জাতীয় সাপ্তাহিক ক্রাইম ডায়রি একটি অপরাধ বিষয়ক পত্রিকা।।

national weeklycrime diary

national weeklycrime diary
ক্রাইম ডায়রি(জাতীয় সাপ্তাহিক, অনলাইনদৈনিক, অনলাইন টেলিভিশন ও অপরাধ গবেষণা )

সোমবার, ১৬ এপ্রিল, ২০১৮

»নাটো‌েরে জাসদের( ইনু) অনুষ্ঠানে হামলার অভিযোগ



নাটো‌েরে জাসদের( ইনু) অনুষ্ঠানে হামলার অভিযোগ

 0


নাটোর   জ‌েলা  সংবাদদাতাঃ
জাতীয়  সমাজতান্ত্র‌িক  দল  জাসদ  (ইনু) এর   বৈশাখী   অনুষ্ঠানে  হামলার  অভিযোগ     উঠ‌েছে।  জাসদ  সুত্র‌ে   জানা  গেছে,নাটোরের লালপুর উপজেলার গোপালপুরে জাসদের (ইনু) পয়লা বৈশাখের অনুষ্ঠানে আওয়ামী লীগ ও যুবলীগের নেতা-কর্মীরা হামলা চালিয়েছে । শনিবার দুপুরে এ হামলার পাঁচজন আহত হয়েছেন। রাত নয়টার দিকে নাটোর প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে জাসদের পক্ষ থেকে এ হামলার অভিযোগ করা হয়েছে।
জাসদ   ইনু     কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ও নাটোর-১ (লালপুর-বাগাতিপাড়া) আসনে মনোনয়ন প্রত্যাশী মোয়াজ্জেম হোসেন সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য দেন। এতে তিনি উল্লেখ করেন, শনিবার দুপুরে লালপুরের আজিমনগর রেলওয়ে প্ল্যাটফর্মে জাসদ লালপুর উপজেলার কমিটির পক্ষ থেকে পয়লা বৈশাখের অনুষ্ঠান চলছিল। এ সময় পৌর আওয়ামী লীগ ও যুবলীগের নেতা কর্মীরা তাঁদের ওপর সশস্ত্র হামলা চালায়। এতে জাসদ লালপুর থানার আহ্বায়ক আবদুল হালিম, আবদুল কুদ্দুস ও আব্দুল্লাহ হেল বাকিসহ পাঁচ নেতা কর্মী গুরুতর আহত হন। আহতদের প্রথমে লালপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে, পরে নাটোর সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
মোয়াজ্জেম হোসেন আরও অভিযোগ করেন, হামলায় উপজেলা যুবলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি নাজমুল ইসলাম, পৌর আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক শাহজাহান আলী, পৌর যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মোস্তাক হোসেন দলবল নিয়ে হামলা চালায়। তিনি তাৎক্ষণিক ঘটনাটি লালপুরের নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে (ওসি) অবহিত করলে প্রায় আধ ঘণ্টা পর পুলিশ ঘটনাস্থলে আসে। তিনি অবিলম্বে হামলায় জড়িত ব্যক্তিদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেন।
যুবলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি নাজমুল ইসলাম হামলার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তিন‌ি    বলেন, কোন  সুবিধাবাদী  পক্ষ  এ  কাজ    করতে  পারে। লালপুর থানার ওসি আবু ওবায়েদ জানান, তিনি মৌখিক অভিযোগ পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠিয়েছিলেন। এ ব্যাপারে লিখিত অভিযোগ করা হয়নি। অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ক্রাইম ডায়র‌ি/  রাজনীতি/ আইন

https://www.facebook.com/pages/National-weeklycrime-diary/639786429398358?ref=hl

মঙ্গলবার, ১৯ ডিসেম্বর, ২০১৭



বিশ্বজুড়ে পরিবেশ দুষণঃ পৃথিবী বাসীর জন্য ভয়ানক সংবাদ

বিশ্বজুড়ে পরিবেশ দুষণঃ পৃথিবী বাসীর জন্য ভয়ানক সংবাদ
আবু সাঈদ সিদ্দিকঃ
লাখ লাখ বছর আগে পৃথিবীর বুকে যে প্রাণ ও প্রাণীর সৃষ্টি হয়েছিল সেদিন প্রকৃতি ও পরিবেশে সাম্য ছিল। এ ভারসাম্য বজায় রাখতে ভূমিকা ছিল প্রকৃতি ও পরিবেশের। সভ্যতার ক্রমবিবর্তনের পথ ধরেই মানুষ একটু একটু করে গড়ে তুলেছে নিজের পরিবেশ। মানুষের রচিত পরিবেশ তারই সভ্যতার বিবর্তন ফসল। মানুষ তার নতুন নতুন আবিষ্কারের প্রতিভা, পরিশ্রম আর দক্ষতা দিয়ে সংগ্রহ করেছে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির বিভিন্ন পদ্ধতি। অধিগত করেছে জীবন-বিকাশের নানা উপকরণ। তাই দিয়ে সে তার নিজের প্রয়োজন ও রুচি অনুযায়ী তৈরি করেছে তার পরিবেশ। এ পরিবেশের মধ্যেই তার বিকাশ, তার বিনাশের ইঙ্গিত। পরিবেশ দুষণ না বুঝলে আর তা রোধ না করতে পারলে ধ্বংস নিশ্চিত। সব কিছুই তো একদিন শেষ হবে কিন্তু আল্লাহ তায়ালা প্রকৃতিতে তার নিজের খেয়ালে সুন্দর অবস্থায় চলতে দেয়ার কথা নানা ভাবে মানুষকে বলেছেন। মানুষ তারপরেও বিবেকের কু তাড়নায় পরিবেশের ক্ষতি করে। পরিবেশের দুষণ করে। পরিবেশের স্বাভাবিক পথচলা ব্যহত করে।

পরিবেশ দূষণের কারণঃ  জনসংখ্যা বৃদ্ধি পরিবেশ দূষণের অন্যতম কারণ। জনসংখ্যা বৃদ্ধির ফলে প্রাকৃতিক সম্পদ জল, মাটি, বায়ুর ওপর পড়েছে প্রচন্ড চাপ। শুরু হয়েছে বন সম্পদ বিনষ্টের অমিত উল্লাস। একই সঙ্গে ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে উদ্ভিদ জগৎ ও প্রাণী জগৎ। প্রকৃতি ও পরিবেশের ভারসাম্য এসে পৌঁছেছে এক সংকটজনক অবস্থায়। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে ক্রমবর্ধমান হারে শক্তি উৎপাদনের চাহিদা। শক্তি উৎপাদনের সঙ্গে সঙ্গে নির্গত হয় মানুষের স্বাস্থ্য ও পরিবেশ-দূষন নানা রাসায়নিক দ্রব্য। দূষিত রাসায়নিক দ্রব্যই নানা দুরারোগ্য ব্যাধির দ্রুত প্রসারণের কারণ। এতে বায়ু-জল-খাদ্যদ্রব্য মারাত্মকভাবে দূষিত হচ্ছে।

