জাতীয় সাপ্তাহিক ক্রাইম ডায়রি একটি অপরাধ বিষয়ক পত্রিকা।।

national weeklycrime diary

national weeklycrime diary
অপরাধ বিষয়ক জাতীয় সাপ্তাহিক পত্রিকা,অনলাইন নিউজ পোর্টাল ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান

রবিবার, ২ সেপ্টেম্বর, ২০১৮

সাংবাদিক নদী হত্যা ও বিশ্ব জুড়ে সাংবাদিক নির্যাতনঃ ঘুরে দাড়ানোর আহবান জাতীয় সাংবাদিক পরিষদের


সাংবাদিক নদী হত্যা ও বিশ্ব জুড়ে সাংবাদিক নির্যাতনঃ ঘুরে দাড়ানোর আহবান জাতীয় সাংবাদিক পরিষদের

  আতিকুল্লাহ আরেফিন রাসেলঃ

সারাদেশে বিগত কয়েক বছরে অনেক সাংবাদিক পেশাগত দায়িত্ব পালনের সময় হত্যা ও নির্যাতনে শিকার হয়েছেন। সাগর রুনী সহ সম্প্রতি নিহত আনন্দ টিভির পাবনা প্রতিনিধি সাংবাদিক সুবর্ণা আক্তার নদী (৩২) নামের এক নারী সাংবাদিক বাড়ির সামনে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। মঙ্গলবার রাত১০টার দিকে জেলার রাধানগরে তার বাসার সামনে কুপিয়ে হত্যা করা হয় বলে জানিয়েছে পাবনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওবাউদুল হক।
সুবর্ণা আনন্দ টিভির পাবনা প্রতিনিধি এবং স্থানীয় অনলাইন পোর্টাল ‘দৈনিক জাগ্রত বাংলা’র সম্পাদক ও প্রকাশক।
থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ওবাইদুল হক ক্রাইম ডায়রিকে জানান, রাতে কয়েকজন সন্ত্রাসী তার ওপর হামলা চালায়। তারা সুবর্ণার হাতে ও মাথায় এলোপাতাড়ি কুপিয়ে জখম করে। স্থানীয়রা উদ্ধার করে পাবনা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
পাবনার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ইবনে মিজান গণমাধ্যমকে বলেন, বাসার কলিং বেল টিপে কয়েকজন অজ্ঞাতনামা ব্যক্তি তাকে ডেকে বের করে। সুবর্ণা নদী গেইট খোলার সাথে সাথে তাকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে পালিয়ে যায় দুর্বৃত্তরা। স্থানীয়রা সুবর্ণাকে পাবনা সদর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পথে তিনি মারা যান।
পাবনা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাধারণ সম্পাদক কাজী বাবলা বলেন, প্রত্যক্ষদর্শীরা আমাদের জানিয়েছেন, ১০/১২ জন সন্ত্রাসী কয়েকটি মোটর সাইকেলে এসে তাকে কুপিয়ে দ্রুতবেগে চলে যায়। যারা এই ঘটনার সাথে জড়িত, তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি।
কেইস স্টাডি -১ঃ
সাংবাদিক নদীর বড় বোন চম্পা জানান, আবুল হোসেনের ছেলে রাজীবের সঙ্গে তিন-চার বছর আগে বিয়ে হয়েছিল সুবর্ণার। বছরখানেক আগে তাদের ছাড়াছাড়ি হয়ে যায়। এর পর সুবর্ণা পাবনার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে আদালতে একটি যৌতুক মামলা করেন। এ মামলায় সুবর্ণা তার সাবেক স্বামী রাজীব ও তার বাবা আবুল হোসেনসহ তিনজনকে আসামি করেন।
গতকাল এ মামলার সাক্ষ্য দেয়ার দিন ছিল। এতে সুবর্ণা তার পক্ষে আদালতে সাক্ষ্যও উপস্থাপন করেন। চম্পার দাবি, মামলায় ফেঁসে যাওয়ার আশঙ্কায় আসামিরা পরিকল্পিতভাবে সুবর্ণাকে হত্যা করেছে।
কেইস স্টাডি-২ঃ
এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশ নিহতের সাবেক শ্বশুর আবুল হোসেনকে আটক করেছে। পাবনার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার গৌতম কুমার বিশ্বাস সাংবাদিকদের জানান, পাবনা পৌর সদরের রাঁধানগর মহল্লায় আদর্শ গার্লস হাইস্কুলের সামনে ভাড়া বাসায় ফেরার পথে বাসার সামনেই কয়েকজন দুর্বৃত্ত তাকে উপর্যুপরি কুপিয়ে রক্তাক্ত করে পালিয়ে যায়। তাৎক্ষণিক তাকে উদ্ধার করে পাবনা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
তিনি বলেন, তাৎক্ষণিকভাবে এ হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটন করতে না পারলেও কয়েকটি ইস্যু নিয়ে পুলিশ মাঠে নেমেছে। কিন্তু তদন্তের স্বার্থে এখনই তা প্রকাশ করা যাচ্ছে না।
এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে পুলিশ পাবনার ইদ্রাল ইউনানি কোম্পানি ও শিমলা ডায়াগনস্টিকের মালিক আবুল হোসেনকে আটক করেছে। পুলিশের দাবি, তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নিয়ে যাওয়া হয়েছে। আবুল হোসেন সুবর্ণার সাবেক শ্বশুর।
সুবর্ণা নদী আনন্দ টিভির পাশাপাশি অনলাইন পোর্টাল দৈনিক জাগ্রতবাংলার সম্পাদক ও প্রকাশক ছিলেন। রাজীবের সঙ্গে বিয়ের আগেও তার আরেকটি বিয়ে হয়েছিল। সেই ঘরে তার ৫-৬ বছরের একটি কন্যাসন্তান রয়েছে।
সুবর্ণা নদী জেলার আটঘরিয়া উপজেলার একদন্ত গ্রামের মৃত আইয়ুব আলীর মেয়ে। এদিকে নিহতের লাশ পাবনা জেনারেল হাসপাতাল মর্গে রাখা হয়েছে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে পুলিশ।
এদিকে সামাজিক মাধ্যম ফেসবুকে সুবর্ণার দুইটি আইডিতে যেসব তথ্য পাওয়া গেছে তাতে দেখা যাচ্ছে, ফেসবুক নিয়ে সমস্যায় ছিলেন তিনি। তবে কী ধরণের সমস্যায় তিনি ছিলেন তার কিছু তিনি প্রকাশ করেননি।
তবে জুলাই মাসের ১৫ তারিখে একটি সংবাদের লিংক শেয়ার করেন সুবর্ণা; যে পোস্টটি তার শেয়ার করা সর্বশেষ ক্রাইম রিপোর্ট। ১৫ জুলাই তার ওই পত্রিকায় ‘পাবনার ভাঙ্গুড়ায় বিয়ের প্রলোভনে অষ্টম শ্রেণীর ছাত্রীকে ধর্ষণ’ শিরোনামে প্রকাশিত একটি সংবাদের লিংকটি তিনি ফেসবুকে শেয়ার করেন।
ওই সংবাদে স্থানীয় ভাঙ্গুড়া প্রতিনিধির বরাত দিয়ে ভাঙ্গুড়ায় এক যুবক বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে (১৪) বছরের এক অষ্টম শ্রেনির ছাত্রীকে রাতভর ধর্ষণ করেছে; এমন অভিযোগের খবর প্রকাশ করা হয়ে।
খবরে উপজেলার দিলপাশার ইউনিয়নের পাঁচ বেতুয়ান গ্রামের এক কিশোরীকে পার্শ্ববর্তী বেতুয়ান ফকিরপাড়া গ্রামের ঘাট মাঝি আবু সাম এর ছেলে সুজনের (২০) প্রেমের সম্পর্কের জেরে এ ঘটনা ঘটেছে বলে উল্লেখ করা হয়।
ওই খবরে বলা হয়েছে, ‘প্রেমিক সুজন ফোন করে প্রেমিকা কিশোরীকে বিয়ে করবে বলে জানায় এবং কিশোরীকে বাড়ি থেকে টাকা আনতে বলে। প্রেমিকের কথা মতো কিশোরী বাড়িতে থাকা ৩০ হাজার টাকা নিয়ে প্রেমিকের কাছে যায়।
এসময় প্রেমিক তার বন্ধু নাঈম ও শাহাবুদ্দিনের সহযোগিতায় পার্শ্ববর্তী উল্লাপাড়া উপজেলার বাঘমাড়া বেতকান্দী গ্রামে তার খালার বাড়িতে যায়। এরপর লম্পট প্রেমিক তার খালার বাড়িতে প্রেমিকা কিশোরীকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে সারারাত ধর্ষণ করে।
