিয়ে এসেছি।’
মোদিকে বহনকারী ভারতীয় বিমানবাহিনীর বিশেষ ফ্লাইট ‘রাজদূত’ গতকাল শনিবার সকাল ১০টা ৮ মিনিটে ঢাকায় শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরে অবতরণ করে। বিমান বন্দরের এসব আনুষ্ঠানিকতার মাঝেই বাংলায় একটি টুইট করেন নরেন্দ্র মোদি। এতে তিনি লিখেছেন, ‘বাংলাদেশ, আমি আমার সাথে ভারতের মানুষের ভালবাসা এবং শুভেচ্ছা নিয়ে এসেছি।’
পরপরই একই বিষয়ে ইংরেজিতে টুইট করেন মোদি। কিছুক্ষণের মধ্যেই বাংলায় দ্বিতীয় টুইট করেন মোদি। এতে তিনি লিখেছেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, উষ্ণ অভ্যর্থনার জন্য ধন্যবাদ। আমি একটি সুন্দর সফর আশা করছি, যা ভারত ও বাংলাদেশের সম্পর্ককে সুদৃঢ় করবে।’
বিনিময় হল সীমান্ত দলিল : ভারত-বাংলাদেশের মধ্যে সীমান্ত বিনিময় সংক্রান্ত চুক্তির অনুসমর্থন দলিল বিনিময় হয়েছে। বিকেলে গণভবনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর উপস্থিতিতে এ দলিল বিনিময় হয়। গতকাল শনিবার এ চুক্তির অনুসমর্থন দলিল বিনিময় হয়।
আগরতলা ও গৌহাটি রুটে বাস সার্ভিস উদ্বোধন : বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও পশ্চিম বঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়কে নিয়ে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে তিনটি বাস সার্ভিস উদ্বোধন করেছেন। কলকাতা-ঢাকা-আগরতলা, আগরতলা-ঢাকা-কলকাতা এবং ঢাকা-শিলং-গৌহাটি রুটে তিনটি বাস চলাচল করবে।
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় চত্বরে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে দুই প্রধানমন্ত্রী এবং পশ্চিম বঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপধ্যায় বাস সার্ভিস উদ্বোধন করেন। অনুষ্ঠানে দু’দেশের পদস্থ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং পশ্চিম বঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায় ৩টা ৪০ মিনিট একই গাড়িতে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে আসেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ফুলের তোড়া দিয়ে তাদেরকে শুভেচ্ছা জানান। এরপর তারা কলকাতা-ঢাকা-আগরতলা বাসে যান এবং বাস যাত্রীদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন। এরপর তারা আগরতলা-ঢাকা-কলকাতা এবং ঢাকা-শিলং-গৌহাটি রুটের বাসে যান এবং বাস যাত্রীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।
পরে দুই প্রধানমন্ত্রী এবং পশ্চিম বঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী একটি সুসজ্জিত মঞ্চে উঠেন। সেখানে শেখ হাসিনা ঢাকা-শিলং-গোহাটি বাসের একটি প্রতীকী টিকেট ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে দেন।
ভারতের প্রধানমন্ত্রী মোদি ও পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপধ্যায় কলকাতা-ঢাকা-আগরতলা বাসের একটি প্রতীকী টিকিট প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে দেন। পরে দুই প্রধানমন্ত্রী এবং মুখ্যমন্ত্রী পতাকা উড়িয়ে তিন বাসের যাত্রীদেরকে বিদায় জানান।
গতকাল সন্ধ্যায় ভারতের প্রধানমন্ত্রী সোনারগাঁও হোটেলে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেয়া নৈশভোজে যোগ দেন এবং তার আগে একটি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে যোগ দেন।
আজ রাষ্ট্রপতি ও খালেদা জিয়ার সাথে বৈঠক : প্রধানমন্ত্রী মোদি ঢাকা সফরের দ্বিতীয় দিনে আজ রোববার ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দির ও পুরনো ঢাকায় রামকৃষ্ণ মিশন পরিদর্শনে যাবেন। তিনি পরে বারিধারায় ভারতীয় হাইকমিশনের নতুন চ্যান্সারি কমপ্লেক্সে একটি অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন।
ভারতের প্রধানমন্ত্রী বঙ্গভবনে প্রায় ১২টা ৪০ মিনিটে রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন এবং রাষ্ট্রপতি তাঁর সম্মানে দেয়া মধ্যাহ্নভোজে যোগ দেবেন। তিনি ভারতের সাবেক প্রধানমন্ত্রী অটল বিহারী বাজপেয়ীর পক্ষে রাষ্ট্রপতির কাছ থেকে ‘বাংলাদেশ মুক্তিযুদ্ধ সম্মাননা’ গ্রহণ করবেন। সংসদে বিরোধী দলীয় নেতা বেগম রওশন এরশাদ বেলা ৩টা ১০ মিনিটে ভারতের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন।
সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি প্রধান বেগম খালেদা জিয়া, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ এবং ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ৩৬ ঘন্টা ঢাকা সফরকালে তাঁর হোটেল কক্ষে দেখা করবেন বলে আশা করা হচ্ছে।
ভারতের প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে সন্ধ্যা ৬টা ৩০ মিনিটে ভারতীয় হাইকমিশন আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে বক্তৃতা দেয়ার মাধ্যমে তার দু’দিনের সফর সমাপ্ত করবেন।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আজ রোববার সন্ধ্যায় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নরেন্দ্র মোদিকে বিদায় জানাবেন।
এদিকে ভারতের প্রধানমন্ত্রীর বাংলাদেশ সফর উপলক্ষে মহানগরী ঢাকা উৎসবের সাজে সজ্জিত হয়েছে। মহানগরীর রাজপথ ও সড়ক দ্বীপগুলো বাংলাদেশ ও ভারতের জাতীয় পতাকা এবং বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বড় আকারের প্রতিকৃতি দিয়ে সাজানো হয়েছে।
এ ছাড়া নরেন্দ্র মোদিকে স্বাগত জানিয়ে নগরীর বিভিন্ন সড়কের পাশে, সেতুর উপরে এবং গুরুত্বপূর্ণ মোড়গুলোতে বিভিন্ন ব্যানার ও প্লেকার্ড স্থাপন করা হয়েছে।



https://www.facebook.com/pages/National-weeklycrime-diary/639786429398358?ref=hl