বায়ু দূষণ ও নানা প্রতিক্রিয়াঃ দূষণের প্রকৃতি ও পদ্ধতির মধ্যেও রয়েছে বিভিন্নতা। আমাদের প্রাকৃতিক সম্পদের অন্যতম উপকরণ হলো বায়ু। সেই বায়ু দূষণ আজ বিশ্বজুড়ে। সবার স্বাস্থ্যের পক্ষেও এ এক গুরুতর সমস্যা। বাতাসে কার্বন ডাই-অক্সাইডের পরিমাণ নিয়ত বাড়ছে। ফলে আবহাওয়ায় তাপমাত্রা ক্রমেই বেড়ে চলেছে। অকাল-বর্ষণ, ঝড়জল, কুয়াশা এরই ফল। এ রকম আবহাওয়ায় চাষবাস হয় অনিশ্চিত। কুয়াশা আর তেল, কয়লা দহনের ফলে নির্গত গ্যাসের মিশ্রণে ধোঁয়াশার সৃষ্টি। তার ক্ষতিকারক ক্ষমতা মারাত্মক। মাথাধরা, শ্বাসকষ্ট, হাঁপানি, দীর্ঘস্থায়ী ব্রংকাইটিস, ফুসফুস-ক্যানসার এ জাতীয় দূষণের ফল। বিভিন্ন যানবাহনের নির্গত ধোঁয়া সূর্যের আলোর সংস্পর্শে এসে তৈরি করে আলোক রাসায়নিক ধোঁয়াশা। অক্সাইড ও হাইড্রো কার্বনের বিক্রিয়ায় আরও কিছু বায়ু দূষকের সৃষ্টি হয়।

পানি দূষণঃ পানি দূষণ আধুনিক সভ্যতার আরেক অভিশাপ। পৃথিবীর সমুদ্র, নদ-নদী, পুকুর, খালবিল ইত্যাদির পানি নানাভাবে দূষিত হচ্ছে। নদীর তীরে গড়ে উঠেছে সমৃদ্ধ জনপদ, শহর। প্রতিষ্ঠিত হয়েছে আধুনিক চটকল, কাপড়কল, কয়লা ধোলাইকল, চিনিকল, কাগজের কল, ভেষজ তেল তৈরির কারখানা, চামড়া পাকা করার কারখানা ইত্যাদি। এসব কলকারখানার আবর্জনা প্রতিনিয়ত নদ-নদীর পানি দূষিত করছে। প্রতি দিন বিভিন্ন শিল্পাঞ্চল থেকে ক্ষার, অ্যামোনিয়া, সায়ানাইড, ন্যাপথালিন, ফিনল ও বিবিধ রাসায়নিক জল দূষক উপাদান এসে মিশছে। দূষণের কবলে বাংলাদেশের প্রায় সব নদীর পানি। পুকুর, খাল-বিল দূষণের জন্য নালা-নর্দমা, ঘরবাড়ির আবর্জনা ইত্যাদি দায়ী। এর থেকেই দূষিত হয় মাটি, দূষিত হয় পানীয় জল। সমুদ্র নদী খালবিল পুকুরের মাছেও নানারূপ দূষণ ঘটছে। ছড়িয়ে পড়ছে নানা রকমের সংক্রামক রোগ। মাঝেমধ্যে তা মহামারির আকার ধারণ করে। মৃত্যু এসে ছিনিয়ে নিয়ে যায় কত জীবন। এমনি করেই দিনের পর দিন জনস্বাস্থ্য বিনষ্ট হচ্ছে।

শব্দ দূষণঃ  শব্দ দূষণ এ যুগের এক গুরুত্বপূর্ণ, জলজ্যান্ত সমস্যা। দিন দিন এ সমস্যা আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে। শহরে শব্দ দূষণের মাত্রা সর্বাধিক। প্রতিনিয়তই এখানে মোটরগাড়ির হর্ন, কলকারখানার বিকট আওয়াজ, বাজি পটকার শব্দ, রেডিও, টেলিভিশনের শব্দ, লোকজনের চিৎকার চেঁচামেচি, উৎসবের মত্ততা, মাইকে চড়া সুর, সব মিলেমিশে এক অপস্বর সৃষ্টির মহাযজ্ঞ চলছে। শব্দ দূষণের পরিণাম ভয়াবহ।শব্দ দূষণের উৎস অনেক এবং অনেক ধরনের। যথাযথ কারণ ছাড়া যত্রতত্র মাইক বা ক্যাসেট প্লেয়ার বাজানো বন্ধ করতে হবে। প্রয়োজনে-অপ্রয়োজনে হর্ন বাজানো এবং হাইড্রোলিক হর্ন বাজানো আইনগতভাবে বন্ধ করতে হবে। আবাসিক এলাকায় যাতে কলকারখানা গড়ে উঠতে না পারে, তার ব্যবস্থা করতে হবে।বন ও পরিবেশ আইন ১৯৯৭ অনুসারে হাসপাতাল, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ আরও কিছু প্রতিষ্ঠান থেকে ১০০ মিটার পর্যন্ত এলাকাকে নীরব এলাকা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। শব্দ দূষণ রোধে মানুষের সচেতনতা সবচেয়ে বেশি।ঢাকা এখন শব্দ দূষণের নগর। ২০০৩ সালে দুই স্ট্রোকবিশিষ্ট অটোরিকশা ঢাকা শহর থেকে উঠিয়ে দেওয়ার পর বায়ু দূষণের পাশাপাশি শব্দ দূষণের মাত্রাও অপেক্ষাকৃত কমে যায়, ফলে নগরবাসী কিছুটা স্বস্তি পেয়েছিল। কিন্তু তাদের সে স্বস্তি বেশি দিন স্থায়ী হয়নি। শব্দ দূষণের ফলে যে অসুখ হয়, তার মেয়াদ দীর্ঘমেয়াদি হয় বলে মানুষ তৎক্ষণাৎ এর কুফল বুঝতে পারে না। তাই এদিকে মানুষের নজরও থাকে কম। এ কারণে ঢাকার আবাসিক এলাকা, হাসপাতাল, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান—কোনো কিছুই রেহাই পাচ্ছে না যানবাহনের হাইড্রোলিক হর্ন, কারখানার উচ্চশব্দ, মাইক ও সিডি প্লেয়ারের উদ্দাম আওয়াজ থেকে।

শব্দ দূষণের ভয়াবহতাঃ
শব্দ দূষণ যে শুধু বিরক্তি সৃষ্টি করে তাই নয়, মানবদেহের আর্টারিগুলো বন্ধ করে দেয়, এড্রনালিনের চলাচল বৃদ্ধি করে এবং হূৎপিন্ডকে দ্রুত কাজ করতে বাধ্য করে। ধারাবাহিক উচ্চ শব্দের মধ্যে থাকলে হার্টঅ্যাটাক ও স্ট্রোকের আশঙ্কা বৃদ্ধি পায়। বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের মতে, শব্দ দূষণ স্নায়বিক বৈকল্যের কারণ হতে পারে। বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, ধারাবাহিক শব্দ দূষণ শ্রবণশক্তি নষ্ট করে এবং স্নায়ুর স্থায়ী ক্ষতি সাধন করে। তাঁদের মতে, রাজধানীতে বসবাসকারী মানুষের হার্ট, কিডনি ও ব্রেনের ওপর অতিরিক্ত চাপ পড়ছে। শব্দ দূষণে শিশুদের মেজাজ হচ্ছে খিটখিটে। তারা শ্রবণশক্তি হারাচ্ছে, হারাচ্ছে তাদের একনিষ্ঠতা। এর প্রভাব তাদের লেখাপড়ার ওপর পড়ছে। সব ধরনের শব্দ দূষণের ফলেই মানুষের ঘুম, শ্রবণশক্তি, মানসিক ও শারীরিক স্বাস্থ্যের অবনতি হয়। যেকোনো ধরনের শব্দ দূষণই গর্ভবতী মায়েদের ক্ষতি করে দারুণভাবে। শব্দ দূষণে মানুষের স্থায়ী মানসিক বৈকল্য দেখা দিতে পারে।