পরদিন সকালে প্রেমিক কাজী ডেকে আনার কথা বলে কিশোরী প্রেমিকার কাছে থাকা ওই টাকা নিয়ে উধাও হয়ে যায়। পরে প্রেমিকের খালার পরিবার কিশোরীকে বাড়ি পাঠিয়ে দেয়।
এরপর ধর্ষণের শিকার কিশোরী তার পরিবারকে বিষয়টি জানালে স্থানীয় গ্রাম প্রধান ও নেতাকর্মীদের জানায় কিশোরীর পরিবার।’
এদিকে সুবর্ণার তার পুরাতন আইডি ‘Shobarna Nodi’ থেকে গত গত ১২ আগস্ট একটি পোস্ট দেন; যেখানে ‘সুবর্ণা নদী’ নামের আরেকটি আইডিতে বন্ধুতের ফ্রেন্ড রিকুয়েস্ট পাঠাতে বলেছিলেন।
‘সুবর্ণা নদী’ নামের নতুন আইডির লিংটি তিনি পুরাতন আইডিতে পোস্ট করে লিখেছিলেন, ‘আমার এই আইডিতে একটু প্রব্লেম হয়েছে। সবাই আমার এই আইডিতে রিকুয়েস্ট পাঠান লিংক দেওয়া আছে…’
কেইস স্টাডি-৩ঃ
সুবর্ণা আক্তার নদী মৃত্যুর আগেই তার মা ও মেয়েকে হামলাকারীদের নাম বলে গেছেন। সাবেক স্বামী রাজীব ও রাজীবের সহকারী মিলনসহ কয়েকজন তাকে কুপিয়েছেন বলে হাসপাতালে আহতাবস্থায় জানিয়েছিলেন সুবর্ণা আক্তার।
বুধবার সকালে সুবর্ণার মা মর্জিনা বেগম বলেন, মেয়ে মৃত্যুর আগে হাসপাতালে হামলাকারীদের নাম আমাদের জানিয়ে গেছে। রাজীব ও তার সহকারী মিলনসহ কয়েকজন তাকে কুপিয়েছে। আমার মেয়ে তাদের চিনেছিল। র‌্যাব ও পুলিশকে আমি সব তথ্য জানিয়েছি। নিহত সুবর্ণার মেয়ে জান্নাতও (৭) একই তথ্য পুলিশকে জানিয়েছে। এদিকে এ ঘটনায় বুধবার সকালে নদী হত্যার প্রতিবাদে এবং হত্যাকারীদের গ্রেফতারের দাবিতে পাবনা শহরে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছে সাংবাদিকসহ সর্বস্তরের মানুষ। পাবনার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার গৌতম কুমার বিশ্বাস বলেন, এ ঘটনায় মামলার প্রক্রিয়া চলছে। মা মর্জিনা বেগম বাদী হয়ে হত্যা মামলাটি করবেন। নিহতের লাশ ময়নাতদন্তের জন্য পাবনা জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। আমরা সবাইকে জিজ্ঞাসাবাদ করছি। তবে খুব শিগগির আমরা মূল হোতাদের শনাক্ত করে গ্রেফতার করতে পারব।
মাঠে নেমেছে পুলিশঃ
তিনি বলেন, তাৎক্ষণিকভাবে এ হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটন করতে না পারলেও কয়েকটি ইস্যু নিয়ে পুলিশ মাঠে নেমেছে। কিন্তু তদন্তের স্বার্থে এখনই তা প্রকাশ করা যাচ্ছে না।
এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে পুলিশ পাবনার ইদ্রাল ইউনানি কোম্পানি ও শিমলা ডায়াগনস্টিকের মালিক আবুল হোসেনকে আটক করেছে। পুলিশের দাবি, তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নিয়ে যাওয়া হয়েছে। আবুল হোসেন সুবর্ণার সাবেক শ্বশুর।
সুবর্ণা নদী আনন্দ টিভির পাশাপাশি অনলাইন পোর্টাল দৈনিক জাগ্রতবাংলার সম্পাদক ও প্রকাশক ছিলেন। রাজীবের সঙ্গে বিয়ের আগেও তার আরেকটি বিয়ে হয়েছিল। সেই ঘরে তার ৫-৬ বছরের একটি কন্যাসন্তান রয়েছে।
সুবর্ণা নদী জেলার আটঘরিয়া উপজেলার একদন্ত গ্রামের মৃত আইয়ুব আলীর মেয়ে। এদিকে নিহতের লাশ পাবনা জেনারেল হাসপাতাল মর্গে রাখা হয়েছে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে পুলিশ।
রাজপথে সাংবাদিক সমাজঃ
নারী সাংবাদিক সূবর্ণা আক্তার নদী হত্যার ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন জাতীয় সাংবাদিক পরিষদের চেয়ারম্যান ও ক্রাইম ডায়রির সম্পাদক ও প্রকাশক আতিকুল্লাহ আরেফিন রাসেল। তিনি দ্রুত হত্যাকারী আইনের আওতায় এনে সর্বোচ্চ শাস্তি প্রদানের দাবী জানান।
এছাড়া এই ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছে ঢাকাস্থ পাবনা জার্নালিস্ট ফোরাম, ঢাকা (পিজেএফ)। একই সঙ্গে পিজেএফ সুবর্ণা নদীর প্রকৃত খুনিদের খুঁজে বের করে অবিলম্বে গ্রেফতার ও খুনিদের দৃষ্টান্তমুলক শাস্তি দাবী জানিয়েছে।
এদিকে বুধবার দুপুরে পাবনা প্রেসক্লাবের সামনে আয়োজিত মানববন্ধনে সুবর্ণা হত্যায় জড়িতদের গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে ৪৮ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দিয়েছেন পাবনায় কর্মরত সংবাদকর্মীরা। এতে প্রায় শতাধিক সাংবাদিক ও সাংস্কৃতিক কর্মী উপস্থিত ছিলেন।
মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন- পাবনা প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা রবিউল ইসলাম রবি, পাবনা সংবাদপত্র পরিষদের সভাপতি আব্দুল মতীন খান, সম্পাদক শহিদুর রহমান শহীন, প্রেসক্লাব সম্পাদক আঁখিনূর ইসলাম রেমন, সাবেক সম্পাদক এ বি এম ফজলুর রহমান, সময় টিভির প্রতিনিধি এস এ আসাদ প্রমুখ।
এসময় বক্তরা প্রশাসনকে ৪৮ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দিয়ে হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে প্রকৃত জড়িতদের গ্রেফতার করে দৃষ্টানন্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে আহ্বান জানান। নতুবা বৃহত্তর কর্মসূচি দেওয়ার কথা বলে হুঁশিয়ারি দেন।
এঘটনায় নিন্দা ও দোষীদের শাস্তি প্রদানের দাবী জানিয়েছে বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরাম।
সুবর্ণা পাবনার একদন্ত ইউনিয়নের বাড়ইপাড়া গ্রামের মৃত আয়েব আলীর মেয়ে। তার পাঁচ বছরের একটি কন্যা সন্তান রয়েছে।
সাংবাদিকরা নির্যাতিত ও হত্যার শিকার সারা বিশ্বে।
কেইস স্টাডি-৪ঃ
মেক্সিকোর পর্যটন নগরী কানকুনে একজন টেলিভিশন সাংবাদিককে হত্যা করা হয়েছে। তার অফিস কর্তৃপক্ষ একথা জানিয়েছে। গণমাধ্যম কর্মীদের পেশাগত দায়িত্ব পালনের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ মেক্সিকোতে এই নিয়ে চলতি বছর ১৮ সাংবাদিককে হত্যা করা হয়েছে। খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র।
জ্যাভিয়ার এনরিক রদ্রিগুয়েজ ভালাদারেস নামের ওই সাংবাদিক চ্যানেল-১০ এর ক্যামেরাম্যান ও সাংবাদিক ছিলেন।
এনরিকের অফিস থেকে বলা হয়েছে, তার পরিবার তার মৃত্যু নিশ্চিত করেছেন। কানকুনের খবরে বলা হয়েছে, নগরীর মধ্যাঞ্চলে অপর এক ব্যক্তির সাথে হেঁটে যাওয়ার সময় তাকে গুলি করা হয়। স্থানীয় কর্মকর্তারা এখনো এই ব্যাপারে কিছু জানাননি। চলতি বছর এই এলাকায় ভ্যালাডেরেসকে নিয়ে দুই জন সাংবাদিক সহিংস হামলায় নিহত হলেন। এলাকাটি পর্যটন কেন্দ্র থেকে খুব একটা দূরে নয়। গত বছর মেক্সিকোতে ১১ সাংবাদিক নিহত হন। এছাড়া সম্প্রতি কাশ্মিরের বিখ্যাত সাংবাদিক বুখারী হত্যার ঘটনাও ঘটেছে। এসব ঘটনায় সাংবাদিক সমাজের ঐক্যের গুরুত্ব স্পষ্ট।
ক্রাইম ডায়রি//জাতীয়
FacebookTwitterGoogle+PinterestEmailLinkedIn
https://www.facebook.com/TheCrimeDiary/