তেজস্ক্রিয় দূষণঃ
পারমাণবিক যুদ্ধ, পারমাণবিক অস্ত্রের পরীক্ষা-নিরীক্ষার মধ্যে তেজস্ক্রিয় দূষণের বিপদ সবচেয়ে বেশি নিহিত। ১৯৬৩ তে একটি মার্কিন নিউক্লিয় সাবমেরিন আটলান্টিক সাগরে হারিয়ে যায়। তা থেকে প্রচুর পরিমাণে তেজস্ক্রিয় পদার্থ ছড়িয়ে পড়ে প্রাকৃতিক পরিবেশে। নিউক্লিয় জ্বালানি উৎপাদনকেন্দ্রের আবর্জনা তার ক্ষতিকারক ক্ষমতা নিয়ে ৬০০ বছর পর্যন্ত টিকে থাকতে পারে।

দূষণের প্রতিকারঃ
দূষণের ভয়াবহ পরিণামের কথা ভেবে বিশ্বের সভ্য মানুষ আজ আতঙ্কিত। কী উপায়ে এ ভয়ংকর সমস্যার মোকাবিলা সম্ভব তা নিয়ে ভাবনা, পরিকল্পনার শেষ নেই। বায়ু দূষণের প্রতিকারের জন্য গ্রহণ করা হয়েছে কলকারখানার দহন-প্রক্রিয়াকে নিয়ন্ত্রণ করে নির্গত দূষকের পরিমাণ কমানোর ব্যবস্থা। তা ছাড়া গ্রহণ করা হয়েছে বৃক্ষ রোপণ পরিকল্পনা। এক গবেষণায় দেখা গেছে, একমাত্র বনায়নের মাধ্যমেই প্রায় সব ধরনের পরিবেশ দূষণের হাত থেকে রক্ষা পাওয়া সম্ভব। দূষিত পানিকে পানযোগ্য করে তুলতে হলে উপযুক্ত পরিস্রবণ দরকার। শব্দ দূষণের কুপ্রভাব কমানোর প্রধান উপায় হলো, শব্দবিরোধী কক্ষের ব্যবহার। প্রযুক্তিবিদ্যার সাম্প্রতিক অগ্রগতিতে এমন কতকগুলো পদ্ধতির উদ্ভাবন হয়েছে, যাতে পরমাণু চুল্লির আবর্জনা নিয়ন্ত্রণ সম্ভব হয়েছে। এর ফলে নিউক্লিয় বিদ্যুৎকেন্দ্রের পরিবেশে কোনো তেজস্ক্রিয় থাকবে না।

মোদ্দা কথা, পরিবেশ দূষণ সমস্যা নিয়ে আজ সব দেশই চিন্তিত। সভ্যতার অস্তিত্বই আজ এক সংকটের মুখোমুখি এসে দাঁড়িয়েছে। তাই ১৯৭২ সালে ‘মানুষের পরিবেশ’ নিয়ে সম্মিলিত জাতিপুঞ্জের অধিবেশন হয়ে গেল স্টকহোমে। ১৯৯২ সালে ব্রাজিলের রিওডি জেনিরোতে অনুষ্ঠিত হয়েছে ১২ দিনব্যাপী ধরিত্রী সম্মেলন। বাংলাদেশের সংবিধানেও পরিবেশ দূষণ প্রতিরোধের শর্ত আরোপ করা হয়েছে। এখানেও প্রতি বছর ৫ জুন বিশ্ব পরিবেশ দিবস পালিত হচ্ছে। আজ পরিবেশ দূষণ মানব সভ্যতার জন্য ভয়ংকর বিপদের পূর্বাভাস। ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি নিরাপদ পৃথিবী গড়ে তোলার লক্ষ্যে যেকোনো মূল্যে পরিবেশ দূষণ রোধ করার প্রয়োজনীয়তা অনস্বীকার্য।


  
লেখকঃ
আবু সাঈদ সিদ্দিক,স্বর্নাকুঞ্জ,ধনকুন্ডী,শেরপুর,বগুড়া।
নির্বাহী পরিচালক,বাংলা ডায়রি মিডিয়া লিঃ
ব্যবস্থাপনা পরিচালক,এরাবিক কেমিক্যাল লিঃ
www.crimediarybd.com
https://www.facebook.com/pages/National-weeklycrime-diary/639786429398358?ref=hl


সমগ্র বিশ্বে ২০১৭ সালে ৬৫ সাংবাদিক ও মিডিয়াকর্মী নিহত, খুন হয়েছে ৩৯ জন

By on স্পেশাল
অনলাইন ডেস্কঃ
২০১৭ সালে বিশ্বজুড়ে মোট ৬৫ জন সাংবাদিক ও মিডিয়াকর্মী নিহত হয়েছেন। জিম্মি করা হয়েছে ৫৪ জনকে। বন্দী করা হয়েছে ৩২৬ জনকে। নিখোঁজ রয়েছেন ২ জন। নিখোঁজ দুজনের মধ্যে একজন হচ্ছেন বাংলাদেশের উৎপল দাস। সংবাদ-ভিত্তিক ওয়েবসাইট পূর্বপশ্চিমবিডিডটনিউজ’এর এই জেষ্ঠ্য রিপোর্টার ১০ই অক্টোবর নিখোঁজ হন।
এখন পর্যন্ত তার কোন সন্ধান পায়নি পুলিশ। মঙ্গলবার রিপোর্টার্স উইদাউট বর্ডার্সের(আরএসএফ) এক বার্ষিক প্রতিবেদনে এ তথ্য ওঠে এসেছে।
আরএসএফের প্রতিবেদনের বরাত দিয়ে বার্তা সংস্থা এএফপি’র এক খবরে বলা হয়, নিহত ৬৫ জনের মধ্যে খুন হয়েছেন ৩৯ জন। বাকিরা কর্মরত অবস্থায় বিমান হামলা, আত্মঘাতী হামলা ও বিভিন্ন দুর্ঘটনার শিকার। ১৪ বছরের মধ্যে এই বছরই বিশ্বজুড়ে খুন হওয়া পেশাদার সাংবাদিকের সংখ্যা সবচেয়ে কম। সংস্থাটি তাদের প্রতিবেদনে বলেছে, এই বছর খুন হওয়া সাংবাদিক ও মিডিয়াকর্মীর হার কম হওয়ার পেছনে একটি বিশেষ কারণ হচ্ছে, যুদ্ধ-আক্রান্ত অঞ্চলগুলোতে কাজ করতে যাওয়া সাংবাদিকদের এখন আগের চেয়ে ভালো নিরাপত্তাজনিত প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। পাশাপাশি অনেক সাংবাদিক এখন বিপজ্জনক দেশগুলোতে কাজ করা ছেড়ে দিয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়, সিরিয়া, ইরাক, ইয়েমেন ও লিবিয়ার মতো বিপজ্জনক দেশগুলো থেকে সাংবাদিকরা সরে যাচ্ছে। আরএসএফ অনুসারে, বর্তমান বিশ্বে সাংবাদিকদের জন্য সবচেয়ে বিপজ্জনক দেশ হলো যুদ্ধ-বিপর্যস্ত সিরিয়া। এর পরেই রয়েছে মেক্সিকো। এই বছর সিরিয়াতে খুন করা হয়েছে ১২ সাংবাদিককে। আর মেক্সিকোতে ১১ জনকে। প্রতিবেদন অনুসারে, মেক্সিকো সাংবাদিকদের জন্য যুদ্ধের কারণে বিপজ্জনক নয়। তবে, যারা সেখানে রাজনৈতিক দুর্নিতী বা সুসংগঠিত অপরাধ নিয়ে কাজ করেন, প্রায়শই তাদেরকে সিস্টেম্যাটিকভাবে টার্গেট করে হুমকি দেয়া হয় ও হত্যা করা হয়। প্রতিবেদনে, ফিলিপাইনকে এশিয়ার মধ্যে সাংবাদিকদের জন্য সবচেয়ে বিপজ্জনক দেশ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। গত বছর সেখানে পাঁচ জন সাংবাদিককে গুলি করা হয়। তাদের মধ্যে চার জন পরবর্তীতে মৃত্যুবরণ করেন। অথচ এর আগের বছর সেখানে কোন সাংবাদিকই হত্যার শিকার হননি।
এদিকে, বিশ্বে সবচেয়েবেশি সাংবাদিক আটক হয়েছে তুরস্কে। সবমিলিয়ে সেদেশে বর্তমানে কারাগারে আটক রয়েছেন ৪২ জন রিপোর্টার ও একজন মিডিয়া কর্মী। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সরকারের সমালোচনা, ‘সন্দেহভাজন’ মিডিয়া সংস্থার জন্য কাজ করা, সরকারের জন ¯পর্শকাতর এমঙ্কোন সূত্রের সঙ্গে যোগাযোগ করা বা কোন গোপন বার্তার ব্যবহার করলেই সেখানে সাংবাদিকদের সন্ত্রাসী মামলায় কারাদ- দেয়া হয়। অন্যদিকে, ব্লগার আটক করার ক্ষেত্রে শীর্ষে রয়েছে চীন। সেখানে মোট ৫২ জনকে আটক করা হয়েছে। আরএসএফ অভিযোগ তুলেছে যে, চীনে সাংবাদিক ও ব্লগারদের কঠোরভাবে নির্যাতন করা হয়। প্রতিবেদনে বলা হয়, চীনা সরকার তাদের বিরুদ্ধে কথা বলা মানুষদের আর হত্যা করেনা। তার বদলে, তাদেরকে জেলে আটকে রাখা হয়। যেখানে তারা ঢুকে ঢুকে মারা যায়। তুরস্ক ও চীন ব্যতিত অন্যান্য দেশের মধ্যে সিরিয়ায় আটক করা হয়েছে ২৪ জনকে, ইরানে ২৩ জনকে ও ভিয়েতনামে ১৯ জনকে।
ক্রাইম ডায়রি//সুত্রঃ মানবজমিন
FacebookTwitterGoogle+Print
www.crimediarybd.com
https://www.facebook.com/pages/National-weeklycrime-diary/639786429398358?ref=hl


এমন শিশুই দেশের জন্য প্রয়োজনঃ ট্রেন থামানো দুই শিশুকে ইউএনও’র পুরস্কার

ডক্টর ফজলুল করিম,রাজশাহী অফিসঃ
”আমাদের দেশে সেই ছেলে হবে কবে,কথায় না বড় হয়ে কাজে বড় হবে।” হ্যা , সকলের তরে সকলে আমরা প্রত্যেকে আমরা পরের তরে। এমন শিশুর সন্ধান পাওয়া গেছে। নিজের কথা না ভেবে দেশের সম্পদ ও মানুষের জীবনকে বাচিয়ে দিল বাঘার দুই বাঘের বাচ্চা শিশু। আর তাদের কাজে মুল্যায়নও করে থানা সর্বোচ্চ কর্মকর্তা।
সিগন্যাল দিয়ে তেলবাহী ট্রেনকে দুর্ঘটনার হাত থেকে রক্ষা করা সেই দুই শিশুকে বাঘা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পুরস্কার দিয়েছেন।
মঙ্গলবার সকাল ১১টায় রেল দুর্ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাহিন রেজা দুই শিশুর হাতে স্কুল ব্যাগ, টিফিন বক্স ও শীত নিবারণের জন্য কম্বল পুরস্কার হিসেবে দিয়েছেন।

এই ঘটনায় সোমবার বিকেলে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম এমপি দুই শিশুর লেখাপড়ার সব দায়িত্ব নিয়েছেন।

তাদের দুজনেক প্রতি মাসে এক হাজার টাকা করে নিজের অর্থায়নে বৃত্তি প্রদান ও এসএসসি পাসের পর উচ্চ শিক্ষার ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।
ক্রাইম ডায়রি//জেলা
pic: Crime Diary
www.crimediarybd.com
https://www.facebook.com/pages/National-weeklycrime-diary/639786429398358?ref=hl

বুধবার, ৬ ডিসেম্বর, ২০১৭


ক্রাইম ডায়রি সম্পাদকের বাসায় চুরি

 0
আরিফুল ইসলাম কাইয়্যুমঃ
মিরপুর পীরের বাগ এলাকায় ইদানিং কালে ছিচকে চুরির পরিমান আশংকাজনক হারে বেড়ে গেছে। আজ ০৭/১২/২০১৭ইং তারিখ আনুমানিক ভোর ৫ ঘটিকার দিকে ক্রাইম ডায়রির সম্পাদক ও প্রকাশক আতিকুল্লাহ আরেফিন রাসেলের বাসা ১৩০/২,দক্ষিণপীরেরবাগের মরহুম ডাক্তার আলম খানের বাসার(তুহিনদের বাসা) দ্বিতীয় তলার পশ্চিম পাশের কাঁচের বন্ধ জানালা কৌশলে খুলে চার্জার লাগানো অবস্থা হতে নিউজের কাজে ব্যবহৃত গুরুত্বপুর্ন ট্যাব সি-৯৬ টি চুরি হয়। ট্যাবটি পিসির মতো কাজ করত। চুরি অবস্থায় ট্যাবে গুগল মোবাইল লষ্ট অপশন, জি মেইল, ম্যাসেঞ্জার ও আমার ফেসবুক পেইজ অটোমেটিক চালু ছিল এবং ট্যাবটি চালু থাকলে এগুলো অটো চালু ছিল। এছাড়া ট্যাবে দুইটি সিম চালু ছিল। একটি হলোঃ ০১৮২৭-৫৩৮৬৭৪,০১৬৭৯-৮৮৫৭৫৮। ইমেইল দুটি হলোঃ ৎধংবষপৎরসবফরধৎু@মসধরষ.পড়স ্ পৎরসবফরধৎু১১@মসধরষ.পড়স /// ভধপবনড়ড়শ ্ গবংবহমবৎ : অঃরশঁষষধয অৎবভরহ জধংবষ //নেট চালু ছিল রবি নম্বরে। এছাড়া ট্যাবটিতে অনেক গুরুত্ব নিউজ ডকুমেন্ট ,ইনফরমেশন ও অফিস ডাটা ছিল যেগুলোর মাধ্যমে সহজেই যে কেউ মারাত্বক ক্ষতি ও ঝুকির মধ্যে ফেলতে পারে। এবিষয়ে আজকে থানায় জিডি করার প্রক্রিয়া চলছে। এদিকে চুরির ঘটনায় সাংবাদিক সমাজ উদ্বিগ্ন প্রকাশ করেছেন। মিরপুুর এলাকার পীরেরবাগের এই এলাকায় অসংখ্য ছিচকে চোরের বসবাস উল্লেখ করে সাংবাদিক সমাজের দাবী অতি দ্রুত মিরপুর থানা পুলিশের নিজ উদ্যেগে এই চোরদের গ্রেফতার করা হোক। সুশীল মহল মনে করছেন, এ ধরনের উদ্যেগ না নিলে যে কোন বড় ধরনের ক্ষতি হতে পারে।
ক্রাইম ডায়রি//ক্রাইম //রাজধানী