রবিবার, ১৩ মে, ২০১৮

http://www.crimediarybd.com/2018/05/13/নতুন-দিগন্তে-বাংলাদেশঃ-ব/

নতুন দিগন্তে বাংলাদেশঃ বিজ্ঞানময় দেশ উপহারের জন্য বঙ্গকন্যাকে অভিনন্দনবাংলাদেশের  মত  রাষ্ট্র‌ের   জন্য এর  চেয়ে  বড়   সফলতা   আর কি   হতে  পারে?  স্যাটেলাইট   এখন   মহাকাশে।  আর   বাংলাদেশ  এটার  মালিক। মহাকাশে বাংলাদেশের প্রথম যোগাযোগ স্যাটেলাইট বঙ্গবন্ধু ১, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণের পথে আরেকটি সময়োপযোগী উদ্যোগের সফল বাস্তবায়ন।    বাঙ্গালীর স্ব প্নের বাস্তবিক রূপদান। বি জ্ঞান-ভিত্তিক দেশ বিনির্মাণের লক্ষ্যে ডিজিটাল বাংলাদেশের এই অগ্রযাত্রায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়ের প্রত্যক্ষ নির্দেশনা ও তত্ত্বাবধানে আজ বাংলাদেশে প্রযুক্তি-নির্ভর রূপান্তর দৃশ্যমান, বঙ্গবন্ধু ১ তারই প্রকৃষ্ট উদাহরণ। 

এই উদ্যোগের মাধ্যমে বাংলাদেশ পৃথিবীর ৫৭তম দেশ হিসেবে মহাকাশে নিজেদের স্যাটেলাইট প্রেরণের গৌরব অর্জন করতে যাচ্ছে। ১৯৭৫ সালের ১৪ জুন দেশের প্রথম স্যাটেলাইট আর্থ স্টেশন স্থাপনের মাধ্যমে জাতিকে মহাকাশ যুগে পরিচয় করিয়ে দেওয়ায় আজকের এই দিনে    পুরো  দেশ  বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে গভীর শ্রদ্ধার সাথে ম্মরণ করছি।
মহাকাশে বঙ্গবন্ধু ১ উৎক্ষেপণ আগামী প্রজন্মকে খ্যাতনামা মহাকাশচারী ও প্রখ্যাত রকেট বৈজ্ঞানিক হতে উদ্বুদ্ধ করবে। বঙ্গবন্ধু ১ নির্মাণ এবং উৎক্ষেপণে অসাধারণ ভূমিকা  রাখার জন্য   সাপ্তাহিক  ক্রাইম  ডায়রি  ও   অনলাইন দৈনিক  ক্রাইম ডায়রি  ব‌িডি ডট  কম এর  পক্ষ  হতে     থ্যালেস এলেনিয়া ও স্পেসএক্স এর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাই। আন্তরিক  ধন্যবাদ  ও  অভিনন্দন   জানাচ্ছি  বঙ্গকণ্যা  প্রধানমন্ত্রী  শ‌েখ  হাসিনাকে।
https://www.facebook.com/pages/National-weeklycrime-diary/639786429398358?ref=hl