ABOUT AUTHOR



https://www.facebook.com/pages/National-weeklycrime-diary/639786429398358?ref=hl

বুধবার, ২৯ নভেম্বর, ২০১৭


রায়গঞ্জে ফল ব্যবসায়ীর রহস্যজনক মৃত্যু


স.ম আব্দুস সাত্তার, চলনবিল প্রতিনিধিঃ
সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জে এক ফল ব্যবসায়ীর রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে। এলাকা সূত্রে জানা যায়, গতকাল মঙ্গলবার সকালে উপজেলার চান্দাইকোনা ইউনিয়নের সারুটিয়া গ্রামের শ্রীচরণের পুত্র ফল ব্যবসায়ী রতন চন্দ্র মন্ডল(৪০) এর মৃতদেহ নাকেমুখে রক্তের দাগসহ বাড়ির পাশেই মুড়াগাছা শশ্মান ঘাটের গঙ্গা মন্দিরের বারান্দায় পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয় এলাকাবাসী ও তার স্বজনেরা রায়গঞ্জ থানা-পুলিশকে খবর দেয়। খবর পেয়ে রায়গঞ্জ থানা-পুলিশ দুপুরে তার মৃতদেহ উদ্ধার করে সিরাজগঞ্জ মর্গে প্রেরণ করেছেন। নিহতের স্বজনদের সাথে কথা বলে আরও জানা যায়, সে চান্দাইকোনা বাজারে ফল ব্যবসা করে প্রতিদিন বাড়ি ফিরলেও গত সোমবার রাতে বাড়ি ফেরেনি। এ হত্যা নিয়ে এলাকায় চলছে নানা গুঞ্জন। এ রিপোর্ট লেখা পযর্ন্ত থানায় মামলার প্রস্তুতি চলছিল।

ক্রাইম ডায়রি/ক্রাইম/গ্রাম বাংলা
a



https://www.facebook.com/pages/National-weeklycrime-diary/639786429398358?ref=hl


বগুড়ার শেরপুর থানার এ এস আই আব্দুর জব্বার শ্রেষ্ঠ পদকে ভুষিত


জাকির হোসেন রণি ও শাহাদাত হোসেনঃ

নিম্মপদস্থ কর্মকর্তাদের  কেউ যদি পদক পায় তবে তা মিডিয়ায় কখনও ফলাও করে প্রচার হয়না। ওরা যে পারে তা যদি ওদের উৎসাহ দিয়ে বলা হয় তবে তারাও যে বড় ভুমিকা রাখতে পারে সে ব্যাপারে েএখন মিডিয়া বোদ্ধাদের সময় বোঝার সময় এসেছে। পুলিশ যদি পদক পায় তবে বুঝতে হবে আর দশের চেয়ে তার কাজের মান ভাল বৈ কম নয়। এরকমই একজন পুলিশ কর্মকর্তা এ এস আই আব্দুর জব্বার। বগুড়া জেলায় আর দশজন পুলিশের চেয়ে সে কোন অংশে কম নয় তা সে প্রমাণ করতে পেরেছে। ফলশ্রুতিতে সে পেয়েছে জেলার শ্রেষ্ঠ এ এস আই পদক। বগুড়া জেলার পুলিশ সুপার মোঃ আসাদুজ্জামান বিপিএম তাকে এই পদক তুলে দেন। শেরপুর থানার পুলিশ শ্রেষ্ঠ পদকে ভুষিত হওয়ায় ক্রাইম ডায়রি পরিবার হতে তাকে অভিনন্দন ।
ক্রাইম ডায়রি//জেলা
 www.crimediarybd.com
https://www.facebook.com/pages/National-weeklycrime-diary/639786429398358?ref=hl
আলহাজ্ব মুন্সী সাইফুল বারী ডাবলু এক অন্য রকম মানুষ

আলহাজ্ব মুন্সী সাইফুল বারী ডাবলু এক অন্য রকম মানুষ

ডাঃ মোমিনুল খন্দকার আলালঃ
শেরপুরের সাধারন মানুষের সত্যিকারের বন্ধু আজকের শেরপুর পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা ও সম্পাদক জনাব আলহাজ্ব সাইফুল বারী ডাবলু। কোন কিছুতেই যার না নেই।যিনি শেরপুর বাসীর কাছে কখনও লৌহ মানব, কখনও মহান বন্ধু বলে পরিচিত। ক্রাইম ডায়রি ও ক্রাইম ডায়রি বিডি ডটকমের শুভাকাংখী এই মানুষটি গরীব দুখী মেহনতী মানুষের পাশে থেকেই সারাদিন কাটান। এই কখন এই ইউনিয়নে কারো বিয়ে কিংবা বিচার কিংবা সাহায্য কিংবা আইনশৃংখলা সংক্রান্ত মিটিং কখনও বা দাতব্যকাজে আবার ছুটে চলেন অন্য ইউনিয়নে কারো সাহায্য লাগবে সেখানে। এই নিরন্তর ছুটে চলায় যার মোটেও বিরক্তি নেই তিনি হলে মুন্সী সাইফুল বারী ডাবলু। শেরপুর কি বিদেশী কিংবা দেশী সকল সামাজিক কার্যক্রমে যার বিস্তর অংশগ্রহণ। সাপ্তাহিক ক্রাইম ডায়রি ও অনলাইন সংবাদমাধ্যম ক্রাইম ডায়রি বিডি ডট কমের পক্ষ হতে তাকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।

বগুড়ার আরডিএ মিলনায়তনে অ্যাকশন রিসার্চ অন এনার্জি এফিসিয়েন্সির প্রজেক্ট ম্যানেজার লিন্ডা রবার্টস ও আজকের শেরপুর পত্রিকার সম্পাদক আলহাজ্ব মুনসী সাইফুল বারী ডাবলু।

ক্রাইম ডায়রি//জেলা// স্পেশাল/By on জেলার সংবাদ, স্পেশাল

www.crimediarybd.com
https://www.facebook.com/pages/National-weeklycrime-diary/639786429398358?ref=hl

মঙ্গলবার, ২৮ নভেম্বর, ২০১৭

শেরপুর থানার আইনশৃংখলা পরিস্থিতি পুরো প্রশাসনের নিয়ন্ত্রণে


ক্রাইম ডায়রি হাতে শেরপুর থানার ওসি খান মোঃ এরফান,শেরপুর প্রতিনিধি জাকির হোসেন রণি ও সংবাদদাতা শাহাদাৎ হোসেন। ছবিঃ ক্রাইম ডায়রি
জাকির হোসেন রণি ও শাহাদৎ হোসেনঃ
উত্তরাঞ্চলের প্রবেশ দ্বার বগুড়া-৫ আসনের শেরপুর থানার আইন শৃংখলা পরিস্থিতি অন্য যে কোন সময়ের চেয়ে এখন পুরোপুরি পুলিশ প্রশাসনের নিয়ন্ত্রনে বলে বলেছেন শেরপুর থানা অফিসার ইনচার্জ খান মোঃ এরফান। ক্রাইম ডায়রিকে এক একান্ত সাক্ষাতকারে তিনি বলেন, মাদকের সাথে কোন আপস নয়। যুব সমাজকে বাঁচাতে হলে মাদক ধ্বংসের কোন বিকল্প নেই। এছাড়া থানা এলাকার কোথায়ও চুড়ি ডাকাতি কিংবা কোন সন্ত্রাসী কর্মকান্ড হচ্ছেনা। ছোট খাট অপরাধ এটা নৈমিত্তিক ব্যাপার। সবাই সচেতন ও আন্তরিক হলে এগুলো সমাজ থেকে এমনিতেই চলে যায়। তিনি ক্রাইম ডায়রি.দৈনিক কালের ছবি. ও ভিকটিম সাপোর্ট এন্ড হিউম্যান রাইটস ফাউন্ডেশনের উত্তরাঞ্চলীয় কার্যালয় তার থানার ধনকুন্ডীতে দেওয়ার জন্য ক্রাইম ডায়রি কর্তৃপক্ষকে আন্তরিক অভিনন্দন জানান। পুলিশ সাংবাদিক বন্ধুত্ব ও একত্রে কাজ করার মানসিকতা নিয়ে তিনি সকল সাংবাদিককে দেশ সেবায় মনোযোগী হয়ে বস্তুনিষ্ট ও সঠিক সংবাদ পরিবেশনের আহবান জানান।
ক্রাইম ডায়রি/ব্লগসাইট/২৮.১১.১৭ইং




https://www.facebook.com/pages/National-weeklycrime-diary/639786429398358?ref=hl

বুধবার, ২২ নভেম্বর, ২০১৭



হিমালয়ের পানি এবার আসছে ঢাকায়ঃ ওয়াসা

শাহাদাত হোসেন রিটনঃ

কি? ভাবতে অবাক লাগছে। অবাক লাগারই কথা। কিন্তু না, এবার সব অবাককে দুর করে দিয়ে বাস্তবেই হিমালয়ের পানি ঢাকায় এনে বিশুদ্ধ পানি সরবরাহের উদ্যেগ নিয়েছে ঢাকা ওয়াসা।মহানগরবাসীর পানি সংকট মেটাতে ঢাকা ওয়াসা সংশ্লিষ্ট বিষয়ে একটি প্রকল্প হাতে নিয়েছে। আগামী মার্চেই শুরু হচ্ছে এর কাজ। তা থেকে প্রতিদিন ১৫ কোটি লিটার পানি ঢাকায় সরবরাহ করা যাবে।
ঢাকা ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী তাকসিম এ খান সাংবাদিকদের বলেছেন, মাটির নিচ দিয়ে সাভারের ভাকুর্তায় হিমালয় পর্বতের একটি চ্যানেল রয়েছে। সে চ্যানেল দিয়ে হিমালয় পর্বত থেকে সরাসরি পানি চলে আসে ভার্কুতায়। সেখান থেকে পানি তোলার সঙ্গে সঙ্গেই পুনরায় তা পূর্ণ হয়ে যায়।
ভাকুর্তা থেকে হিমালয়ের সেই চ্যানেলের পানি পাইপলাইনের মাধ্যমে ঢাকায় আনা হবে। প্রাথমিকভাবে পানি সরবরাহ করা হবে মিরপুর অঞ্চলে। পরবর্তীতে প্রয়োজনে অন্যান্য এলাকায়ও দেয়া যাবে। হিমালয় চ্যানেলের পানি তোলায় পরিবেশের কোনো ক্ষতি হবে না বলে জানিয়েছে ওয়াসা কর্তৃপক্ষ। এতে ভূমিধসেরও কোনো সম্ভাবনা নেই। প্রতিবছর শুষ্ক মৌসুম এলেই নগরীতে পানির সংকট দেখা দেয়। তাই পানির সংকট মেটাতে প্রকল্পটি বড় অবদান রাখবে বলে মনে করে ওয়াসার কর্মকর্তারা। ওয়াসা জানায়, গেল ৫০ বছরের মধ্যে বর্তমানে চাহিদার চেয়েও বেশি পানি উৎপাদন করছে ওয়াসা। ২০০৯ সালে নগরীতে পানির চাহিদা ছিলো ২১২ কোটি লিটার। তখন চাহিদা ছিলো ১৮৮ কোটি লিটার। এই মুহূর্তে পানির উৎপাদন ২৪৫ কোটি লিটার। চাহিদা ২৩৫ থেকে ২৪০ কোটি লিটার।
উৎপাদিত পানির ৭৮ শতাংশই তোলা হয় ভূ-গর্ভ থেকে। ভূ-পৃষ্ঠের পানি মাত্র ২২ শতাংশ। ২০২১ সালের মধ্যে ওয়াসা ৭০ শতাংশ ভূ-পৃষ্ঠের পানি ব্যবহার করতে চায়। তখন ভূ-গর্ভের পানি থাকবে মাত্র ৩০ শতাংশ।
এ উদ্যেগের খবরে আশান্বিত ঢাকা বাসী। তারা বঙ্গকন্যা এমন চিন্তাধারার ভুয়সী প্রশংসা করছেন।
ক্রাইম ডায়রি// রাজধানী




www.crimediarybd.com

https://www.facebook.com/pages/National-weeklycrime-diary/639786429398358?ref=hl

এখনও বড় দুর্নীতিবাজরা ধরা ছোয়ার বাইরে আছেঃ দুদক চেয়ারম্যান


শরীফা আক্তার স্বর্নাঃ
দুদকের অনেক কর্মকান্ড নিয়ে আলোচনা সমালোচনা থাকলেও দুর্নীতির বিরুদ্ধে থেমে নেই দুদকের অভিযান। দুদকের নতুন চেয়ারম্যান এর দৃপ্ত শপথ দেশে কোন দুর্নীতিবাজ থাকবেনা।  দুদকের চেয়ারম্যান তাই যথার্থই বলেছেন, অনেক সমালোচকদের সাথে আমিও একমত-যে অনেক বড় দুর্নীতিবাজদের কাছে হয়তো আমরা এখনো যেতে পারিনি। তবে সকলকে এটাও মনে রাখতে হবে, পরিবেশ-পরিস্থিতি দেখে যদি আমরা এদের ধরতে হাত বাড়াই, তাহলে এ হাত তুলে আনবো না, মাঝ পথে থেমে যাব না। গতকাল মঙ্গলবার সকালে রাজধানীর জাতীয় নাট্যশালা মিলনায়তনে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) এর ত্রয়োদশ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় একথা বলেন চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদ। তিনি আরও বলেন, আমি কখনই বলব না, আমরা সফল হয়েছি। আমাদের ব্যর্থতা আছে এবং তা আমরা নিয়মিত পর্যালোচনা করি, যাতে আমরা আরও পরিশুদ্ধভাবে কাজ করতে পারি। আমি প্রথম থেকেই বলে আসছি, দুর্নীতি ঘটার আগেই তা প্রতিরোধ করতে হবে-একারণেই কমিশনে দুর্নীতি প্রতিরোধে অধিকতর গুরুত্ব দিচ্ছে। আমরা এমন কোনো কাজ করতে চাই না, যে কাজে কোনো ফল আসবে না; অথবা যে কাজ আমরা শেষ করতে পারব না; বা আদালতে প্রমাণ করতে পারব না।
তিনি বলেন, উন্নয়ন এবং দুর্নীতি সম্ভবত যমজ ভাই। তবে দুর্নীতি দমন কমিশনসহ রেগুলেটরি ফ্রেমওয়ার্ক যদি সঠিকভাবে কাজ করে তাহলে অবশ্যই দুর্নীতির লাগাম টেনে ধরা সম্ভব। সরকারি কর্মকর্তা, সিভিল সোসাইটি, মিডিয়াসহ আমরা সবাই যদি সম্মিলিতভাবে চেষ্টা করি তাহলে দুর্নীতির লাগাম টেনে ধরা অসম্ভব নয়। দুর্নীতি দমন কমিশনের কর্মকর্তাদের কাজের মান বেড়েছে, তবে তাদেরকে কাজে আরও অধিকতর মনোনিবেশ করতে হবে। তদন্তের গুণগত মান বৃদ্ধিতে কমিশন যেসকল নির্দেশনা দিয়েছে তা অনুসরণ করতে হবে; কোনো মানুষকে হয়রানি করা যাবে না;  প্রতিটি অনুসন্ধান বা তদন্ত আইন ও বিধি-বিধানের আলোকে সম্পন্ন করতে হবে যাতে  অভিযোগটি আদালতে প্রমাণ করা যায়।
শিক্ষা ব্যবস্থার আমূল পরিবর্তন দরকার জানিয়ে দুদক চেয়ারম্যান বলেন, তথাকথিত কোচিংয়ের মাধ্যমে ক্যাপসুল মার্কা শিক্ষা আমরা চাই না। আমরা এমন শিক্ষা চাই, যাতে আমাদের সন্তানেরা সক্ষম নাগরিক হিসেবে নিজেদের গড়ে তুলতে পারে। কমিশন ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে মূল্যবোধ সম্পন্ন নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলার জন্য দেশের প্রায় ২২ হাজার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সততা সংঘ গঠন করেছে এবং উত্তম চর্চার বিকাশে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সততা স্টোর স্থাপন করছে।
তিনি সকল খাতের দুর্নীতি দমনে ভুক্তভোগী সহ সকলের সহযোগীতা কামনা করেন।
ক্রাইম ডায়রি//জাতীয়

https://www.facebook.com/pages/National-weeklycrime-diary/639786429398358?ref=hl
www.crimediarybd.com