শনিবার, ১২ মে, ২০১৮




চট্টগ্রামের কর্ণফুলী নদী রক্ষায় মাঝির হাতে বৈঠা



চট্টগ্রাম   ব্যুরোঃ
চট্টগ্রামের কর্ণফুলী নদীর দখল-দূষণের কবলে পড়া চট্টগ্রাম বন্দরের প্রাণ খ্যাত কর্ণফুলী নদী রক্ষায় নৌকার মাঝিরা হাতে নিয়েছেন বৈঠা। তারা বৈঠা নিয়ে প্রতীকী প্রতিবাদী হয়ে নৌকা পরিবহন বন্ধ রেখে এ আন্দোলন কর্মসূচি পালন করেন।একই সঙ্গে কর্ণফুলী নদী রক্ষায় হাইকোর্টের রায় বাস্তবায়নেরও দাবি জানান।কর্ণফুলী নদীকে দূষণমুক্ত রাখতে তিন দিনব্যাপী সাম্পান খেলা ও চাঁটগাইয়া সংস্কৃতি মেলার দ্বিতীয়দিন সাম্পান শোভাযাত্রা অনুষ্ঠানে অতিথি, নৌকার মাঝি ও সমবেতরা কর্ণফুলী নদীর রক্ষার এই দাবি করেন।আজ সকাল ১১টায় নগরের অভয়মিত্র ঘাট থেকে শুরু হওয়া এ শোভাযাত্রা বন্দর মোহনা হয়ে অভয়মিত্র ঘাটে এসে শেষ হয়।অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) ভারপ্রাপ্ত কমিশনার মাসুদ উল হাসান। বক্তব্য রাখেন কর্ণফুলী নদী বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ইদ্রিস আলী, সাম্পান খেলা ও চাঁটগাইয়া সংস্কৃতি মেলার প্রধান সমন্বয়ক চৌধুরী ফরিদ, চট্টগ্রাম আঞ্চলিক সংস্কৃতি একাডেমি চেয়ারম্যান আলীউর রহমান। শোভাযাত্রার উদ্বোধন করেন ডায়মন্ড সিমেন্ট পরিচালক হায়দার আলী রণি। সাম্পান মাঝি কল্যাণ সমিতি ফেডারেশনের সভাপতি এস এম পেয়ার আলীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বক্তব্য রাখেন সদরঘাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নেজাম উদ্দিন আহমেদ, কর্ণফুলী সাম্পান মাঝি কল্যাণ সমিতি ফেডারেশন উপদেষ্টা ইঞ্জিনিয়ার মির্জা মোহাম্মদ ইসমাইল, কর্ণফুলী সাম্পান মাঝি কল্যাণ সমিতি ফেডারেশন সম্পাদক শাহ আলম, চরপাথরঘাটা সাম্পান মাঝি কল্যাণ সমিতির সভাপতি জাফর আহম্মদ প্রমুখ।প্রধান অতিথি সিএমপি কমিশনার মাসুদ উল হাসান বলেন, ‘নদী মাতৃক দেশ হিসেবে বাংলাদেশকে বিশ্ব চেনে। তাই আমাদের কর্ণফুলীর মতো গুরুত্বপূর্ণ নদীটি দখল-দুষণ মুক্ত করতে আরও সক্রিয় হতে হবে। কর্ণফুলী দখল-দূষণের নির্দিষ্ট অভিযোগ পাওয়া গেলে প্রতিরোধ করতে সিএমপির পক্ষ থেকে সহযোগিতা থাকবে।কর্ণফুলী নদী বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ইদ্রিস আলী বলেন, ‘কর্ণফুলী বাঁচলে বাংলাদেশ বাঁচবে। এই স্লোগান এখন বৃহত্তর সামাজিক আন্দোলন। নদী ব্যবহারকারী বন্দরকে এই আন্দোলনের দাবি বাস্তবায়নে সক্রিয় হতে হবে। দেশের সর্বোচ্চ আদালতের নির্দেশনা থাকলেও কর্ণফুলী কেন দখলমুক্ত হচ্ছে না, এর উত্তর জেলা প্রশাসককে দিতে হবে। আগামী এক মাসের মধ্যে হাইকোর্টের নির্দেশ বাস্তবায়ন করা না হলে আমরা লাগাতার আন্দোলন করব।মেলার প্রধান সমন্বয়ক চৌধুরী ফরিদ বলেন,কর্ণফুলীকে বাঁচানোর জন্য সাম্পান মাঝিরা ঐক্যবদ্ধ। সাম্পান মাঝিদের এই আন্দোলকে সমর্থন দিয়ে কর্ণফুলী রক্ষায় প্রশাসনের এগিয়ে আসা উচিত।চট্টগ্রাম আঞ্চলিক সংস্কৃতি একাডেমি চেয়ারম্যান আলীউর রহমান বলেন, একটি নদী রক্ষার জন্য শত শত সাম্পান মাঝিরা নিজেদের দৈনন্দিন কার্যক্রম বন্ধ করে একত্রিত হয়েছে। কর্ণফুলী রক্ষায় মাঝিরা বৈঠা হাতে নিয়েছে। কর্ণফুলী সঠিক শাসন করতে বন্দর কর্তৃপক্ষ, জেলা প্রশাসন, পানি উন্নয়ন বোর্ডের সম্মিলিত উদ্যোগ প্রয়োজন।
ক্রাইম  ডায়রি/ জেলা



https://www.facebook.com/pages/National-weeklycrime-diary/639786429398358?ref=hl

সোমবার, ১৬ এপ্রিল, ২০১৮

»নাটো‌েরে জাসদের( ইনু) অনুষ্ঠানে হামলার অভিযোগ



নাটো‌েরে জাসদের( ইনু) অনুষ্ঠানে হামলার অভিযোগ

 0


নাটোর   জ‌েলা  সংবাদদাতাঃ
জাতীয়  সমাজতান্ত্র‌িক  দল  জাসদ  (ইনু) এর   বৈশাখী   অনুষ্ঠানে  হামলার  অভিযোগ     উঠ‌েছে।  জাসদ  সুত্র‌ে   জানা  গেছে,নাটোরের লালপুর উপজেলার গোপালপুরে জাসদের (ইনু) পয়লা বৈশাখের অনুষ্ঠানে আওয়ামী লীগ ও যুবলীগের নেতা-কর্মীরা হামলা চালিয়েছে । শনিবার দুপুরে এ হামলার পাঁচজন আহত হয়েছেন। রাত নয়টার দিকে নাটোর প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে জাসদের পক্ষ থেকে এ হামলার অভিযোগ করা হয়েছে।
জাসদ   ইনু     কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ও নাটোর-১ (লালপুর-বাগাতিপাড়া) আসনে মনোনয়ন প্রত্যাশী মোয়াজ্জেম হোসেন সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য দেন। এতে তিনি উল্লেখ করেন, শনিবার দুপুরে লালপুরের আজিমনগর রেলওয়ে প্ল্যাটফর্মে জাসদ লালপুর উপজেলার কমিটির পক্ষ থেকে পয়লা বৈশাখের অনুষ্ঠান চলছিল। এ সময় পৌর আওয়ামী লীগ ও যুবলীগের নেতা কর্মীরা তাঁদের ওপর সশস্ত্র হামলা চালায়। এতে জাসদ লালপুর থানার আহ্বায়ক আবদুল হালিম, আবদুল কুদ্দুস ও আব্দুল্লাহ হেল বাকিসহ পাঁচ নেতা কর্মী গুরুতর আহত হন। আহতদের প্রথমে লালপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে, পরে নাটোর সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
মোয়াজ্জেম হোসেন আরও অভিযোগ করেন, হামলায় উপজেলা যুবলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি নাজমুল ইসলাম, পৌর আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক শাহজাহান আলী, পৌর যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মোস্তাক হোসেন দলবল নিয়ে হামলা চালায়। তিনি তাৎক্ষণিক ঘটনাটি লালপুরের নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে (ওসি) অবহিত করলে প্রায় আধ ঘণ্টা পর পুলিশ ঘটনাস্থলে আসে। তিনি অবিলম্বে হামলায় জড়িত ব্যক্তিদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেন।
যুবলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি নাজমুল ইসলাম হামলার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তিন‌ি    বলেন, কোন  সুবিধাবাদী  পক্ষ  এ  কাজ    করতে  পারে। লালপুর থানার ওসি আবু ওবায়েদ জানান, তিনি মৌখিক অভিযোগ পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠিয়েছিলেন। এ ব্যাপারে লিখিত অভিযোগ করা হয়নি। অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ক্রাইম ডায়র‌ি/  রাজনীতি/ আইন

https://www.facebook.com/pages/National-weeklycrime-diary/639786429398358?ref=hl

মঙ্গলবার, ১৯ ডিসেম্বর, ২০১৭



বিশ্বজুড়ে পরিবেশ দুষণঃ পৃথিবী বাসীর জন্য ভয়ানক সংবাদ

বিশ্বজুড়ে পরিবেশ দুষণঃ পৃথিবী বাসীর জন্য ভয়ানক সংবাদ
আবু সাঈদ সিদ্দিকঃ
লাখ লাখ বছর আগে পৃথিবীর বুকে যে প্রাণ ও প্রাণীর সৃষ্টি হয়েছিল সেদিন প্রকৃতি ও পরিবেশে সাম্য ছিল। এ ভারসাম্য বজায় রাখতে ভূমিকা ছিল প্রকৃতি ও পরিবেশের। সভ্যতার ক্রমবিবর্তনের পথ ধরেই মানুষ একটু একটু করে গড়ে তুলেছে নিজের পরিবেশ। মানুষের রচিত পরিবেশ তারই সভ্যতার বিবর্তন ফসল। মানুষ তার নতুন নতুন আবিষ্কারের প্রতিভা, পরিশ্রম আর দক্ষতা দিয়ে সংগ্রহ করেছে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির বিভিন্ন পদ্ধতি। অধিগত করেছে জীবন-বিকাশের নানা উপকরণ। তাই দিয়ে সে তার নিজের প্রয়োজন ও রুচি অনুযায়ী তৈরি করেছে তার পরিবেশ। এ পরিবেশের মধ্যেই তার বিকাশ, তার বিনাশের ইঙ্গিত। পরিবেশ দুষণ না বুঝলে আর তা রোধ না করতে পারলে ধ্বংস নিশ্চিত। সব কিছুই তো একদিন শেষ হবে কিন্তু আল্লাহ তায়ালা প্রকৃতিতে তার নিজের খেয়ালে সুন্দর অবস্থায় চলতে দেয়ার কথা নানা ভাবে মানুষকে বলেছেন। মানুষ তারপরেও বিবেকের কু তাড়নায় পরিবেশের ক্ষতি করে। পরিবেশের দুষণ করে। পরিবেশের স্বাভাবিক পথচলা ব্যহত করে।

পরিবেশ দূষণের কারণঃ  জনসংখ্যা বৃদ্ধি পরিবেশ দূষণের অন্যতম কারণ। জনসংখ্যা বৃদ্ধির ফলে প্রাকৃতিক সম্পদ জল, মাটি, বায়ুর ওপর পড়েছে প্রচন্ড চাপ। শুরু হয়েছে বন সম্পদ বিনষ্টের অমিত উল্লাস। একই সঙ্গে ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে উদ্ভিদ জগৎ ও প্রাণী জগৎ। প্রকৃতি ও পরিবেশের ভারসাম্য এসে পৌঁছেছে এক সংকটজনক অবস্থায়। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে ক্রমবর্ধমান হারে শক্তি উৎপাদনের চাহিদা। শক্তি উৎপাদনের সঙ্গে সঙ্গে নির্গত হয় মানুষের স্বাস্থ্য ও পরিবেশ-দূষন নানা রাসায়নিক দ্রব্য। দূষিত রাসায়নিক দ্রব্যই নানা দুরারোগ্য ব্যাধির দ্রুত প্রসারণের কারণ। এতে বায়ু-জল-খাদ্যদ্রব্য মারাত্মকভাবে দূষিত হচ্ছে।

বায়ু দূষণ ও নানা প্রতিক্রিয়াঃ দূষণের প্রকৃতি ও পদ্ধতির মধ্যেও রয়েছে বিভিন্নতা। আমাদের প্রাকৃতিক সম্পদের অন্যতম উপকরণ হলো বায়ু। সেই বায়ু দূষণ আজ বিশ্বজুড়ে। সবার স্বাস্থ্যের পক্ষেও এ এক গুরুতর সমস্যা। বাতাসে কার্বন ডাই-অক্সাইডের পরিমাণ নিয়ত বাড়ছে। ফলে আবহাওয়ায় তাপমাত্রা ক্রমেই বেড়ে চলেছে। অকাল-বর্ষণ, ঝড়জল, কুয়াশা এরই ফল। এ রকম আবহাওয়ায় চাষবাস হয় অনিশ্চিত। কুয়াশা আর তেল, কয়লা দহনের ফলে নির্গত গ্যাসের মিশ্রণে ধোঁয়াশার সৃষ্টি। তার ক্ষতিকারক ক্ষমতা মারাত্মক। মাথাধরা, শ্বাসকষ্ট, হাঁপানি, দীর্ঘস্থায়ী ব্রংকাইটিস, ফুসফুস-ক্যানসার এ জাতীয় দূষণের ফল। বিভিন্ন যানবাহনের নির্গত ধোঁয়া সূর্যের আলোর সংস্পর্শে এসে তৈরি করে আলোক রাসায়নিক ধোঁয়াশা। অক্সাইড ও হাইড্রো কার্বনের বিক্রিয়ায় আরও কিছু বায়ু দূষকের সৃষ্টি হয়।

পানি দূষণঃ পানি দূষণ আধুনিক সভ্যতার আরেক অভিশাপ। পৃথিবীর সমুদ্র, নদ-নদী, পুকুর, খালবিল ইত্যাদির পানি নানাভাবে দূষিত হচ্ছে। নদীর তীরে গড়ে উঠেছে সমৃদ্ধ জনপদ, শহর। প্রতিষ্ঠিত হয়েছে আধুনিক চটকল, কাপড়কল, কয়লা ধোলাইকল, চিনিকল, কাগজের কল, ভেষজ তেল তৈরির কারখানা, চামড়া পাকা করার কারখানা ইত্যাদি। এসব কলকারখানার আবর্জনা প্রতিনিয়ত নদ-নদীর পানি দূষিত করছে। প্রতি দিন বিভিন্ন শিল্পাঞ্চল থেকে ক্ষার, অ্যামোনিয়া, সায়ানাইড, ন্যাপথালিন, ফিনল ও বিবিধ রাসায়নিক জল দূষক উপাদান এসে মিশছে। দূষণের কবলে বাংলাদেশের প্রায় সব নদীর পানি। পুকুর, খাল-বিল দূষণের জন্য নালা-নর্দমা, ঘরবাড়ির আবর্জনা ইত্যাদি দায়ী। এর থেকেই দূষিত হয় মাটি, দূষিত হয় পানীয় জল। সমুদ্র নদী খালবিল পুকুরের মাছেও নানারূপ দূষণ ঘটছে। ছড়িয়ে পড়ছে নানা রকমের সংক্রামক রোগ। মাঝেমধ্যে তা মহামারির আকার ধারণ করে। মৃত্যু এসে ছিনিয়ে নিয়ে যায় কত জীবন। এমনি করেই দিনের পর দিন জনস্বাস্থ্য বিনষ্ট হচ্ছে।

শব্দ দূষণঃ  শব্দ দূষণ এ যুগের এক গুরুত্বপূর্ণ, জলজ্যান্ত সমস্যা। দিন দিন এ সমস্যা আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে। শহরে শব্দ দূষণের মাত্রা সর্বাধিক। প্রতিনিয়তই এখানে মোটরগাড়ির হর্ন, কলকারখানার বিকট আওয়াজ, বাজি পটকার শব্দ, রেডিও, টেলিভিশনের শব্দ, লোকজনের চিৎকার চেঁচামেচি, উৎসবের মত্ততা, মাইকে চড়া সুর, সব মিলেমিশে এক অপস্বর সৃষ্টির মহাযজ্ঞ চলছে। শব্দ দূষণের পরিণাম ভয়াবহ।শব্দ দূষণের উৎস অনেক এবং অনেক ধরনের। যথাযথ কারণ ছাড়া যত্রতত্র মাইক বা ক্যাসেট প্লেয়ার বাজানো বন্ধ করতে হবে। প্রয়োজনে-অপ্রয়োজনে হর্ন বাজানো এবং হাইড্রোলিক হর্ন বাজানো আইনগতভাবে বন্ধ করতে হবে। আবাসিক এলাকায় যাতে কলকারখানা গড়ে উঠতে না পারে, তার ব্যবস্থা করতে হবে।বন ও পরিবেশ আইন ১৯৯৭ অনুসারে হাসপাতাল, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ আরও কিছু প্রতিষ্ঠান থেকে ১০০ মিটার পর্যন্ত এলাকাকে নীরব এলাকা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। শব্দ দূষণ রোধে মানুষের সচেতনতা সবচেয়ে বেশি।ঢাকা এখন শব্দ দূষণের নগর। ২০০৩ সালে দুই স্ট্রোকবিশিষ্ট অটোরিকশা ঢাকা শহর থেকে উঠিয়ে দেওয়ার পর বায়ু দূষণের পাশাপাশি শব্দ দূষণের মাত্রাও অপেক্ষাকৃত কমে যায়, ফলে নগরবাসী কিছুটা স্বস্তি পেয়েছিল। কিন্তু তাদের সে স্বস্তি বেশি দিন স্থায়ী হয়নি। শব্দ দূষণের ফলে যে অসুখ হয়, তার মেয়াদ দীর্ঘমেয়াদি হয় বলে মানুষ তৎক্ষণাৎ এর কুফল বুঝতে পারে না। তাই এদিকে মানুষের নজরও থাকে কম। এ কারণে ঢাকার আবাসিক এলাকা, হাসপাতাল, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান—কোনো কিছুই রেহাই পাচ্ছে না যানবাহনের হাইড্রোলিক হর্ন, কারখানার উচ্চশব্দ, মাইক ও সিডি প্লেয়ারের উদ্দাম আওয়াজ থেকে।