মঙ্গলবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০১৭


পুলিশকে জনগণের সেবক হয়ে কাজ করার কথা বললেন বঙ্গকণ্যা শেখ হাসিনা


শরীফা আক্তার স্বর্নাঃ
পুলিশ জনগণের বন্ধু এ কথা শুধু মুখে বললেই হবেনা,তা প্রমাণ করে দেখাতে হবে। তাই পুলিশ বাহিনীকে জনগণের সেবক হয়ে কাজ করা আহ্বান জানিয়েছেন বঙ্গকণ্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।  বৃহস্পতিবার রাজশাহীর চারঘাট উপজেলার সারদায় অবস্থিত বাংলাদেশ পুলিশ একাডেমিতে বক্তব্যে প্রদানকালে তিনি এই কথা বলেন।
বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর হেলিকপ্টারযোগে বেলা ১০টায় সারদা পুলিশ একাডেমিতে পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী। পরে একাডেমিতে শিক্ষানবিশ সহকারী পুলিশ সুপারদের শিক্ষা সমপানী কুচকাওয়াজে অংশ নেন এবং তাদের দেওয়া অভিবাদন গ্রহণ করেন । প্রশিক্ষণে বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিশেষ পারদর্শিতা দেখানোর জন্য শিক্ষানবিশ সহকারী পুলিশ সুপারদের পুরস্কৃত করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর রাজশাহীতে সফরের সূচি অনুযায়ী বাংলাদেশ পুলিশ একাডেমিতে এই কর্মসূচির পরে দুপুরে স্থানীয় আওয়ামী লীগের দলীয় কর্মসূচিতে অংশ নেবেন তিনি। পরে বেলা ২টায় পবার হরিয়ানে রাজশাহী চিনিকল মাঠে উপজেলা আওয়ামী লীগ আয়োজিত এক জনসভায় প্রধান অতিথির ভাষণ দেবেন তিনি।
রাজশাহী বাসীর স্বপ্ন পুরণে তিনি ২৭টি উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন ও ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন । এর মধ্যে ছয়টি প্রকল্পের উদ্বোধন ও বাকি ২১টির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন বলে জানা গেছে। প্রধানমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষ্যে রাজশাহীবাসী উৎফুল্ল বলে স্থানীয় সুত্রে জানা গেছে।
ক্রাইম ডায়রি/জাতীয়

https://www.facebook.com/pages/National-weeklycrime-diary/639786429398358?ref=hl

রবিবার, ৯ এপ্রিল, ২০১৭




<<<<<<<<<<<<<<<<বঙ্গবন্ধু>>>>>>>>>>>>>>>>
……আতিকুল্লাহ আরেফিন রাসেলের বঙ্গবন্ধু ভাবণার বহিঃপ্রকাশ……….
১৭ই  মা র্চ।  জাতীরপিতার  জন্মদিন।  যাকে  সপরিবারে  শহীদ  করেছিল বেইমানের  দল শোকাবহ ১৫ই আগষ্টএ ।  দলমত নির্বিশেষে যিনি ছিলেন বাংলা ও বাঙ্গালী জাতির প্রাণ। যিনি নিজের জীবনের সুখ স্বাচ্ছ্যন্দের জন্য নয় যিনি শুধু ভাবতেন এই দেশ ও মানুষের জন্য। যিনি রেসকোর্সের ভাষণে দীপ্ত কন্ঠে বাঙ্গালী জাতির মুক্তি ঘোষণা করেছিলেন সেই মহান ব্যক্তিকে একদল কুচক্্রী হায়েনা নির্মমভাবে স্বপরিবারে গুলি করে শহীদ করেছিল। তিনি মরেও মরেননি। তিনি বেঁচে আছেন আমাদের হৃদয় মাঝে।
9
বঙ্গ পিতা বঙ্গবন্ধু
বাঙ্গালী জাতির জান ও প্রাণ,
প্রজন্মের পর প্রজন্ম যাবে
বাংলায় রবে তোমার ঘ্রাণ।
দুঃখ কষ্ট শত বেদনায়
রয়েছ তুমি মোর চেতনায়,
হৃদয়ের মাঝে রক্তক্ষরণ
কেড়ে নিল কে তোমার প্রাণ?
বেইমান সব কুকুরের দল
পিতার বুকে গুলি কেন বল?
ঘরের শত্রু বিভিষণ সব
বাংলায় শুধু কান্নার রোল।।
বছর ঘুরে পার হয়ে যায়
দিব্য চোখে তোমায় দেখি,
তোমার প্রতি বাঙ্গালী জাতির
ভালবাসার গল্প লেখি।
আগষ্ট এলো বছর ঘুরে
বাঙ্গালীর চোখে শোকের জল,
তোমার জন্য বঙ্গবন্ধু
শোকের জলই বাঙ্গালীর বল।

লেখকঃ
আতিকুল্লাহ আরেফিন রাসেল
সম্পাদক
ক্রাইম ডায়রি ও ক্রাইম ডায়রিবিডি.কম
৫৫,আজাদ সেন্টার,লেভেল ৭,পুরানা পল্টন,ঢাকা-১০০০।
বিকেল ৫ ঘটিকা। তারিখঃ১৭ মার্চ ,২০১৭  পুনঃলিখন এবং ১৫ ই আগষ্ট,২০১৬ইং।
5