শব্দ দূষণের ভয়াবহতাঃ
শব্দ দূষণ যে শুধু বিরক্তি সৃষ্টি করে তাই নয়, মানবদেহের আর্টারিগুলো বন্ধ করে দেয়, এড্রনালিনের চলাচল বৃদ্ধি করে এবং হূৎপিন্ডকে দ্রুত কাজ করতে বাধ্য করে। ধারাবাহিক উচ্চ শব্দের মধ্যে থাকলে হার্টঅ্যাটাক ও স্ট্রোকের আশঙ্কা বৃদ্ধি পায়। বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের মতে, শব্দ দূষণ স্নায়বিক বৈকল্যের কারণ হতে পারে। বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, ধারাবাহিক শব্দ দূষণ শ্রবণশক্তি নষ্ট করে এবং স্নায়ুর স্থায়ী ক্ষতি সাধন করে। তাঁদের মতে, রাজধানীতে বসবাসকারী মানুষের হার্ট, কিডনি ও ব্রেনের ওপর অতিরিক্ত চাপ পড়ছে। শব্দ দূষণে শিশুদের মেজাজ হচ্ছে খিটখিটে। তারা শ্রবণশক্তি হারাচ্ছে, হারাচ্ছে তাদের একনিষ্ঠতা। এর প্রভাব তাদের লেখাপড়ার ওপর পড়ছে। সব ধরনের শব্দ দূষণের ফলেই মানুষের ঘুম, শ্রবণশক্তি, মানসিক ও শারীরিক স্বাস্থ্যের অবনতি হয়। যেকোনো ধরনের শব্দ দূষণই গর্ভবতী মায়েদের ক্ষতি করে দারুণভাবে। শব্দ দূষণে মানুষের স্থায়ী মানসিক বৈকল্য দেখা দিতে পারে।

তেজস্ক্রিয় দূষণঃ
পারমাণবিক যুদ্ধ, পারমাণবিক অস্ত্রের পরীক্ষা-নিরীক্ষার মধ্যে তেজস্ক্রিয় দূষণের বিপদ সবচেয়ে বেশি নিহিত। ১৯৬৩ তে একটি মার্কিন নিউক্লিয় সাবমেরিন আটলান্টিক সাগরে হারিয়ে যায়। তা থেকে প্রচুর পরিমাণে তেজস্ক্রিয় পদার্থ ছড়িয়ে পড়ে প্রাকৃতিক পরিবেশে। নিউক্লিয় জ্বালানি উৎপাদনকেন্দ্রের আবর্জনা তার ক্ষতিকারক ক্ষমতা নিয়ে ৬০০ বছর পর্যন্ত টিকে থাকতে পারে।

দূষণের প্রতিকারঃ
দূষণের ভয়াবহ পরিণামের কথা ভেবে বিশ্বের সভ্য মানুষ আজ আতঙ্কিত। কী উপায়ে এ ভয়ংকর সমস্যার মোকাবিলা সম্ভব তা নিয়ে ভাবনা, পরিকল্পনার শেষ নেই। বায়ু দূষণের প্রতিকারের জন্য গ্রহণ করা হয়েছে কলকারখানার দহন-প্রক্রিয়াকে নিয়ন্ত্রণ করে নির্গত দূষকের পরিমাণ কমানোর ব্যবস্থা। তা ছাড়া গ্রহণ করা হয়েছে বৃক্ষ রোপণ পরিকল্পনা। এক গবেষণায় দেখা গেছে, একমাত্র বনায়নের মাধ্যমেই প্রায় সব ধরনের পরিবেশ দূষণের হাত থেকে রক্ষা পাওয়া সম্ভব। দূষিত পানিকে পানযোগ্য করে তুলতে হলে উপযুক্ত পরিস্রবণ দরকার। শব্দ দূষণের কুপ্রভাব কমানোর প্রধান উপায় হলো, শব্দবিরোধী কক্ষের ব্যবহার। প্রযুক্তিবিদ্যার সাম্প্রতিক অগ্রগতিতে এমন কতকগুলো পদ্ধতির উদ্ভাবন হয়েছে, যাতে পরমাণু চুল্লির আবর্জনা নিয়ন্ত্রণ সম্ভব হয়েছে। এর ফলে নিউক্লিয় বিদ্যুৎকেন্দ্রের পরিবেশে কোনো তেজস্ক্রিয় থাকবে না।

মোদ্দা কথা, পরিবেশ দূষণ সমস্যা নিয়ে আজ সব দেশই চিন্তিত। সভ্যতার অস্তিত্বই আজ এক সংকটের মুখোমুখি এসে দাঁড়িয়েছে। তাই ১৯৭২ সালে ‘মানুষের পরিবেশ’ নিয়ে সম্মিলিত জাতিপুঞ্জের অধিবেশন হয়ে গেল স্টকহোমে। ১৯৯২ সালে ব্রাজিলের রিওডি জেনিরোতে অনুষ্ঠিত হয়েছে ১২ দিনব্যাপী ধরিত্রী সম্মেলন। বাংলাদেশের সংবিধানেও পরিবেশ দূষণ প্রতিরোধের শর্ত আরোপ করা হয়েছে। এখানেও প্রতি বছর ৫ জুন বিশ্ব পরিবেশ দিবস পালিত হচ্ছে। আজ পরিবেশ দূষণ মানব সভ্যতার জন্য ভয়ংকর বিপদের পূর্বাভাস। ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি নিরাপদ পৃথিবী গড়ে তোলার লক্ষ্যে যেকোনো মূল্যে পরিবেশ দূষণ রোধ করার প্রয়োজনীয়তা অনস্বীকার্য।


  
লেখকঃ
আবু সাঈদ সিদ্দিক,স্বর্নাকুঞ্জ,ধনকুন্ডী,শেরপুর,বগুড়া।
নির্বাহী পরিচালক,বাংলা ডায়রি মিডিয়া লিঃ
ব্যবস্থাপনা পরিচালক,এরাবিক কেমিক্যাল লিঃ
www.crimediarybd.com
https://www.facebook.com/pages/National-weeklycrime-diary/639786429398358?ref=hl