https://www.facebook.com/pages/National-weeklycrime-diary/639786429398358?ref=hl


একজন মহৎ মানুষের গল্প বলি শোন

 0

আতিকুল্লাহ আরেফিন রাসেলঃ
ছাত্রজীবন থেকেই তিনি  মানুষের  জন্য  কাজ  করতেন। মানুষের কিসে কল্যান  তাই  নিয়ে  তার ছিল  অন্তহীন  ভাবণা। তিনি এখনও  তার সেই  মানব কল্যানকে  অব্যহত রেখেছেন। দেশের জন্য  সাধারন মানুষের  জন্য যে  প্রাণ কেঁদে ফেরে  সারাক্ষন আসুন এক নজরে জেনে নেই আমার এবং  সবার নেতা হাসানুল  হক ইনু    ভাইয়ের গল্প।
গ ল্পর  শুরু সেই  ১২ নভেম্বর ১৯৪৬ সালে।পিতা  মরহুম এইচ, এম, কামরুল হক। তিনি    কর্ণফুলী পেপার মিলস্ লিঃ এর জেনারেল  ম্যানেজার ছিলেন। মাতা   মরহুম বেগম হাসনাহেনা হক। স্ত্রী  আফরোজা হক রীনা। তিনি জাতীয় নারী জোট (জাসদের সহযোগী নারী সংগঠন)এর  সভাপতি এবং  সাধারন সম্পাদক, পেশাজীবি নারীসমাজ।  ব্যাক্তিগত  জীবনে এই দম্পতি  ১ ছেলের  জনক।  নাম  তার, প্রকৌশলী শমিত আশফাকুল হক । কম্পিউটার সায়েন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং এ স্নাতক। পৈত্রিক নিবাস  গোপাল নগর, থানা ও  উপজেলা: ভেড়ামারা, জেলা: কুষ্টিয়া।  ঢাকায় ১৩৭, দারুস সালাম, মিরপুর এ  স্থায়ীভাবে  বাস করেন। লেখাপড়া  করেছেন বিএসসি-ইন-কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং, বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়(বুয়েট), ১৯৭০।    উচ্চ মাধ্যমিক, নটরডেম কলেজ ও  মাধ্যমিক, কর্ণফুলী পেপার মিলস্ হাইস্কুল, চন্দ্রঘোনা,রাঙ্গামাটিতে। 
ছাত্র রাজনীতি, জাতীয়তাবাদী আনেদালন, স্বাধীনতা সংগ্রাম ও মুক্তিযুদ্ধ
  • ১৯৬৯ ছাত্রলীগ বুয়েট শাখার সাধারণ সম্পাদক
  • ১৯৭০ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি শহীদ সার্জেন্ট জহুর স্মরণে গঠিত ছাত্রলীগের ‘সার্জেন্ট জহুর বাহিনী’র সামরিক কায়দায় মার্চ পাস্টে নেতৃত্ব প্রদান
  • ১৯৭০ সালের ৭ জুন ছাত্রলীগের ‘জয়বাংলা বাহিনী’র সামরিক কায়দায় মার্চ পাস্টে নেতৃত্ব প্রদান
  • ১৯৭১ সালের ২৩ মার্চ পল্টনে স্বাধীন বাংলা ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাধীন বাংলার পতাকা উত্তোলনের দায়িত্ব পালন
  • ১৯৭১ এ মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ। ভারতের ‘তান্দুয়াতে’ স্থাপিত বাংলাদেশ লিবারেশন ফ্রন্ট -বি এল এফ (মুজিব বাহিনী) এর  গেরিলা প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের ক্যম্প প্রধান ও প্রশিক্ষক এর দায়িত্ব পালন। প্রায় ১০,০০০ মুক্তিযোদ্ধাকে গেরিলা যুদ্ধের প্রশিক্ষণ প্রদান।
জাতীয় রাজনীতি
  • ১৯৭২ মে জাতীয় কৃষক লীগের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক হিসাবে বঙ্গবন্ধু কর্তৃক দায়িত্ব প্রদান।
  • ১৯৭২ সালের ৩১ অক্টোবর গঠিত দেশের প্রথম বিরোধী দল জাসদের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য হিসাবে ভূমিকা পালন।
  • ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর সিপাহী জনতার অভ্যুত্থানে গণবাহিনীর উপ-প্রধান ও কর্ণেল তাহেরের সহকারী হিসেবে ভূমিকা পালন।
  • ১৯৮৩ সালে সামরিক স্বৈরাচার এরশাদ বিরোধী ঐক্যবদ্ধ গণতান্ত্রিক আন্দোলন গড়ে তোলা তথা ১৫ দলীয় জোট গঠন, ১৫ দল ও ৭ দলের লিঁয়াজো কমিটি গঠনে অগ্রণী ভূমিকা পালন। পরবর্তীতে এরশাদ সামরিক স্বৈরাচার বিরোধী গণতান্ত্রিক আন্দোলনকে আপসহীন ধারায় পরিচালিত করতে ৫ দল গঠন এবং ৫ দল, ৭ দল, ৮ দলের লিয়াজো কমিটি গঠন করে ঐক্যবদ্ধ আন্দোলন পরিচালনা এবং ৯০ এর গণঅভ্যূত্থান সংগঠনে অগ্রণী ভূমিকা পালন।
  • ১৯৮৬ সালে জাসদের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত।
  • ১৯৯২ এ বামফ্রন্ট গঠনে ভূমিকা পালন, বাম ফ্রন্টের প্রথম আহবায়ক।
  • ২০০২, ৩১ অক্টোবর জাসদের সভাপতি নির্বাচিত।
  • ২০০৫, ৩১ মে দ্বিতীয়বার জাসদের সভাপতি নির্বাচিত।
  • ২০১০, ৮ জানুয়ারি তৃতীয় বারের জন্য জাসদের সভাপতি নির্বাচিত।
  • ২০০১ সাল থেকে তৎকালীন বিএনপি-জামাত জোট সরকারের দুঃশাসন ও সাম্প্রদায়িক-জঙ্গীবাদী-মৌলবাদী গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ রাজনৈতিক আন্দোলন গড়ে তোলা তথা ১৪ দল ও মহাজোট গঠনে অগ্রণী ভূমিকা পালন।

অন্যান্য অবস্থান
  • সাবেক সভাপতি, ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটি (২০০৮-১৩, সেপ্টেম্বর, ২০১২)
  • সভাপতি, কৃষি-খাদ্য ও গ্রামীণ উন্নয়ন বিষয়ক সর্বদলীয় গ্রুপ
  • কো-চেয়ারপারসন, আদিবাসী অধিকার বিষয়ক সংসদীয় ককাস
  • ফেলো ইনস্টিটিউশন অব ইঞ্জিনিয়ার্স, বাংলাদেশ
গ্রেফতার ও কারাবরন
  • ২৩ নভেম্বর ১৯৭৫ এ গ্রেফতার ও কারাবরন।
  • ১৯৭৬ এ গোপন সামরিক আদালতে কর্ণেল তাহেরের ফাঁসির মামলায় ১২বছর কারাদন্ড।
  • ১৩ জুন, ১৯৮০ কারাগার থেকে মুক্তি লাভ।
  • এরশাদ সামরিক শাসন আমলে দুইবার গ্রেফতার ও কারাবরন।
খেলাধুলা
  • ফুটবল ব্লু , বুয়েট,  ১৯৭০
  • ১৯৬৫-১৯৭০ পর্যন্ত ঢাকা প্রথম বিভাগ ফুটবল লীগে সেন্ট্রাল প্রিন্ট্রিং এন্ড ষ্টেশনারী ক্লাব, ইস্ট এন্ড ক্লাব, ওয়ারী ক্লাব এবং সর্বশেষ ঢাকা মোহামেডান স্পোটিং ক্লাবের পক্ষে অংশগ্রহণ
  •  ১৯৬৯ সালে পূর্ব পাকিস্তান চ্যাম্পিয়ন সম্মিলিত পূর্ব পাকিস্তান বিশ্ববিদ্যালয় ফুটবল দলের সদস্য হিসাবে লাহোরে সর্বপাকিস্তান জাতীয় প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ
  • ১৯৬৯-৭০ সালে পূর্ব পাকিস্তান যুব ফুটবল দলের সদস্য হিসাবে অংশগ্রহণ
  • ১৯৬৫ সালে পূর্ব পাকিস্তান ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ ও হাইজাম্পে ২য় স্থান অধিকার
  • ১৯৬৬ সালে পাকিস্তান ক্রীড়া দলের সদস্য হিসেবে পাক-জার্মান ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ এবং হাইজাম্পে ৩য় স্থান অধিকার
তিনি একজন লেখকও  বটে।  তার লেখা   বইগলো হলোঃ
  • তিনদাগে ঘেরা বাংলাদেশ
  • বাংলাদেশের রাজনীতিতে সেনাবাহিনীর উপস্থিতি
  • গণতান্ত্রিক সংগ্রামের নয়া কৌশল
  • দুই শতাধিক রাজনৈতিক প্রবন্ধ
তিনি আমার নেতা।  মহৎ এই  মানুষটি আমাদের স্বপ্নপুরুষ।  তাকে  অজ্ঞাতে আমি  অনুসরন করে চলেছি  সুদীর্ঘ  সময়  ধরে।  অামার এবং  গণ মানুষের  হৃদয়ে তিনি  জাগ্রত  থাকবেন সর্বদা এই আশাই  করি।
ক্রাইম  ডায়রি/স্পেশাল/সম্পাদক 
SHARE.
https://www.facebook.com/pages/National-weeklycrime-diary/639786429398358?ref=hl