সমগ্র বিশ্বে ২০১৭ সালে ৬৫ সাংবাদিক ও মিডিয়াকর্মী নিহত, খুন হয়েছে ৩৯ জন

By on স্পেশাল
অনলাইন ডেস্কঃ
২০১৭ সালে বিশ্বজুড়ে মোট ৬৫ জন সাংবাদিক ও মিডিয়াকর্মী নিহত হয়েছেন। জিম্মি করা হয়েছে ৫৪ জনকে। বন্দী করা হয়েছে ৩২৬ জনকে। নিখোঁজ রয়েছেন ২ জন। নিখোঁজ দুজনের মধ্যে একজন হচ্ছেন বাংলাদেশের উৎপল দাস। সংবাদ-ভিত্তিক ওয়েবসাইট পূর্বপশ্চিমবিডিডটনিউজ’এর এই জেষ্ঠ্য রিপোর্টার ১০ই অক্টোবর নিখোঁজ হন।
এখন পর্যন্ত তার কোন সন্ধান পায়নি পুলিশ। মঙ্গলবার রিপোর্টার্স উইদাউট বর্ডার্সের(আরএসএফ) এক বার্ষিক প্রতিবেদনে এ তথ্য ওঠে এসেছে।
আরএসএফের প্রতিবেদনের বরাত দিয়ে বার্তা সংস্থা এএফপি’র এক খবরে বলা হয়, নিহত ৬৫ জনের মধ্যে খুন হয়েছেন ৩৯ জন। বাকিরা কর্মরত অবস্থায় বিমান হামলা, আত্মঘাতী হামলা ও বিভিন্ন দুর্ঘটনার শিকার। ১৪ বছরের মধ্যে এই বছরই বিশ্বজুড়ে খুন হওয়া পেশাদার সাংবাদিকের সংখ্যা সবচেয়ে কম। সংস্থাটি তাদের প্রতিবেদনে বলেছে, এই বছর খুন হওয়া সাংবাদিক ও মিডিয়াকর্মীর হার কম হওয়ার পেছনে একটি বিশেষ কারণ হচ্ছে, যুদ্ধ-আক্রান্ত অঞ্চলগুলোতে কাজ করতে যাওয়া সাংবাদিকদের এখন আগের চেয়ে ভালো নিরাপত্তাজনিত প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। পাশাপাশি অনেক সাংবাদিক এখন বিপজ্জনক দেশগুলোতে কাজ করা ছেড়ে দিয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়, সিরিয়া, ইরাক, ইয়েমেন ও লিবিয়ার মতো বিপজ্জনক দেশগুলো থেকে সাংবাদিকরা সরে যাচ্ছে। আরএসএফ অনুসারে, বর্তমান বিশ্বে সাংবাদিকদের জন্য সবচেয়ে বিপজ্জনক দেশ হলো যুদ্ধ-বিপর্যস্ত সিরিয়া। এর পরেই রয়েছে মেক্সিকো। এই বছর সিরিয়াতে খুন করা হয়েছে ১২ সাংবাদিককে। আর মেক্সিকোতে ১১ জনকে। প্রতিবেদন অনুসারে, মেক্সিকো সাংবাদিকদের জন্য যুদ্ধের কারণে বিপজ্জনক নয়। তবে, যারা সেখানে রাজনৈতিক দুর্নিতী বা সুসংগঠিত অপরাধ নিয়ে কাজ করেন, প্রায়শই তাদেরকে সিস্টেম্যাটিকভাবে টার্গেট করে হুমকি দেয়া হয় ও হত্যা করা হয়। প্রতিবেদনে, ফিলিপাইনকে এশিয়ার মধ্যে সাংবাদিকদের জন্য সবচেয়ে বিপজ্জনক দেশ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। গত বছর সেখানে পাঁচ জন সাংবাদিককে গুলি করা হয়। তাদের মধ্যে চার জন পরবর্তীতে মৃত্যুবরণ করেন। অথচ এর আগের বছর সেখানে কোন সাংবাদিকই হত্যার শিকার হননি।
এদিকে, বিশ্বে সবচেয়েবেশি সাংবাদিক আটক হয়েছে তুরস্কে। সবমিলিয়ে সেদেশে বর্তমানে কারাগারে আটক রয়েছেন ৪২ জন রিপোর্টার ও একজন মিডিয়া কর্মী। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সরকারের সমালোচনা, ‘সন্দেহভাজন’ মিডিয়া সংস্থার জন্য কাজ করা, সরকারের জন ¯পর্শকাতর এমঙ্কোন সূত্রের সঙ্গে যোগাযোগ করা বা কোন গোপন বার্তার ব্যবহার করলেই সেখানে সাংবাদিকদের সন্ত্রাসী মামলায় কারাদ- দেয়া হয়। অন্যদিকে, ব্লগার আটক করার ক্ষেত্রে শীর্ষে রয়েছে চীন। সেখানে মোট ৫২ জনকে আটক করা হয়েছে। আরএসএফ অভিযোগ তুলেছে যে, চীনে সাংবাদিক ও ব্লগারদের কঠোরভাবে নির্যাতন করা হয়। প্রতিবেদনে বলা হয়, চীনা সরকার তাদের বিরুদ্ধে কথা বলা মানুষদের আর হত্যা করেনা। তার বদলে, তাদেরকে জেলে আটকে রাখা হয়। যেখানে তারা ঢুকে ঢুকে মারা যায়। তুরস্ক ও চীন ব্যতিত অন্যান্য দেশের মধ্যে সিরিয়ায় আটক করা হয়েছে ২৪ জনকে, ইরানে ২৩ জনকে ও ভিয়েতনামে ১৯ জনকে।
ক্রাইম ডায়রি//সুত্রঃ মানবজমিন
FacebookTwitterGoogle+Print
www.crimediarybd.com
https://www.facebook.com/pages/National-weeklycrime-diary/639786429398358?ref=hl


এমন শিশুই দেশের জন্য প্রয়োজনঃ ট্রেন থামানো দুই শিশুকে ইউএনও’র পুরস্কার

ডক্টর ফজলুল করিম,রাজশাহী অফিসঃ
”আমাদের দেশে সেই ছেলে হবে কবে,কথায় না বড় হয়ে কাজে বড় হবে।” হ্যা , সকলের তরে সকলে আমরা প্রত্যেকে আমরা পরের তরে। এমন শিশুর সন্ধান পাওয়া গেছে। নিজের কথা না ভেবে দেশের সম্পদ ও মানুষের জীবনকে বাচিয়ে দিল বাঘার দুই বাঘের বাচ্চা শিশু। আর তাদের কাজে মুল্যায়নও করে থানা সর্বোচ্চ কর্মকর্তা।
সিগন্যাল দিয়ে তেলবাহী ট্রেনকে দুর্ঘটনার হাত থেকে রক্ষা করা সেই দুই শিশুকে বাঘা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পুরস্কার দিয়েছেন।
মঙ্গলবার সকাল ১১টায় রেল দুর্ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাহিন রেজা দুই শিশুর হাতে স্কুল ব্যাগ, টিফিন বক্স ও শীত নিবারণের জন্য কম্বল পুরস্কার হিসেবে দিয়েছেন।

এই ঘটনায় সোমবার বিকেলে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম এমপি দুই শিশুর লেখাপড়ার সব দায়িত্ব নিয়েছেন।

তাদের দুজনেক প্রতি মাসে এক হাজার টাকা করে নিজের অর্থায়নে বৃত্তি প্রদান ও এসএসসি পাসের পর উচ্চ শিক্ষার ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।
ক্রাইম ডায়রি//জেলা
pic: Crime Diary
www.crimediarybd.com
https://www.facebook.com/pages/National-weeklycrime-diary/639786429398358?ref=hl

বুধবার, ৬ ডিসেম্বর, ২০১৭


ক্রাইম ডায়রি সম্পাদকের বাসায় চুরি

 0
আরিফুল ইসলাম কাইয়্যুমঃ
মিরপুর পীরের বাগ এলাকায় ইদানিং কালে ছিচকে চুরির পরিমান আশংকাজনক হারে বেড়ে গেছে। আজ ০৭/১২/২০১৭ইং তারিখ আনুমানিক ভোর ৫ ঘটিকার দিকে ক্রাইম ডায়রির সম্পাদক ও প্রকাশক আতিকুল্লাহ আরেফিন রাসেলের বাসা ১৩০/২,দক্ষিণপীরেরবাগের মরহুম ডাক্তার আলম খানের বাসার(তুহিনদের বাসা) দ্বিতীয় তলার পশ্চিম পাশের কাঁচের বন্ধ জানালা কৌশলে খুলে চার্জার লাগানো অবস্থা হতে নিউজের কাজে ব্যবহৃত গুরুত্বপুর্ন ট্যাব সি-৯৬ টি চুরি হয়। ট্যাবটি পিসির মতো কাজ করত। চুরি অবস্থায় ট্যাবে গুগল মোবাইল লষ্ট অপশন, জি মেইল, ম্যাসেঞ্জার ও আমার ফেসবুক পেইজ অটোমেটিক চালু ছিল এবং ট্যাবটি চালু থাকলে এগুলো অটো চালু ছিল। এছাড়া ট্যাবে দুইটি সিম চালু ছিল। একটি হলোঃ ০১৮২৭-৫৩৮৬৭৪,০১৬৭৯-৮৮৫৭৫৮। ইমেইল দুটি হলোঃ ৎধংবষপৎরসবফরধৎু@মসধরষ.পড়স ্ পৎরসবফরধৎু১১@মসধরষ.পড়স /// ভধপবনড়ড়শ ্ গবংবহমবৎ : অঃরশঁষষধয অৎবভরহ জধংবষ //নেট চালু ছিল রবি নম্বরে। এছাড়া ট্যাবটিতে অনেক গুরুত্ব নিউজ ডকুমেন্ট ,ইনফরমেশন ও অফিস ডাটা ছিল যেগুলোর মাধ্যমে সহজেই যে কেউ মারাত্বক ক্ষতি ও ঝুকির মধ্যে ফেলতে পারে। এবিষয়ে আজকে থানায় জিডি করার প্রক্রিয়া চলছে। এদিকে চুরির ঘটনায় সাংবাদিক সমাজ উদ্বিগ্ন প্রকাশ করেছেন। মিরপুুর এলাকার পীরেরবাগের এই এলাকায় অসংখ্য ছিচকে চোরের বসবাস উল্লেখ করে সাংবাদিক সমাজের দাবী অতি দ্রুত মিরপুর থানা পুলিশের নিজ উদ্যেগে এই চোরদের গ্রেফতার করা হোক। সুশীল মহল মনে করছেন, এ ধরনের উদ্যেগ না নিলে যে কোন বড় ধরনের ক্ষতি হতে পারে।
ক্রাইম ডায়রি//ক্রাইম //রাজধানী

ABOUT AUTHOR



https://www.facebook.com/pages/National-weeklycrime-diary/639786429398358?ref=hl

বুধবার, ২৯ নভেম্বর, ২০১৭


রায়গঞ্জে ফল ব্যবসায়ীর রহস্যজনক মৃত্যু


স.ম আব্দুস সাত্তার, চলনবিল প্রতিনিধিঃ
সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জে এক ফল ব্যবসায়ীর রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে। এলাকা সূত্রে জানা যায়, গতকাল মঙ্গলবার সকালে উপজেলার চান্দাইকোনা ইউনিয়নের সারুটিয়া গ্রামের শ্রীচরণের পুত্র ফল ব্যবসায়ী রতন চন্দ্র মন্ডল(৪০) এর মৃতদেহ নাকেমুখে রক্তের দাগসহ বাড়ির পাশেই মুড়াগাছা শশ্মান ঘাটের গঙ্গা মন্দিরের বারান্দায় পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয় এলাকাবাসী ও তার স্বজনেরা রায়গঞ্জ থানা-পুলিশকে খবর দেয়। খবর পেয়ে রায়গঞ্জ থানা-পুলিশ দুপুরে তার মৃতদেহ উদ্ধার করে সিরাজগঞ্জ মর্গে প্রেরণ করেছেন। নিহতের স্বজনদের সাথে কথা বলে আরও জানা যায়, সে চান্দাইকোনা বাজারে ফল ব্যবসা করে প্রতিদিন বাড়ি ফিরলেও গত সোমবার রাতে বাড়ি ফেরেনি। এ হত্যা নিয়ে এলাকায় চলছে নানা গুঞ্জন। এ রিপোর্ট লেখা পযর্ন্ত থানায় মামলার প্রস্তুতি চলছিল।

ক্রাইম ডায়রি/ক্রাইম/গ্রাম বাংলা
a



https://www.facebook.com/pages/National-weeklycrime-diary/639786429398358?ref=hl


বগুড়ার শেরপুর থানার এ এস আই আব্দুর জব্বার শ্রেষ্ঠ পদকে ভুষিত


জাকির হোসেন রণি ও শাহাদাত হোসেনঃ

নিম্মপদস্থ কর্মকর্তাদের  কেউ যদি পদক পায় তবে তা মিডিয়ায় কখনও ফলাও করে প্রচার হয়না। ওরা যে পারে তা যদি ওদের উৎসাহ দিয়ে বলা হয় তবে তারাও যে বড় ভুমিকা রাখতে পারে সে ব্যাপারে েএখন মিডিয়া বোদ্ধাদের সময় বোঝার সময় এসেছে। পুলিশ যদি পদক পায় তবে বুঝতে হবে আর দশের চেয়ে তার কাজের মান ভাল বৈ কম নয়। এরকমই একজন পুলিশ কর্মকর্তা এ এস আই আব্দুর জব্বার। বগুড়া জেলায় আর দশজন পুলিশের চেয়ে সে কোন অংশে কম নয় তা সে প্রমাণ করতে পেরেছে। ফলশ্রুতিতে সে পেয়েছে জেলার শ্রেষ্ঠ এ এস আই পদক। বগুড়া জেলার পুলিশ সুপার মোঃ আসাদুজ্জামান বিপিএম তাকে এই পদক তুলে দেন। শেরপুর থানার পুলিশ শ্রেষ্ঠ পদকে ভুষিত হওয়ায় ক্রাইম ডায়রি পরিবার হতে তাকে অভিনন্দন ।
ক্রাইম ডায়রি//জেলা
 www.crimediarybd.com
https://www.facebook.com/pages/National-weeklycrime-diary/639786429398358?ref=hl
আলহাজ্ব মুন্সী সাইফুল বারী ডাবলু এক অন্য রকম মানুষ

আলহাজ্ব মুন্সী সাইফুল বারী ডাবলু এক অন্য রকম মানুষ

ডাঃ মোমিনুল খন্দকার আলালঃ
শেরপুরের সাধারন মানুষের সত্যিকারের বন্ধু আজকের শেরপুর পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা ও সম্পাদক জনাব আলহাজ্ব সাইফুল বারী ডাবলু। কোন কিছুতেই যার না নেই।যিনি শেরপুর বাসীর কাছে কখনও লৌহ মানব, কখনও মহান বন্ধু বলে পরিচিত। ক্রাইম ডায়রি ও ক্রাইম ডায়রি বিডি ডটকমের শুভাকাংখী এই মানুষটি গরীব দুখী মেহনতী মানুষের পাশে থেকেই সারাদিন কাটান। এই কখন এই ইউনিয়নে কারো বিয়ে কিংবা বিচার কিংবা সাহায্য কিংবা আইনশৃংখলা সংক্রান্ত মিটিং কখনও বা দাতব্যকাজে আবার ছুটে চলেন অন্য ইউনিয়নে কারো সাহায্য লাগবে সেখানে। এই নিরন্তর ছুটে চলায় যার মোটেও বিরক্তি নেই তিনি হলে মুন্সী সাইফুল বারী ডাবলু। শেরপুর কি বিদেশী কিংবা দেশী সকল সামাজিক কার্যক্রমে যার বিস্তর অংশগ্রহণ। সাপ্তাহিক ক্রাইম ডায়রি ও অনলাইন সংবাদমাধ্যম ক্রাইম ডায়রি বিডি ডট কমের পক্ষ হতে তাকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।

বগুড়ার আরডিএ মিলনায়তনে অ্যাকশন রিসার্চ অন এনার্জি এফিসিয়েন্সির প্রজেক্ট ম্যানেজার লিন্ডা রবার্টস ও আজকের শেরপুর পত্রিকার সম্পাদক আলহাজ্ব মুনসী সাইফুল বারী ডাবলু।

ক্রাইম ডায়রি//জেলা// স্পেশাল/By on জেলার সংবাদ, স্পেশাল

www.crimediarybd.com
https://www.facebook.com/pages/National-weeklycrime-diary/639786429398358?ref=hl